ভারতের সেভেন সিস্টার্স এর অন্তভূর্ক্ত নয়?
ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে একত্রে সেভেন সিস্টার্স (Seven Sisters) বলা হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মনিপুর, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ ও নাগাল্যান্ড।
- অপশনগুলোর মধ্যে কেরালা ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের একটি রাজ্য, তাই এটি সেভেন সিস্টার্স-এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
- উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্য রয়েছে ৪টি (আসাম, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা)।
Related Questions
রাজীব গান্ধী ছিলেন ভারতের ৭ম প্রধানমন্ত্রী তিনি 'বোফর্স কেলেঙ্কারি' সাথে জড়িত ছিলনে।
- ভারতের জন্য অস্ত্র ক্রয়ে সুইডেনের অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোফর্স হতে ঘুষ নিয়েছিলেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যা ইতিহাসে বোফর্স কেলেঙ্কারি নামে পরিচিত।
- ভারত ১৯৮৬ সালে বোফোর্স অস্ত্র চুক্তির আওতায় অবৈধভাবে ইতালির ব্যবসায়ী ওত্তাভিয়ো কুয়াত্রোচিসহ ভারতীয় অস্ত্র ব্যবসায়ী উইন চাধাকে ৪১ কোটি রুপি (৯০ লাখ মার্কিন ডলার) অবৈধ কমিশন দেয়
লাল শার্ট ও হলুদ শার্ট সমর্থকরা রাজনৈতিক আন্দোলন করেছে থাইল্যান্ডে। এই আন্দোলন দেশটির রাজধানী ব্যাংকক সহ বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক দল ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘটিত হয়েছে।
দক্ষিণ আমেরিকার পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় ১৫ শতকে যে সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো তা ইনকা সভ্যতা নামে পরিচিত।
- ইনকা শব্দের অর্থ ‘সূর্যের সন্তান’।
- এখানকার সম্রাটগণ তাদের বসবাসের জন্য মাচুপিচু তৈরি করেন।
- এটিকে সবচেয়ে আধুনিক সভ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ সভ্যতার ব্যাপ্তিকাল ছিল প্রায় ১৪৩৮ থেকে ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
সিন্ধু সভ্যতা প্রধানত একটি তাম্র-প্রস্তর যুগের (ব্রোঞ্জ যুগীয়) সভ্যতা। খ্রিস্টপূর্ব ৩৩০০ থেকে ১৩০০ অব্দের মধ্যে (বিশেষ করে ২৬০০ থেকে ১৯০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে এই উন্নত নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল। ব্রোঞ্জ বা তামার তৈরি হাতিয়ার এবং বাসনপত্র ব্যবহারের কারণে এটি এই যুগের সভ্যতা হিসেবে পরিচিত।
মেসোপটেমীয়া সভ্যতাঃ
» পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা – মেসোপটেমীর সভ্যতা।
» ‘মেসোপটেমিয়া’ অর্থ— দু'নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল ।
» মেসোপটেমিয়া বর্তমান সময়ের যে অঞ্চল – ইরাক ও সিরিয়া।
» মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠে ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস (দজলা ও ফোরাত) নদীর তীরে।
» মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর্যায় ছিল – ৪টি (সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাশিরীয় ও ক্যালডীয় সভ্যতা)।
সিন্ধু সভ্যতা গড়ে উঠে পাকিস্তানের মহেঞ্জোদারো(বর্তমান পাকিস্তানে লারকান জেলায়) ও হরপ্পাতে (পাঞ্জাবে মন্টেগোমারি)।
- এর নিদর্শন পাওয়া যায় পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থা।
- এই সভ্যতা গড়ে তুলছিল দ্রাবিড় জাতি।
- এই সভ্যতার বড় অবদা পরিমাপ পদ্ধতি উদ্ভাবন
- ১৯২১ সালে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের হরপ্পায় প্রথম সিন্ধু সভ্যতার সন্ধান মেলে।
- পরবর্তীতে ১৯২২ সালে সিন্ধুর মহেঞ্জোদারো শহরে খননকার্যের মাধ্যমে সিন্ধু সভ্যতার নির্দশন উন্মোচিত হয়।
- বাটাখারা ব্যাবহার শুরু হয় এই সভ্যতায়।
- ভারতীয় সভ্যতাটি 'সিন্ধু সভ্যতা' নামে পরিচিত, এটি সিন্ধু নদের তীরে গড়ে উঠেছিল।
জব সলুশন