মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়–
টেলিফোন লাইনের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় শব্দ শক্তি তড়িৎ শক্তিকে রুপান্তরিত হয়। এই তড়িৎ শক্তি আবার শব্দ শক্তি তে রুপান্তরিত হয়ে শ্রোতার কানে পৌঁচায়।
Related Questions
ডিজেল জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই অক্সাইড বাতাসে আসে ।
ডিজেল বা গ্যাস অয়েলের কার্বন শিকলের দৈর্ঘ্য C13 থেকে C18 পর্যন্ত । ডিজেল পেট্রোল সালফার ডাই - অক্সাইড তৈরি হয় । অন্যদিকে পেট্রোল, অকটেন ও সিএনজিকে জ্বালানি রূপে পোড়ালে কার্বন ডাই - অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয় । এদের কার্বন শিকলের দৈর্ঘ্য হলো, পেট্রোল = C5 থেকে C12' অকটেন = C8 এবং সিএনজি (Compressed Natural Gases) = C1' যা ডিজেলের তুলনায় ছোট শিকল ।
জীববিজ্ঞানের যে শাখায় বংশগতির রীতিনীতি অর্থাৎ বংশানুক্রমিক গুণাবলির উৎপত্তি , প্রকৃতি, বৃদ্ধির সময় ও আচরণ সম্পর্কে আলোচিত হয়, সে শাখাকে বংশগতিবিদ্যা বা জীনতত্ত্ব (জেনেটিক্স) বলে ইভোলিইশন অর্থ অভিব্যক্তি বা বিবর্তন। এ শাখায় বিভিন্ন প্রাণীর উৎপত্তি , ধারাবাহিক পরিবর্তন ও বিকাশ সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়।
ভাইরাস ঘটিত রোগ: জন্ডিস, গুটি বসন্ত, হাম, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু,পোলিও,এইডস,জলাতঙ্ক, নিপাহ, ইবোলা,ডেঙ্গু করোনা। -ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ: নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়া, টাইফয়েড, যক্ষ্মা, গনোরিয়া, কলেরা, রক্ত আমাশয় ও প্লেগ।
মস্তিষ্ক হলো স্নায়ুতন্ত্রের অঙ্গ । স্নায়ুতন্ত্রের একক হলো নিউরন । অন্যদিকে রেচনতন্ত্রের সাহায্যে রেচন কাজ সম্পন্ন হয় । পরিপাকতন্ত্রের সাহায্যে পরিপাক ক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং শ্বাসতন্ত্রের সাহায্যে শ্বাস - প্রশ্বাসের কাজ সম্পন্ন হয় । স্নায়ুতন্ত্র আমাদের শরীরের প্রধান নিয়ন্ত্রক। এদের মধ্যে মস্তিষ্ক এবংস্পাইনাল কর্ড মিলিয়ে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র (central nervous system CNS) এবং এর বাইরে সারা শরীরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নার্ভ গুলো নিয়ে হল পেরিফেরাল নার্ভাস সিস্টেম(peripheral Nervous system)।
ডায়নামো এমন একটি যন্ত্র যা যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। অন্যদিকে বৈদ্যুতিক মটর, বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- ট্রান্সফরমার হলো রূপান্তরক, যা উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করে।
রক্তের লোহিত কণিকা তার আয়ু শেষে প্লীহায় জমা হতে থাকে।
- প্লীহায় উপস্থিত ম্যাক্রোফেজ মেয়াদোত্তীর্ণ লোহিত রক্তকণিকাকে ভক্ষণ করে।
- যার ফলে হিমোগ্লোবিন লোহিত রক্তকণিকা থেকে বাইরে বের হয়ে আসে এবং বিলিরুবিন নামক রঞ্জক পদার্থে রূপান্তরিত হয়।
- এই রঞ্জক পদার্থ যকৃতে যেয়ে আরো রূপান্তরিত হয়ে বিলিরুবিন হয় এবং পিত্তরস এর মাধ্যমে দেহ থেকে নিষ্ক্রান্ত হয়।
- যকৃতের ডানদিকের অংশে পেয়ালার মতো পিত্তরস ধারণকারী একটি থলে থাকে, একে পিত্তথলি বলে।
- পিত্তথলি ৭-৮ সে.মি. লম্বা। পিত্তথলি থেকে পিত্ত ডিওডেনামে উন্মুক্ত হয়। পিত্তরস স্নেহ জাতীয় খাবার পরিপাক করে থাকে।
জব সলুশন