দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন কাজকে পর্যায়ক্রম অনুযায়ী সাজাতে হলে কোন কাজটি সর্বপ্রথমে হবে?

ক) পুনর্বাসন
খ) ঝুঁকি (Risk) চিহ্নিতকরণ
গ) দুর্যোগ প্রস্তুতি
ঘ) দুর্যোগ প্রশমন কর্মকাণ্ড
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

- এ জন্য যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগ প্রস্তুতি, দুর্যোগ প্রশমন, পুনর্বাসন ইত্যাদি কার্যক্রম সম্পাদন করতে হয়।

- তাই প্রথম কাজ হবে ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, যাতে সার্বিক অবস্থা অনুধাবন করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ সহজ হয়।

Related Questions

ক) অর্থনৈতিক
খ) সামাজিক
গ) পরিবেশগত
ঘ) অবকাঠামোগত
ক) ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
খ) ধান-প্রধান বাণিজ্যিক
গ) স্বয়ংভোগী মিশ্র
ঘ) স্বয়ংভোগী শষ্য চাষ ও পশুপালন
Note :

ভূগোল ও অর্থনৈতিক শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলাদেশের কৃষি প্রধানত ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী (Intensive Subsistence Rice-dominant Agriculture) প্রকৃতির। এই কৃষিপদ্ধতিতে উৎপাদিত ফসলের বড় অংশ কৃষকের নিজস্ব পরিবারের খোরাক বা চাহিদ মেটানোর জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর মূল আকর্ষণ বা প্রধান উৎপাদিত শস্য হলো ধান। 

ক) পার্শ্ব গ্রাবরেখা
খ) শৈলশিলা
গ) ভি-আকৃতির উপত্যকা
ঘ) ইউ-আকৃতির উপত্যকা
Note :

হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ হলো ইউ-আকৃতির উপত্যকা (U-shaped valley)।যখন বিশাল বরফের স্রোত বা হিমবাহ কোনো পাহادی উপত্যকার ওপর দিয়ে নিচে নামে, তখন এটি এর তলদেশ ও দুই পাশ সমানভাবে ক্ষয় করে উপত্যকাটিকে ইংরেজি 'U' অক্ষরের মতো প্রশস্ত ও গভীর রূপ দেয়।

ক) সাতক্ষিরা, যশোহর, কুষ্টিয়া
খ) নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ
গ) বগুড়া, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম
ঘ) চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ
Note :

বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে বিশেষ করে বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি এই তিনটি পার্বত্য জেলায় 'ঝুম' বা জুম চাষ পদ্ধতি দেখা যায়। এছাড়া চট্টগ্রাম জেলার কিছু পাহাড়ি এলাকাতেও এই ঐতিহ্যবাহী চাষাবাদ হয়ে থাকে।

ক) আসাম
খ) মিজোরাম
গ) ত্রিপুরা
ঘ) নাগাল্যান্ড
Note :

বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট ৫টি রাজ্যের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে, যথা— পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
- ভারতের সেভেন সিস্টার্স বা সাত বোন রাজ্যের মধ্যে মোট ৪টি রাজ্যের (আসাম, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা) সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের মণিপুর, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশ রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো স্থল সীমান্ত নেই।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য অবস্থিত।
- বাংলাদেশের পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও আসাম রাজ্য এবং মায়ানমার অবস্থিত।
- বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।

ক) বন্যা
খ) খরা
গ) ভূমিকম্প
ঘ) ঘূর্ণিঝড়
Note :

পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই প্রধানত  ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। এটি সম্পূর্ণ আকস্মিক ও অপ্রत्याশিতভাবে ঘটে থাকে। 

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন