বিশ্বব্যাপী নিচের কোন অর্থনৈতিক খাত থেকে সবচাইতে বেশি গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গত হয়?

ক) পরিবহন
খ) বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন
গ) ভবন নির্মাণ
ঘ) শিল্প
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বায়ুমণ্ডলের যেসকল গ্যাস তাপীয় অবলোহিত সীমার মধ্যে বিকিরিত শক্তি শোষণ ও নির্গত করে সেসকল গ্যাসকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে।

গ্রিন হাউস গ্যাস গুলো হলো:
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2),
মিথেন (CH4),
নাইট্রাস অক্সাইড (N2O),
ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC)।

২০১৪ সালের IPCC এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনে যেসকল অর্থনৈতিক খাত দায়ী তা হলো:-
-বিদ্যুৎ ও তাপ (২৫ শতাংশ),
-শিল্প (২১ শতাংশ),
-কৃষি ও ভূমির ব্যবহার (২৪%),
-পরিবহন (১৪ শতাংশ),
-ভবন (৬ শতাংশ)
-ও অন্যান্য (১০ শতাংশ)।

Related Questions

ক) ফোকাস
খ) এপিসেন্টার
গ) ফ্রাকচার
ঘ) ফল্ট
Note :

ভূ-অভ্যন্তরে যেখানে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় তাকে কেন্দ্র বা 'ফোকাস' (Focus/Hypocenter) বলে এবং ফোকাসের ঠিক উল্লম্ব বরাবর ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে উপকেন্দ্র বা 'এপিসেন্টার' (Epicenter) বলা হয়।

ক) বাখরাবাদ
খ) তিতাস
গ) হরিপুর
ঘ) হবিগঞ্জ
Note :

- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়।
- ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৫৭ সালে  প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
-বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস।

ক) ১৫০ নটিক্যাল মাইল
খ) ২৫০ নটিক্যাল মাইল
গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
ঘ) ৩০০ নটিক্যাল মাইল
Note :

উপকূলের ভিত্তিরেখা থেকে বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা (Exclusive Economic Zone) হলো ২০০ নটিক্যাল মাইল।

ক) ১৫ নভেম্বর ২০০৭
খ) ১৬ নভেম্বর ২০০৭
গ) ১৭ নভেম্বর ২০০৭
ঘ) ১৮ নভেম্বর ২০০৭
Note :

বাংলাদেশে প্রলয়ঙ্করী সুপার সাইক্লোন সিডর ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হেনেছিল। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম মারাত্মক ও ভয়াবহ একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল। 

ক) কার্বন ডাইঅক্সাইড
খ) মিথেন
গ) সিএফসি
ঘ) নাইট্রাস অক্সাইড
ক) পানির উপরিভাগে
খ) পানির মধ্যভাগে
গ) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
ঘ) পানির তলদেশে
Note :

প্রতিটি প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। যেসব প্রাণী ফুলকার সাহায্যে শ্বাস গ্রহণ করে এবং পানিতে বসবাস করে, সেসব প্রাণীর ক্ষেত্রে দ্রবীভূত অক্সিজেনের গুরুত্ব অনেক। কারণ ফুলকার সাহায্যে বায়ু হতে অক্সিজেন গ্রহণ সম্ভব নয়। তবে পানিতে যে দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকে সেটা ফুলকার সাহায্যে সহজেই গ্রহণ করা যায়। পানির উপরিভাগে বায়ু থেকে অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত হয়।
যে অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে তাকে দ্রবীভূত অক্সিজেন বলে। এটি দ্রবীভূত অবস্থায় পানির আন্তঃ আণবিকস্থানে থাকে। পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ তাপমাত্রা ও চাপের ওপর নির্ভরশীল। সকল জলজ প্রাণীর জীবন ধারণের জন্য পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় অক্সিজেনের উপস্থিতি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কিছু অক্সিজেন পানির সাথে মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। জলজ উদ্ভিদ যখন সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে খাদ্য (গ্লুকোজ) প্রস্তুত করে তখন বিক্রিয়ায় উৎপন্ন অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত হয়।

 

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন