বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত?
স্বাদু পানির মাছ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার ময়মনসিংহে অবস্থিত। উল্লেখ্য, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৮৪ সালে চাদপুরে স্থাপন করা হয় ও ১৯৮৬ সালে ময়মনসিংহে স্থানান্তরিত হয়। এর অধীনে ৫ টি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েছে - চাদপুর, খুলনা, বাগেরহাট, কক্সবাজার ও ময়মনসিংহ। সামুদ্রিক পানির মাছ গবেষণা প্রতিষ্ঠান কক্সবাজারে, ইলিশ ও নদীর মাছ গবেষণা প্রতিষ্ঠান চাদপুরে, খুলনায় লোনা পানির মাছ গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বাগেরহাটে চিংড়ি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত।
Related Questions
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের বনসম্পদ, যা প্রয়োজনের তুলনায় সীমিত, তার রক্ষণা-বেক্ষণ ও পরিচর্যা এবং নতুন বনাঞ্চল সৃষ্টি, এ সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে থাকে। এটি সংক্ষেপে বিএফআরআই (BFRI=Bangladesh Forest Research Institute) নামে পরিচিত। এর প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে অবস্থিত।
ইউরিয়া সার তৈরির জন্য চার ধরনের পারমাণবিক কাঁচামাল [কার্বন (C), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N) ও হাইড্রোজেন (H)] দরকার। কিন্তু প্রকৃতিতে এই পরমাণু গুলোকে সহজে পাওয়া যায় না, তাই যে সমস্ত অণুতে এই পরমাণুগুলি আছে তাদেরকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ইউরিয়া সার তৈরি করা হয়। সার কারখানায় ইউরিয়া সার তৈরির কাঁচামাল [কার্বন (C), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N) ও হাইড্রোজেন (H)] সংগ্রহ করা হয় প্রাকৃতিক গ্যাস [মূল উপাদান মিথেন (CH4)], পানি (H2O), বাতাস (N2) ও অক্সিজেন (O2) থেকে। এরপর প্রাকৃতিক গ্যাসকে পানির সাথে বিক্রিয়া (Steam Reforming) এবং শিফট বিক্রিয়া (Shift Reforming) করে CO2 এবং H2 -তে রূপান্তরিত করা হয়। স্টিম রিফর্মিং করে পাওয়া যায় সিনগ্যাস (Co এবং H2 এর মিশ্রণ)। আর সিনগ্যাস থেকে শিফট বিক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) এবং হাইড্রোজেন অণু (H2) পাওয়া যায়। এরপর CO, ও H, এর সাথে নাইট্রোজেন (N2) যোগ করতে হবে। তারপর N2 ও H2 কে বিক্রিয়া করে তৈরি করতে হবে অ্যামোনিয়া (NH3)। এই অ্যামোনিয়া (NH3) আর CO2 এক সাথে মিশে উৎপন্ন হয় ইউরিয়া সার।
মানিলণ্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ বাংলাদেশের একটি আইন যা ২০০২ সালের ৭ নং আইন হিসাবে চিহ্নিত এবং ৭ই এপ্রিল, ২০০২ তারিখে আইন হিসাবে প্রচারিত। আইনটি ৩০শে এপ্রিল ২০০২ তারিখ থেকে কার্যকর হয়। এ আইনটি “মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন” দ্বারা ২০০৩ সালে সংশোধন করা হয়। পরে, ২০১২ সালে এই আইনটি রহিত করা হয়।
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পাস হয়
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। যার কাজ সরকারি চাকুরীতে নিয়োগ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা।
-১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর ৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
-‘সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) গঠন সম্পর্কে বাংলাদেশ সংবিধানের নবম ভাগের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে, আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা যাবে এবং একজন সভাপতি ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। যার কাজ সরকারি চাকুরীতে নিয়োগ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা।
-১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর ৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
-‘সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) গঠন সম্পর্কে বাংলাদেশ সংবিধানের নবম ভাগের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে, আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা যাবে এবং একজন সভাপতি ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।
২ মার্চ ২০২২ জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে। তে বলা হয়,
ক) ‘জয় বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হবে।
(খ) সাংবিধানিক পদাধিকারীগণ, দেশে ও দেশের বাইরে কর্মরত সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ সকল জাতীয় দিবস উদযাপন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় ও সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন।
(গ) সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাত্যহিক সমাবেশ সমাপ্তির পর এবং সভা-সেমিনারে বক্তব্যের শেষে শিক্ষকগণ ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন।
২। ইহা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
জব সলুশন