২০১০ সালে ফুটবলে বিশ্বকাপ বিজয়ী দেশ --
২০১০ সালের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ বিজয়ী দেশ হলো স্পেন [ ফাইনালে তারা নেদারল্যান্ডসকে অতিরিক্ত সময়ের শেষে ১-০ গোলে পরাজিত করে তাদের ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করে [২, ৭]। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত এই আসরের ফাইনালে স্পেনের পক্ষে একমাত্র জয়সূচক গোলটি করেছিলেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা
Related Questions
এম এ মুহিত (জন্ম: ৪ জানুয়ারি, ১৯৭০) ২০১১ সালের ২১ মে,
-দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন।
-এর আগে ২০১০ সালের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মুসা ইব্রাহীম এভারেস্ট জয় করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।
-বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী নারী নিশাত মজুমদার (১৯মে, ২০১২),
-দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী নারী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
৭ জন বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী
১. মুসা ইব্রাহীম
- এভারেস্ট জয়: ২৩ মে ২০১০
- বিশেষ তথ্য: বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্টজয়ী
২. এম এ মুহিত
- এভারেস্ট জয়: ২১ মে ২০১১ এবং ১৯ মে ২০১২
- বিশেষ তথ্য: দু'বার এভারেস্টজয়ী
৩. নিশাত মজুমদার
- এভারেস্ট জয়: ১৯ মে ২০১২
- বিশেষ তথ্য: বাংলাদেশের প্রথম নারী এভারেস্টজয়ী
৪. ওয়াসফিয়া নাজরীন
- এভারেস্ট জয়: ২৬ মে ২০১২
- বিশেষ তথ্য: বাংলাদেশের দ্বিতীয় নারী এভারেস্টজয়ী
৫. মো. খালেদ হোসাইন
- এভারেস্ট জয়: ২০ মে ২০১৩
- বিশেষ তথ্য: তিনি নেমে আসার পথে মৃত্যুবরণ করেন
৬. বাবর আলী
- এভারেস্ট জয়: ১৯ মে ২০২৪
- বিশেষ তথ্য: ষষ্ঠ এভারেস্টজয়ী বাংলাদেশি
৭. ইকরামুল হাসান শরিল
- এভারেস্ট জয়: ১৯ মে ২০২৫
- বিশেষ তথ্য: সবচেয়ে বেশি পথ হেঁটে এভারেস্ট জয় করেন।
মোনাকো হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ।
দেশটির জনসংখ্যার ঘনত্ব(প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাসকারী লোকসংখ্যা) ২৬,৩৩৭ জন।
ইউরোপীয় নগর রাষ্ট্র মোনাকো হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ।
১৮৬১ সালে ভারতীয় পুলিশ আইন পাসের মাধ্যমে লর্ড ক্যানিং ভারত উপমহাদেশে প্রথম পুলিশ ব্যবস্থা চালু করেন । ১৭৯৩ সালে ‘ চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' ব্যবস্থার প্রবর্তক হলেন লর্ড কর্নওয়ালিস । দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত লর্ড ক্লাইভ । ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা রহিত ঘােষণা করার জন্য লর্ড বেন্টিঙ্ক নামটি সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্রশংসিত ।
কম্পিউটারে ডাটা সংরক্ষণের জন্য বাইনারি (Binary) বা দ্বিমিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র দুটি অঙ্ক—০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটার তার মেমরি, হার্ড ড্রাইভ বা প্রসেসরে যাবতীয় তথ্য (টেক্সট, ছবি বা ভিডিও) এই ০ এবং ১-এর ক্রমানুসারেই জমা রাখে।
হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইডকে (Solid \(CO_{2}\)) সাধারণত শুষ্ক বরফ বলা হয়। এটি সাধারণ বরফের মতো গলে তরল হয় না, বরং তাপ পেলে সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়। এর তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকে, প্রায় \(-.{}^{\circ }\) সেলসিয়াস।
খাসিয়া (বা খাসি) বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চেপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে। এক কালে এ উপজাতিরা ছিল যাযাবর।
- তাদের সে স্বভাব সাম্প্রতিক কালেও লক্ষণীয়।
- তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত।
- তবে পার্বত্য খাসিয়াদের বাসভূমি পশ্চিমে গারো পাহাড় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড় থেকে এরা নেমে এসেছিল চেরাপুঞ্জি ও শিলং খাসিয়া অঞ্চলে।
- পাহাড়-টিলা, ঝোপজঙ্গল এদের পছন্দনীয় পরিবেশ।
- কাঠ বা বাঁশের মঞ্চের উপর বারান্দাসহ এরা কুঁড়েঘর বানায়।
- বারান্দাই বৈঠক ঘর হিসেবে ব্যবহূত হয়।
- অধুনা বাঙালিদের মতো গৃহও নির্মাণ করে।
- বসত ঘরের সঙ্গেই রন্ধনশালা এবং সন্নিকটে থাকে পালিত শূকরের খোয়াড়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে। অন্যান্য সম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্ন, স্বীয় সীমানায় ও সাংস্কৃতিক বলয়ে গ্রামগুলি পুঞ্জীভূত।
- জীবিকার তাগিদে দলেবলে স্থান ত্যাগ করে এরা নতুন পুঞ্জি রচনা করে।
জব সলুশন