ভূমিকম্প সংঘটন বিন্দুর সরাসরি উপরে ভূপৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে বলে –
ভূ-অভ্যন্তরে যেখানে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় তাকে কেন্দ্র বা 'ফোকাস' (Focus/Hypocenter) বলে এবং ফোকাসের ঠিক উল্লম্ব বরাবর ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে উপকেন্দ্র বা 'এপিসেন্টার' (Epicenter) বলা হয়।
Related Questions
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়।
- ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
-বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস।
উপকূলের ভিত্তিরেখা থেকে বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা (Exclusive Economic Zone) হলো ২০০ নটিক্যাল মাইল।
বাংলাদেশে প্রলয়ঙ্করী সুপার সাইক্লোন সিডর ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হেনেছিল। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম মারাত্মক ও ভয়াবহ একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল।
প্রতিটি প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। যেসব প্রাণী ফুলকার সাহায্যে শ্বাস গ্রহণ করে এবং পানিতে বসবাস করে, সেসব প্রাণীর ক্ষেত্রে দ্রবীভূত অক্সিজেনের গুরুত্ব অনেক। কারণ ফুলকার সাহায্যে বায়ু হতে অক্সিজেন গ্রহণ সম্ভব নয়। তবে পানিতে যে দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকে সেটা ফুলকার সাহায্যে সহজেই গ্রহণ করা যায়। পানির উপরিভাগে বায়ু থেকে অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত হয়।
যে অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে তাকে দ্রবীভূত অক্সিজেন বলে। এটি দ্রবীভূত অবস্থায় পানির আন্তঃ আণবিকস্থানে থাকে। পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ তাপমাত্রা ও চাপের ওপর নির্ভরশীল। সকল জলজ প্রাণীর জীবন ধারণের জন্য পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় অক্সিজেনের উপস্থিতি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কিছু অক্সিজেন পানির সাথে মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। জলজ উদ্ভিদ যখন সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে খাদ্য (গ্লুকোজ) প্রস্তুত করে তখন বিক্রিয়ায় উৎপন্ন অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত হয়।

হালদা নদী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উৎপত্তি হওয়া একটি নদী। এটি খাগড়াছড়ি জেলার বাদনাতলী পাহাড় থেকে উৎপত্তি হয়ে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এটি এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র।
অন্যান্য নদীর উৎপত্তি:
• নাফ নদী: মিয়ানমারের আরাকান পাহাড় থেকে উৎপত্তি।
• কর্ণফুলী নদী: ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি।
• মেঘনা নদী: আসামের বরাক নদী থেকে উৎপত্তি হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
জব সলুশন