খাসিয়া গ্রামগুলো কি নামে পরিচিত?
খাসিয়া (বা খাসি) বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চেপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে। এক কালে এ উপজাতিরা ছিল যাযাবর।
- তাদের সে স্বভাব সাম্প্রতিক কালেও লক্ষণীয়।
- তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত।
- তবে পার্বত্য খাসিয়াদের বাসভূমি পশ্চিমে গারো পাহাড় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড় থেকে এরা নেমে এসেছিল চেরাপুঞ্জি ও শিলং খাসিয়া অঞ্চলে।
- পাহাড়-টিলা, ঝোপজঙ্গল এদের পছন্দনীয় পরিবেশ।
- কাঠ বা বাঁশের মঞ্চের উপর বারান্দাসহ এরা কুঁড়েঘর বানায়।
- বারান্দাই বৈঠক ঘর হিসেবে ব্যবহূত হয়।
- অধুনা বাঙালিদের মতো গৃহও নির্মাণ করে।
- বসত ঘরের সঙ্গেই রন্ধনশালা এবং সন্নিকটে থাকে পালিত শূকরের খোয়াড়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে। অন্যান্য সম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্ন, স্বীয় সীমানায় ও সাংস্কৃতিক বলয়ে গ্রামগুলি পুঞ্জীভূত।
- জীবিকার তাগিদে দলেবলে স্থান ত্যাগ করে এরা নতুন পুঞ্জি রচনা করে।
Related Questions
শীলভদ্র বিখ্যাত নালন্দা মহাবিহার-এর আচার্য বা অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি সপ্তম শতকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি বৌদ্ধ পণ্ডিত ও দার্শনিক।
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪,৫৯৯টি। এটি দেশের গ্রামীণ অঞ্চলের সর্বনিম্ন ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান।
কার্বন (Carbon) একটি মৌলিক অধাতু। এর পারমাণবিক সংখ্যা ৬ এবং রাসায়নিক প্রতীক \(C\)। কার্বনের বিভিন্ন রূপভেদ রয়েছে, যার মধ্যে হীরা এবং গ্রাফাইট অন্যতম
প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তর্গত বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
-বান্দরবান থেকে কেরাণীহাট যাবার পথে হলুদিয়া নামক স্থানে এর অবস্থান।
-কেরাণীহাট থেকে ২০ মিনিট গাড়ি চালালে এ হ্রদে পৌঁছানো সম্ভব।
-জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৪ কিলোমিটার।
দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীর ক্ষুদ্রতম তরঙ্গদৈর্ঘ্য হলো বেগুনি (Violet) রঙের আলোর। এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত প্রায় ৩৮০ থেকে ৪২০ ন্যানোমিটারের মধ্যে হয়ে থাকে।
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ–এর দীক্ষাগুরু ছিলেন আচার্য শিলভদ্র। তিনি নালন্দা বিহারের বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও প্রখ্যাত বৌদ্ধ পণ্ডিত ছিলেন।
জব সলুশন