সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থ কোনটি?

ক) রহু চন্ডালের হাড়
খ) কৈবর্ত খন্ড
গ) ফুল বউ
ঘ) অলীক মানুষ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

হলো বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি লেখক সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ-এর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও মহাকাব্যিক উপন্যাস। এই উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৯৪ সালে ভারতের মর্যাদাপূর্ণ সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। 

Related Questions

ক) পলাশীর যুদ্ধ
খ) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
গ) ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ
ঘ) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
Note :

কবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ কাব্যের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল ১৭৬১ সালে সংঘটিত তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ। এই মহাকাব্যে মারাঠা ও আহমদ শাহ আবদালির মধ্যে হওয়া সেই ভয়াবহ যুদ্ধের ধ্বংসলীলা তুলে ধরা হয়েছে।

ক) বিস্ময় দ্বারা আপন্ন
খ) বিস্ময়ে আপন্ন
গ) বিস্ময়কে আপন্ন
ঘ) বিস্ময়ে যে আপন্ন
Note :

“বিস্ময়াপন্ন” সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো বিস্ময়কে আপন্ন। এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস

ক) যৌগিক স্বরধ্বনি
খ) তালব্য স্বরধ্বনি
গ) মিলিত স্বরধ্বনি
ঘ) কোনটি নয়
Note :

গঠনের বিচারে  স্বরধ্বনি তিন প্রকার । যথা : ক. আনুনাসিক স্বরধ্বনি , খ. মৌলিক  স্বরধ্বনি ও গ. দ্বিস্বরধ্বনি বা যৌগিক স্বরধ্বনি। পাশাপাশি অবস্থিত দুটি স্বরধ্বনির দ্রুত উচ্চারণের ফলে একটি যুক্ত স্বরধ্বনি বলে। একে সন্ধিস্বর বা দ্বিস্বরধ্বনিও বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় 'ঐ' এবং 'ঔ' -  এ দুটি যৌগিক স্বরধ্বনি।

ক) সমার্থক দ্বন্দ্ব
খ) বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব
গ) অলুক দ্বন্দ্ব
ঘ) একশেষ দ্বন্দ্ব
Note :

জলে-স্থলে শব্দটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাস-এর একটি উদাহরণ। এর ব্যাসবাক্য হলো: জলে ও স্থলে

অলুক দ্বন্দ্ব সমাস: যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি সমস্তপদে অক্ষুণ্ন থাকে অর্থাৎ লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। এখানে 'জলে' এবং 'স্থলে' উভয় পদের 'এ' বিভক্তি সমস্তপদেও বজায় রয়েছে।

অলুক দ্বন্দ্বের আরও কয়েকটি উদাহরণ:
দেশে-বিদেশে, হাতে-কলমে, দুধে-ভাতে, কোলে-পিঠে ইত্যাদি।

অন্যান্য দ্বন্দ্ব সমাস:
- সমার্থক দ্বন্দ্ব: সম অর্থপূর্ণ দুটি পদের মিলন। যেমন: কাজ-কর্ম, হাট-বাজার।
- বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব: বিপরীত অর্থপূর্ণ দুটি পদের মিলন। যেমন: লাভ-লোকসান, আয়-ব্যয়।

ক) বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
খ) আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
গ) ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা
ঘ) ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব
Note :

মুহম্মদ আবদুল হাই শিষ্ট কথ্য বাংলা ভাষার ধ্বনি এবং ধ্বনিতত্ত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণে ব্রতী হন এবং তাঁর গবেষণালব্ধ ফল ‘ধ্বনি বিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব’ (১৯৬৫) নামক গ্রন্থে প্রকাশ করেন।
- মুহম্মদ আবদুল হাই-এর এই গ্রন্থটি অধ্যাবধি বাংলা ভাষায় রচিত বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব পর্যালোচনার সর্বাধিক গভীর বিশ্লেষণমূলক গ্রন্থ।
- আবদুল হাই এ গ্রন্থে বাংলা স্বরধ্বনির সংখ্যা, দ্বিস্বর এবং অর্ধস্বরের গঠন, ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলোর ধ্বনিতাত্ত্বিক পরিচয়, বাক্প্রবাহে ধ্বনির রূপ, সন্ধি ও সামগ্রিকীভবন, ধ্বনিগুণ এবং স্বরতরঙ্গ বিষয়ে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করেছেন।

ক) শোককবিতা
খ) পত্রকাব্য
গ) খন্ড কবিতা
ঘ) কোরাসগান
Note :

Ode - এর আভিধানিক বা গাথাকবিতা । অনেকে Ode - কে স্ত্রোত্র কবিতা বা স্তুতি বা গুণকীর্তন জাতীয় কবিতা বলেছেন। গ্রিক Ode এক বা একাধিক কণ্ঠে গাওয়ার জন্য কোরাস ও নৃত্যের লয় অনুসরণ করে রচনা করা হতো যেহেতু এটি কোরাস করে গাওয়া হতো তাই (ঘ) সঠিক Elegy অর্থ শোককবিতা।

জব সলুশন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন