নিচের কোনটি সংস্কৃতির উপাদান নয়?
পৃথিবীতে সর্বজনীন সংস্কৃতি বলে কিছু নেই । কেননা এক সমাজ ও রাষ্ট্রে যা সংস্কৃতি অন্য সমাজ ও রাষ্ট্রে তা অপ-সংস্কৃতি । এরপরেও সংস্কৃতির সাধারণ উপাদান আছে, যা সকল দেশে একই । যেমন- ভাষা, প্রতীক, আদর্শ, মূল্যবোধ, বিশ্বাস, প্রথা, শিল্পকলা ইত্যাদি । তবে সংস্কৃতির উপাদান হিসেবে অনেকে সমাজতাত্ত্বিক আইনকে গ্রহণ করেছেন আবার কেউ তা বর্জন করেছেন ।
Related Questions
সুশাসনের মূল আটটি উপাদান রয়েছে। যেখানে নৈতিক শাসন বলে কোনো উপাদান নেই। ঐ আটটি উপাদানের প্রধান প্রধান উপাদান হলো - আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, সাড়াাদান, দায়িত্বশীলতা ও অংশগ্রহণ।
বিশ্বব্যাংকের ১৯৮৯ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদন 'Sub-Saharan Africa: From Crisis to Sustainable Growth' -এ Good Governance বা সুশাসন প্রত্যয়টির প্রথম ব্যবহার করেন । তবে ১৯৯২ সালে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের গবেষণা পত্র Governance and Development বা শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়নের মাধ্যমে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করেছেন ।
সুশাসনের স্বচ্ছতার নীতি সংগঠনের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করে। এটি একটি প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা প্রকাশ করার মাধ্যমে জবাবদিহিতা, সাম্য ও সমতার বিষয়টিকেও নিশ্চিত করে।
সহনশীলতার শিক্ষা ব্যক্তি লাভ করে থাকে মূল্যবোধের শিক্ষা থেকে । এটা সুনাগরিকের অন্যতম গুণ । গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও বিকাশের জন্য সহনশীলতা একান্ত অপরিহার্য । অন্যের মনোভাব ও মতামতকে শ্রদ্ধা করার মত সহিষু থাকা এবং যেকোনো বিষয়ে উত্তেজনা প্রশমিত করে সুখী ও সুন্দর সমাজ গঠনে সাহায্য করে সহনশীলতা ।
বাংলা শূন্যবাদ বা শূন্যতাবাদ ল্যাটিন শব্দ nihil থেকে এসেছে, যার অর্থ nothing বা কিছুই না। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে রাশিয়ায় এ বিপ্লবী মতবাদ বিস্তার লাভ করে । এ মতবাদীরা কোনো ক্ষমতা, নীতি - নিয়ম বা ধর্ম মানতে অস্বীকার করতো এবং ব্যক্তি নিজেকে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাধীন বলে বিবেচনা করতো । এ মতবাদ আইভান তুর্গেনিকের 'ফাদারস অ্যান্ড সানস' উপন্যাসের মাধ্যমে খ্যাতি লাভ করে।
জাতিসংঘের উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষায়িত সংস্থা UNDP ১৯৯৭ সালে সুশাসনের যে সংজ্ঞা প্রদান করেছেন, সেখানে 'টেকসই মানব উন্নয়নের জন্য শাসন' উপ শিরোনামে যে পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের সকল পর্যায়ের কাজের মধ্যে শাসন প্রক্রিয়া প্রতীয়মান হবে ।
জব সলুশন