Ode কী?

ক) শোককবিতা
খ) পত্রকাব্য
গ) খন্ড কবিতা
ঘ) কোরাসগান
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

Ode - এর আভিধানিক বা গাথাকবিতা । অনেকে Ode - কে স্ত্রোত্র কবিতা বা স্তুতি বা গুণকীর্তন জাতীয় কবিতা বলেছেন। গ্রিক Ode এক বা একাধিক কণ্ঠে গাওয়ার জন্য কোরাস ও নৃত্যের লয় অনুসরণ করে রচনা করা হতো যেহেতু এটি কোরাস করে গাওয়া হতো তাই (ঘ) সঠিক Elegy অর্থ শোককবিতা।

Related Questions

ক) আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
খ) তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্তি হলাম।
গ) তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।
ঘ) সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যায় না।
Note :

"তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।" বাক্যটি শুদ্ধ।  বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'আশ্চর্যান্বিত' শব্দটি যথাযথ এবং নির্ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।

 

ক) সেন্টিমিটার
খ) ডেসিমিটার
গ) হেকটোমিটার
ঘ) কিলোমিটার
ক) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
খ) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
গ) প্রমথ চৌধুরী
ঘ) কাজী আব্দুল ওদুদ
Note :

মোতাহের হোসেন চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'সংস্কৃতি কথা' (১৯৫৮)।
- তিনি এ গ্রন্থে সংস্কৃতি সম্পর্কে ধর্মনিরপেক্ষ ও মানববাদী সংজ্ঞার্থ প্রদান করেছেন এবং সুন্দরভাবে বাঁচার মধ্যে মহত্তম জীবনের সন্ধান করেছেন।
- এ গ্রন্থের বিখ্যাত উক্তি- 'ধর্ম সাধারণ লোকের কালচার, আর কালচার শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম।'

তাঁর রচিত অন্যান্য প্রবন্ধ:
- 'সভ্যতা' (১৯৬৫) 
- 'সুখ' (১৯৬৮)।

ক) অপনোদন অর্থে
খ) পূজা অর্থে
গ) বিলানো অর্থে
ঘ) উপহার অর্থে
Note :

'নিছনি শব্দের আভিধানিক অর্থ রুপ , লাবণ্য, উপহার, বেশিবিন্যাস , অর্ঘ্য, নিবেদন ইত্যাদি রবীন্দ্রনাথের এ গানে চরণতলে 'নিছনি ' শব্দটি অর্ঘ্য অর্থাৎ পূজা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

ক) ১৯৯৫
খ) ১৯৯৪
গ) ১৯৯৩
ঘ) ১৯৯২
Note :

বাবরি মসজিদ ১৯৯২ সালে ভাঙ্গা হয় ।

বাবরি মসজিদ ভারতের উত্তর প্রদেশের, ফৈজাবাদ জেলার অযোধ্যা শহরের রামকোট হিলের উপর অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ ছিল। বিশ্বাস করা হয়, এ বাবরি মসজিদ যে স্থানে অবস্থিত ছিল সেটাই ছিল হিন্দু ধর্মের অবতার রামের জন্মস্থান। এই বিষয়টি নিয়ে আঠারো শতক থেকেই হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিতর্ক চলে আসছে, যা অযোদ্ধা বিবাদ নামে পরিচিত। মসজিদের অভিলিখন থেকে জানা যায়, মুঘল সম্রাট বাবরের আদেশে সেনাপতি মীর বাকি ১৫২৮–২৯ সাল - এ মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বিশ্ব হিন্দু পরিশদ এবং তাদের সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা এই মসজিদ আক্রমণ করে এবং গুড়িয়ে দেয়। যার ফলে পুরো ভারত জুড়েই দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। এই দাঙ্গা পুরো ভারতজুড়ে প্রায় ২০০০ মানুষ মারা যায়, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন মুসলিম।

ক) বুদ্ধদেব বসু
খ) দীনেশরঞ্জন দাশ
গ) সজনীকান্ত দাস
ঘ) প্রেমেন্দ্র মিত্র
Note :

১৯২৩ সারে প্রবর্তিত কল্লোল পত্রিকার কর্ণধার ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ ও গোকুলচন্দ্র নাগ। কল্লোল পত্রিকার আবহে দ্রুত অনুপ্রাণিত হয় প্রগতি, উত্তরা, কালিকলম, পূর্বাশা ইত্যাদি পত্রপত্রিকা।

-বুদ্ধদেব বসু — «প্রগতি»
-সজনীকান্ত দাস — «শনিবারের চিঠি»
-প্রেমেন্দ্র মিত্র — «কালিকলম»

জব সলুশন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন