চন্দ্রে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের —
ভূ- পৃষ্ঠের কোন উঁচু স্থান থেকে একটি বস্তুকে ছেড়ে দিলে দেখা যায় যে , এটি যতই নিকটবর্তী হয় ততই এর বেগ বৃদ্ধি পায় ।অর্থাৎ অভিকর্ষ বলের ক্রিয়ার ফলে পড়ন্ত বস্তুর বেগের পরিবর্তন হয়।
- অভিকর্ষ বলের ক্রিয়ার ফলে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বলে।
- একে g দ্বারা প্রকাশ করা হয় ।
ভূপৃষ্ঠে g এর মান শূন্য ।
- চন্দ্রপৃষ্ঠে g এর মান ভূ- পৃষ্ঠে এর মানের ছয় ভাগের এক ভাগ
Related Questions
স্টের সংশ্লিষ্টতা নেই সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে ।
- ইস্ট সাধারণত ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়, যা বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষ করে মধ্য শিল্পে এবং কুটি শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি অ্যালকোহল এবং অন্যান্য পণ্য উৎপাদনে সহায়তা করে।
- এককোষীয় প্রোটিন ভাঙতে ইস্টের ব্যবহার হতে পারে, কারণ এটি প্রোটিনের ভাঙনে সহায়তা করে।
- তবে সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য মাইক্রোঅর্গানিজম ব্যবহৃত হয়, যা সাইট্রিক এসিডের প্রাকৃতিক উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বেশি কার্যকর।
- তাই সঠিক উত্তর হলো সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে।
আকাশে রংধনু সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরণ। সূর্যের আলো যখন বাতাসে ভেসে থাকা ক্ষুদ্র বৃষ্টির কণার ভেতর দিয়ে যায়, তখন এই তিনটি ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশের জনগণের জীবিকা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি (Sea level rise)। এটি উপকূলীয় অঞ্চলের স্থায়ী ক্ষতি ও পরিবেশগত পরিবর্তনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে মানুষের পেশা ও জীবনযাত্রায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।
পুনর্বাসন পর্যায়ে. দুর্যোগের ক্ষতি মূল্যায়ন করা হয়। এই পর্যায়ে সম্পদ, পরিবেশ এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা হয়।
ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ২০১৬ সালে পুনর্গঠিত হয়ে ভারতের গুজরাটের গান্ধীনগরে স্থানান্তরিত হয়।
Hazard বা আপদ বলতে বোঝায় কোনো আকস্মিক ও চরম প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট ঘটনা । এ ঘটনা জীবন , সম্পদ ইত্যাদির উপর আঘাত হানে । এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পরিবেশগত । বায়ু দূষণের ফলে বিশ্বময় উষ্ণায়নের সৃষ্টি হয়েছে । মানুষের প্রায় প্রত্যেকটি অঙ্গতন্ত্রে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে । ক্যান্সার , নিউমোনিয়া , জন্ডিসসহ নানা রোগ পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ।
জব সলুশন