”মহেঞ্জোদারো” কোন সভ্যতার অংশ?

ক) মিসর
খ) সিন্ধু
গ) রোমান
ঘ) মেসোপটেমিয়া
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

সিন্ধু সভ্যতা গড়ে উঠে পাকিস্তানের মহেঞ্জোদারো(বর্তমান পাকিস্তানে লারকান জেলায়) ও হরপ্পাতে (পাঞ্জাবে মন্টেগোমারি)।
 - এর নিদর্শন পাওয়া যায় পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থা।
 - এই সভ্যতা গড়ে তুলছিল দ্রাবিড় জাতি।
 - এই সভ্যতার বড় অবদা পরিমাপ পদ্ধতি উদ্ভাবন
 - ১৯২১ সালে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের হরপ্পায় প্রথম সিন্ধু সভ্যতার সন্ধান মেলে।

 - পরবর্তীতে ১৯২২ সালে সিন্ধুর মহেঞ্জোদারো শহরে খননকার্যের মাধ্যমে সিন্ধু সভ্যতার নির্দশন উন্মোচিত হয়।
 - বাটাখারা ব্যাবহার শুরু হয় এই সভ্যতায়।
 - ভারতীয় সভ্যতাটি 'সিন্ধু সভ্যতা' নামে পরিচিত, এটি সিন্ধু নদের তীরে গড়ে উঠেছিল।

Related Questions

ক) জর্ডান
খ) ইরান
গ) ইরাক
ঘ) সিরিয়া
Note :

বিশ্বের প্রাচীনতম মেসোপটেমিয়া সভ্যতা বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের ইরাক এবং আংশিকভাবে সিরিয়া ও তুরস্ক অঞ্চলে—টাইগ্রিস (দজলা) ও ইউফ্রেটিস (ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর ভূমিতে গড়ে উঠেছিল। গ্রিক ভাষায় ‘মেসোপটেমিয়া’ শব্দটির অর্থ ‘দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি’। এই উর্বর নদীবিধৌত অঞ্চলে প্রায় ৫০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে কৃষিকেন্দ্রিক বসতি স্থাপনের মাধ্যমে সভ্যতার সূচনা ঘটেছিল।

ক) হোয়াংহো নদীর তীরে
খ) ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে
গ) নীল নদের তীরে
ঘ) টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে
Note :

মেসোপটেমিয়া সভ্যতা বর্তমান ইরাক ও তার আশপাশের অঞ্চলে টাইগ্রিস (দজলা) ও ইউফ্রেটিস (ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর উপত্যকায় গড়ে উঠেছিল। গ্রিক ভাষায় মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ হলো 'দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি'। 

ক) একটি নদী
খ) একটি সাগর
গ) একটি হ্রদ
ঘ) মৃত সাগর
Note :

ডেড সী' বা মৃত সাগর হলো মধ্যপ্রাচ্যের একটি অতি লবণাক্ত হ্রদ, যা জর্ডান, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন দ্বারা বেষ্টিত। এটি সাধারণ পানির চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি লবণাক্ত হওয়ায় এবং এর পানিতে কোনো মাছ বা গাছপালা বাঁচতে না পারায় একে মৃত সাগর বলা হয়।

ক) সাইবেরিয়া
খ) পানামা
গ) ডেনমার্ক
ঘ) সুইজারল্যান্ড
Note :

বৈকাল হ্রদটি রাশিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব সাইবেরিয়ায় অবস্থিত। এটি ইর্কুৎস্ক অঞ্চল (Irkutsk Oblast) এবং বুরিয়াতিয়া প্রজাতন্ত্রের (Buryatia) মাঝখানে ছড়িয়ে রয়েছে। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ও প্রাচীন স্বাদুপানির হ্রদ। 

ক) চিকনাগুল
খ) তাজিং ডং
গ) জয়ন্তিয়া
ঘ) কেওকারাডং
Note :

সরকারিভাবে তাজিং ডং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিসেবে স্বীকৃত, যার অপর নাম বিজয়। এটি বান্দরবান জেলার রুমা ও থানচি উপজেলায় অবস্থিত। তবে ভূগোবিদ ও গবেষকদের মতে প্রকৃত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো সাকা হাফং।

ক) পাকিস্তান
খ) ভুটান
গ) নেপাল
ঘ) ভারত
Note :

ধবলগিরি পর্বত পৃথিবীর সপ্তম উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ, যার উচ্চতা ৮,১৬৭ মিটার (২৬,৭৯৫ ফুট)।
- এটি নেপালে অবস্থিত এবং হিমালয় পর্বতমালার অংশ।
- "ধবলগিরি" শব্দের অর্থ হলো "শ্বেত পর্বত," যা এর তুষারাবৃত চূড়ার কারণে নামকরণ করা হয়েছে।
- ১৯৬০ সালে একদল ইউরোপীয় অভিযাত্রী প্রথমবারের মতো ধবলগিরি শৃঙ্গে আরোহণ করেন।
- এটি নেপালের অন্যতম বিখ্যাত পর্বতশৃঙ্গ এবং পর্বতারোহীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন