ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো–
ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ।
এক্ষেত্রে সাধারণত কোবাল্ট - ৬০ আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। তাই এটা অনেক দূর থেকেও দেখা যায়।
জীব জগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলো গাম রশ্মি । গামা রশ্মির বেদন ক্ষমতা, অন্য তেজস্ক্রিয় রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি। গামা রশ্মি প্রায় কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত সীসা ভেদ করতে পারে। আলট্রাভায়োলেট অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে, যা তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে কম ক্ষতিকর।
টেলিফোন লাইনের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় শব্দ শক্তি তড়িৎ শক্তিকে রুপান্তরিত হয়। এই তড়িৎ শক্তি আবার শব্দ শক্তি তে রুপান্তরিত হয়ে শ্রোতার কানে পৌঁচায়।
ডিজেল জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই অক্সাইড বাতাসে আসে ।
ডিজেল বা গ্যাস অয়েলের কার্বন শিকলের দৈর্ঘ্য C13 থেকে C18 পর্যন্ত । ডিজেল পেট্রোল সালফার ডাই - অক্সাইড তৈরি হয় । অন্যদিকে পেট্রোল, অকটেন ও সিএনজিকে জ্বালানি রূপে পোড়ালে কার্বন ডাই - অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয় । এদের কার্বন শিকলের দৈর্ঘ্য হলো, পেট্রোল = C5 থেকে C12' অকটেন = C8 এবং সিএনজি (Compressed Natural Gases) = C1' যা ডিজেলের তুলনায় ছোট শিকল ।
জীববিজ্ঞানের যে শাখায় বংশগতির রীতিনীতি অর্থাৎ বংশানুক্রমিক গুণাবলির উৎপত্তি , প্রকৃতি, বৃদ্ধির সময় ও আচরণ সম্পর্কে আলোচিত হয়, সে শাখাকে বংশগতিবিদ্যা বা জীনতত্ত্ব (জেনেটিক্স) বলে ইভোলিইশন অর্থ অভিব্যক্তি বা বিবর্তন। এ শাখায় বিভিন্ন প্রাণীর উৎপত্তি , ধারাবাহিক পরিবর্তন ও বিকাশ সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়।
ভাইরাস ঘটিত রোগ: জন্ডিস, গুটি বসন্ত, হাম, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু,পোলিও,এইডস,জলাতঙ্ক, নিপাহ, ইবোলা,ডেঙ্গু করোনা। -ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ: নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়া, টাইফয়েড, যক্ষ্মা, গনোরিয়া, কলেরা, রক্ত আমাশয় ও প্লেগ।
জব সলুশন