বাংলাদেশের সুন্দরবনে কতো প্রজাতির হরিণ দেখা যায়?
হরিণ Artiodactyla বর্গের Cervidae গোত্রের রোমন্থক একদল স্তন্যপায়ী। গোত্রের সব সদস্যই স্বভাব ও গড়নের দিক থেকে প্রায় অভিন্ন। পুরুষ হরিণের মাথায় থাকে এক জোড়া শিং। এগুলি প্রথমে কোমল ভেলভেট-এর মতো রোমশ চামড়া দিয়ে ঢাকা থাকে এবং পরে পরিণত বয়সে চামড়া শুকিয়ে যায় ও এক সময় খসে পড়ে।
বাংলাদেশের কয়েক প্রজাতির হরিণের মধ্যে সাম্বার (Cervus unicolar) বৃহত্তম এবং চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের বনে বাস করে। সবচেয়ে সুন্দর ও পরিচিত প্রজাতি হলো চিত্রা হরিণ (C. axis)। এর হলুদ, হালকা বা গাঢ় বাদামি পিঠ জুড়ে থাকে সাদা রঙের গোল গোল ফোঁটা। এদের আবাস প্রধানত সুন্দরবন। এক সময় সিলেটের বনাঞ্চলে নাত্রিনি হরিণ (hog deer, C. porcinus) দেখা গেলেও বাংলাদেশে এটি এখন আর টিকে নেই। মায়াহরিণ (Muntiacus muntjac) আকারে সবচেয়ে ছোট। সুন্দরবনের চিত্রা হরিণ ছাড়া বাংলাদেশের অন্য সবগুলি হরিণের সংখ্যা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। যদৃচ্ছা শিকার, মানুষের হস্তক্ষেপ ও আবাসভূমি ধ্বংসের জন্য বনের এসব সুদর্শন প্রাণী আজ বিপন্ন। বারশিঙা (C. duvanceli) এদেশে এখন আর নেই।
বাংলাদেশে মোট ৫ প্রজাতির হরিণের রেকর্ড আছে। এদের মধ্যে দুই প্রজাতির হরিণ (হগ ডিয়ার ও সোয়াম্প ডিয়ার) বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বাকী তিন প্রজাতির মধ্যে প্রায় হারিয়ে যাওয়ার পথে বারকিং ডিয়ার ও সাম্বার ডিয়ার। এদের এখন সিলেটের গভীর বন ও কাপ্তাই, পার্বত্য চট্টগ্রাম, এবং বান্দারবন এলাকায় কালেভদ্রে পাওয়া যায়। স্পটেড ডিয়ার বা চিত্র হরিণ এদেশে অন্যান্য হরিণের চেয়ে এখনও বেশ ভাল আছে। শুধু সুন্দরবনেই বন বিভাগের তথ্যমতে চিত্রা হরিণের সংখ্যা ৫০-৮০ হাজার। চট্টগ্রাম পাহাড়ী এলাকা, মধুপুর বন ও সিলেটের গভীর বনে হাতে গোনা কিছু চিত্রা হরিণ থাকতে পারে। সর্বশেষ সরকার হরিণ সংকট মোকাবেলায় নিঝুম দ্বীপে হরিণ ছাড়ে। এ বনে হরিণের খাবার সংকট ও প্রিডেটর সমস্যা না থাকায় মাত্র এক যুগেই হরিণ বেড়ে প্রায় বিশ হাজার। যথাযথ গবেষণা ও পর্যাপ্ত খাবারের অভাবে বর্তমানে হরিণ এখানেও একধরণের সংকটে চলছে।
Related Questions
নদীখাত হলো প্রবাহিত পানির শক্তির ফলে গঠিত একটি সরু বা চওড়া , গভীর বা অগভীর প্রাকৃতিক সুষম ঢালু যার মধ্য দিয়ে ধীর বা প্রবলবেগে পানি প্রবাহিত হয় । জোয়ার - ভাটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে এই নদীখাত গভীর হয় ।
শুক্র গ্রহ:
- শুক্র গ্রহ সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ।
- এই পার্থিব গ্রহটিকে অনেক সময় পৃথিবীর "বোন গ্রহ" বলে আখ্যায়িত করা হয়, কারণ পৃথিবী এবং শুক্রের মধ্যে গাঠনিক উপাদান এবং আচার-আচরণে বড় রকমের মিল রয়েছে।
- এই গ্রহটি যখন সকাল বেলায় পৃথিবীর আকাশে উদিত হয় তখন একে লুসিফার বা শয়তান নামেও ডাকা হয়ে থাকে।
- বাংলায় সকালের আকাশে একে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে একে সন্ধ্যাতারা বলে ডাকা হয়ে থাকে।
- এর কোনো উপগ্রহ নাই।
হৃৎপিণ্ডের পেশি গঠনগত দিক থেকে রেখbordered হলেও কার্যগত দিক থেকে স্বয়ংক্রিয় বা অনৈচ্ছিক। মানবদেহের অন্য কোনো স্থানে এই পেশি পাওয়া যায় না বলে একে "হৃদপেশি বা বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি" (Cardiac muscle) বলা হয়।
আকৃতি, অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী টিস্যু প্রধানত তিন ধরনের। যথা: স্কোয়ামাস বা শল্কাকার, কিউবয়ডাল বা ঘনাকার এবং কলামনার বা স্তম্ভাকার।
বেকিং পাউডার হলো— সোডিয়াম বাই কার্বনেট এবং পটাশিয়াম হাইড্রোজেন টারট্রেটের মিশ্রণ, যা পাউরুটি, বিস্কুট প্রভৃতি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এর রাসায়নিক সংকেত NaHCO₃ ।
যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় তাকে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বলে।
জব সলুশন