প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন পর্যায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ সবচেয়ে ফলপ্রসূ হবে?
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ফলপ্রসূ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় কমিউনিটি পর্যায়ে। স্থানীয় জনগণ সরাসরি ঝুঁকির মুখে থাকায় তাদের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে দ্রুত কমাতে পারে।
Related Questions
সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এ জন্য যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগ প্রস্তুতি, দুর্যোগ প্রশমন, পুনর্বাসন ইত্যাদি কার্যক্রম সম্পাদন করতে হয়।
- তাই প্রথম কাজ হবে ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, যাতে সার্বিক অবস্থা অনুধাবন করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ সহজ হয়।
ভূগোল ও অর্থনৈতিক শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলাদেশের কৃষি প্রধানত ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী (Intensive Subsistence Rice-dominant Agriculture) প্রকৃতির। এই কৃষিপদ্ধতিতে উৎপাদিত ফসলের বড় অংশ কৃষকের নিজস্ব পরিবারের খোরাক বা চাহিদ মেটানোর জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর মূল আকর্ষণ বা প্রধান উৎপাদিত শস্য হলো ধান।
হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ হলো ইউ-আকৃতির উপত্যকা (U-shaped valley)।যখন বিশাল বরফের স্রোত বা হিমবাহ কোনো পাহادی উপত্যকার ওপর দিয়ে নিচে নামে, তখন এটি এর তলদেশ ও দুই পাশ সমানভাবে ক্ষয় করে উপত্যকাটিকে ইংরেজি 'U' অক্ষরের মতো প্রশস্ত ও গভীর রূপ দেয়।
বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে বিশেষ করে বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি এই তিনটি পার্বত্য জেলায় 'ঝুম' বা জুম চাষ পদ্ধতি দেখা যায়। এছাড়া চট্টগ্রাম জেলার কিছু পাহাড়ি এলাকাতেও এই ঐতিহ্যবাহী চাষাবাদ হয়ে থাকে।
বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট ৫টি রাজ্যের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে, যথা— পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
- ভারতের সেভেন সিস্টার্স বা সাত বোন রাজ্যের মধ্যে মোট ৪টি রাজ্যের (আসাম, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা) সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের মণিপুর, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশ রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো স্থল সীমান্ত নেই।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য অবস্থিত।
- বাংলাদেশের পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও আসাম রাজ্য এবং মায়ানমার অবস্থিত।
- বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
জব সলুশন