কোনটি উপন্যাস নয়?
কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক জীবনানন্দ দাশ রচিত ‘কবিতার কথা’ একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ। এই গ্রন্থটি শুরু হয়েছে একটি বিখ্যাত উক্তি দিয়ে- “সকলেই কবি নয়। কেউ কেউ কবি।”
- ‘দিবারাত্রির কাব্য’, ‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’ ও ‘পথের পাঁচালী’ যথাক্রমে বাংলা উপন্যাসের তিন বন্দ্যোপাধ্যায়- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।
Related Questions
নীর চৌধুরীর অনুবাদিত নাটক:
(1) কেউ কিছু বলতে পারে না (১৯৬৯); জর্জ বার্নার্ড শ-র You never can tell-এর বাংলা অনুবাদ।
(2) রূপার কৌটা (১৯৬৯); জন গলজ্ওয়র্দি-র The Silver Box-এর বাংলা অনুবাদ।
(3) মুখরা রমণী বশীকরণ (১৯৭০); উইলিয়াম শেক্স্পিয়ারের Taming of the Shrew-এর বাংলা অনুবাদ।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে ধর্মপ্রচারক শ্রীচৈতন্যদেব-এর প্রভাব অপরিসীম। তিনি নিজে কোনো সাহিত্য রচনা না করলেও তাঁর জীবন ও দর্শনকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে একটি সম্পূর্ণ যুগ ('চৈতন্য যুগ') এবং বিশাল বৈষ্ণব পদাবলী ও জীবনী সাহিত্য সৃষ্টি হয়েছে।
* জসীমউদ্দিনের নাটক "বেদের মেয়ে" ।
* তার রচিত আরও নাটক হল - পদ্মপাড় , মধুমালা , পল্লীবধূ , গ্রামের মেয়ে ।
* রাখালী , মাটির কান্না তার কাব্যগ্রন্থ ।
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে রচিত সার্থক ও মঞ্চসফল কাব্যনাট্য । সৈয়দ শামসুল হক রচিত এ নাটকের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিককার ঘটনাবলি । তার রচিত উল্লেখ্যযোগ্য নাটকঃ - গণনায়ক, - নুরলদীনের সারা জীবন।
সবুজপত্র পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় , ১৯১৪ সালে । (বাংলা ১৩২১ বঙ্গাব্দ)। এটি প্রমথ চৌধুরী দ্বারা সম্পাদিত একটি বাংলা মাসিক পত্রিকা ছিল।
'ছায়ানট' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। চক্রবাক কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 'রুদ্রমঙ্গল' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। | 'বালুচর' জসীমউদ্দীন রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
জব সলুশন