আকৃতি, অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী টিস্যু কত ধরনের?
আকৃতি, অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী টিস্যু প্রধানত তিন ধরনের। যথা: স্কোয়ামাস বা শল্কাকার, কিউবয়ডাল বা ঘনাকার এবং কলামনার বা স্তম্ভাকার।
Related Questions
বেকিং পাউডার হলো— সোডিয়াম বাই কার্বনেট এবং পটাশিয়াম হাইড্রোজেন টারট্রেটের মিশ্রণ, যা পাউরুটি, বিস্কুট প্রভৃতি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এর রাসায়নিক সংকেত NaHCO₃ ।
যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় তাকে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বলে।
ইলেকট্রন একটি অধঃ-পরমাণু (subatomic) মৌলিক কণা (elementary particle) যা একটি ঋণাত্মক তড়িৎ আধান বহন করে। ইলেকট্রন একটি স্পিন -১/২ অর্থাৎ ফার্মিয়ন) এবং লেপ্টন শ্রেনীভুক্ত। এটি প্রধানত তড়িৎ-চুম্বকীয় মিথষ্ক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। পারমাণবিক কেন্দ্রীনের (নিউক্লিয়াসের) সঙ্গে একত্র হয়ে ইলেকট্রন পরমাণু তৈরি করে এবং এর রাসায়নিক বন্ধনে অংশগ্রহণ করে। মূলত ইলেকট্রন চলাচলের দরুন কঠিন পরিবাহীতে বিদ্যুতের প্রবাহ ঘটে। ইলেক্ট্রনের স্পিন ও ইলেক্ট্রন প্রবাহের বর্তুলতা (চক্রাকার প্রবাহ) বা ত্বরণের জন্য চৌম্বকত্ব তৈরি হয়।
পাখার বাতাসে দেহের ঘর্ম (পানি) বাষ্পে পরিণত হতে যে পরিমাণ তাপ প্রয়ােজন তা শরীর থেকে গ্রহণ করে। ফলে শরীর ঠান্ডা হয় এবং আরাম বােধ হয়।
বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি পরমাণুর শক্তি--যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক.
কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে লুকানো বিস্ফোরক বা নিষিদ্ধ দ্রব্য খুঁজে বের করতে, এমনকি চোরাচালানীর পেটে সোনা, রূপা ইত্যাদি শনাক্ত করতে গোয়েন্দা বিভাগে এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।
জব সলুশন