মানুষের রক্তে লোহিত কণিকা কোথায় সঞ্চিত থাকে?
রক্তের লোহিত কণিকা তার আয়ু শেষে প্লীহায় জমা হতে থাকে।
- প্লীহায় উপস্থিত ম্যাক্রোফেজ মেয়াদোত্তীর্ণ লোহিত রক্তকণিকাকে ভক্ষণ করে।
- যার ফলে হিমোগ্লোবিন লোহিত রক্তকণিকা থেকে বাইরে বের হয়ে আসে এবং বিলিরুবিন নামক রঞ্জক পদার্থে রূপান্তরিত হয়।
- এই রঞ্জক পদার্থ যকৃতে যেয়ে আরো রূপান্তরিত হয়ে বিলিরুবিন হয় এবং পিত্তরস এর মাধ্যমে দেহ থেকে নিষ্ক্রান্ত হয়।
- যকৃতের ডানদিকের অংশে পেয়ালার মতো পিত্তরস ধারণকারী একটি থলে থাকে, একে পিত্তথলি বলে।
- পিত্তথলি ৭-৮ সে.মি. লম্বা। পিত্তথলি থেকে পিত্ত ডিওডেনামে উন্মুক্ত হয়। পিত্তরস স্নেহ জাতীয় খাবার পরিপাক করে থাকে।
Related Questions
বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানের তালিকা উপাদানের নাম শতকরা হার
নাইট্রোজেন (N2) ৭৮.০২
অক্সিজেন (O2) ২০.৭১
আরগন (Ar) ০.৮০
কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) ০.০৩
অন্য গ্যাসসমূহ (নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, ওজোন, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড) ০.০২
জলীয়বাষ্প ০.৪১
ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১
– মোট ১০০.০০
-অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত 'অগ্ন্যাশয় রস' হলো ট্রিপসিন। এটি প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাককারী এনজাইম।
-অন্যদিকে টায়ালিন ও অ্যামাইলেজ হলো লিপিড বা স্নেহ জাতীয় খাদ্য পরিপাককারী এনজাইম ।
শিশুর মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণের জন্য স্বীকৃতি, স্নেহ এবং সাফল্য—এই তিনটিই অত্যন্ত জরুরি। স্বীকৃতি শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, স্নেহ তাদের মানসিক নিরাপত্তা ও ভালোবাসা দেয়, এবং সাফল্য তাদের নতুন কিছু শেখার ও এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা যোগায়। সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য এই সবগুলোর সমন্বয় প্রয়োজন।
যেসব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের প্যাথজেনিক (Pathogenic) বা প্যাথোজেন বলা হয়। রোগ সৃষ্টিকারী প্রধান অণুজীবগুলোর মধ্যে রয়েছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক।
সুনামি বিভিন্ন কারণে সৃষ্টি হতে পারে। কারণগুলোর মধ্যে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত, ভূমিধ্বস অন্যতম। তন্মধ্যে দুটি কারণ উল্লেখযোগ্য:
সমুদ্রসমতলের ২০ - ৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প সংঘটন;
টেকটনিক প্লেটের আকস্মিক উত্থান - পতন
সমুদ্রসমতলের ২০ - ৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প হলে তা সমুদ্র তলদেশের মাটিকে যেমন নাড়িয়ে দেয়, তেমনি খুব স্বাভাবিকভাবেই তার সাথে সম্পর্কিত জলকে নাড়িয়ে দেয়। ভূমির কম্পন যখন জলে সঞ্চালিত হয়, তখন তার ফলে সুনামির উৎপত্তি হতে পারে। এছাড়াও সাধারণত কার্বন চক্রের প্রভাবে ভূ - অভ্যন্তরে টেকটনিক প্লেটের নড়াচড়া হতে থাকে। এভাবে কখনও কোনো একটি প্লেট অপর প্লেটের দিকে অনবরত ধাক্কা দিতে থাকলে একসময় একটি আরেকটির উপরে উঠে যায়। তখন ঐ স্থানের ভূত্বক আচমকা উঁচু হয়ে যায়, এমনকি এভাবে ছোট টিলা থেকে পাহাড় সমান পর্যন্ত হঠাৎ ভূত্বক উঁচু হয়ে যেতে পারে। সমুদ্র, নদী, জলাশয় কিংবা অন্য কোনো বৃহৎ জলক্ষেত্রের নিচের ভূত্বক এভাবে ফুলে উঠলে তখন ঐ জলক্ষেত্রের পানিও হঠাৎ ফুলে উঠে সুনামির সৃষ্টি হয়।
বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, নদীভাঙন, শৈত্যপ্রবাহ, বজ্রপাত ইত্যাদি দুর্যোগ প্রতি বছরই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।
এজন্য বাংলাদেশের জাতীয় নীতি, পরিকল্পনা, এবং বিভিন্ন কর্মসুচি প্রণয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় রয়েছে-
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২,
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫,
• দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি ২০১৯,
• জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০২১-২৫,
• জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা- বদ্বীপ পরিকল্পনা - ২১০০।
জব সলুশন