মূল্যবোধ পরীক্ষা করে–
মূল্যবোধের অন্যতম উপাদান নীতি ও ঔচিত্যবোধের বিকাশ ভূমি বলা হয় সমাজকে । সমাজে কারো ক্ষতি না করা, কারো মনে কষ্ট না দেয়া, কটুক্তি না করা প্রভৃতি হলো নীতি ও ঔচিত্যবোধ । নীতি ও ঔচিত্যবোধের অনুমোদন ব্যক্তি তার নিজের কাছ থেকেই পেয়ে থাকে । এর ফলে সে ন্যায় ও অন্যায়, ভালো ও মন্দ, নৈতিকতা ও অনৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য করতে পারে ।
Related Questions
বুর্জোয়া ন্যায়তত্ত্ব উপযোগবাদ বা Utilitarianism তত্ত্বের প্রবক্তা যুক্তরাজ্যের অধিবাসী জেরেমি বেস্থাম (১৭৪৮-১৮৩২) ছিলেন একাধারে দার্শনিক, বিচারক এবং সমাজ সংস্কারক ।
পৃথিবীতে সর্বজনীন সংস্কৃতি বলে কিছু নেই । কেননা এক সমাজ ও রাষ্ট্রে যা সংস্কৃতি অন্য সমাজ ও রাষ্ট্রে তা অপ-সংস্কৃতি । এরপরেও সংস্কৃতির সাধারণ উপাদান আছে, যা সকল দেশে একই । যেমন- ভাষা, প্রতীক, আদর্শ, মূল্যবোধ, বিশ্বাস, প্রথা, শিল্পকলা ইত্যাদি । তবে সংস্কৃতির উপাদান হিসেবে অনেকে সমাজতাত্ত্বিক আইনকে গ্রহণ করেছেন আবার কেউ তা বর্জন করেছেন ।
সুশাসনের মূল আটটি উপাদান রয়েছে। যেখানে নৈতিক শাসন বলে কোনো উপাদান নেই। ঐ আটটি উপাদানের প্রধান প্রধান উপাদান হলো - আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, সাড়াাদান, দায়িত্বশীলতা ও অংশগ্রহণ।
বিশ্বব্যাংকের ১৯৮৯ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদন 'Sub-Saharan Africa: From Crisis to Sustainable Growth' -এ Good Governance বা সুশাসন প্রত্যয়টির প্রথম ব্যবহার করেন । তবে ১৯৯২ সালে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের গবেষণা পত্র Governance and Development বা শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়নের মাধ্যমে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করেছেন ।
সুশাসনের স্বচ্ছতার নীতি সংগঠনের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করে। এটি একটি প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা প্রকাশ করার মাধ্যমে জবাবদিহিতা, সাম্য ও সমতার বিষয়টিকেও নিশ্চিত করে।
সহনশীলতার শিক্ষা ব্যক্তি লাভ করে থাকে মূল্যবোধের শিক্ষা থেকে । এটা সুনাগরিকের অন্যতম গুণ । গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও বিকাশের জন্য সহনশীলতা একান্ত অপরিহার্য । অন্যের মনোভাব ও মতামতকে শ্রদ্ধা করার মত সহিষু থাকা এবং যেকোনো বিষয়ে উত্তেজনা প্রশমিত করে সুখী ও সুন্দর সমাজ গঠনে সাহায্য করে সহনশীলতা ।
জব সলুশন