কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয় ?
মানিলণ্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২ বাংলাদেশের একটি আইন যা ২০০২ সালের ৭ নং আইন হিসাবে চিহ্নিত এবং ৭ই এপ্রিল, ২০০২ তারিখে আইন হিসাবে প্রচারিত। আইনটি ৩০শে এপ্রিল ২০০২ তারিখ থেকে কার্যকর হয়। এ আইনটি “মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন” দ্বারা ২০০৩ সালে সংশোধন করা হয়। পরে, ২০১২ সালে এই আইনটি রহিত করা হয়।
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পাস হয়
Related Questions
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। যার কাজ সরকারি চাকুরীতে নিয়োগ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা।
-১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর ৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
-‘সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) গঠন সম্পর্কে বাংলাদেশ সংবিধানের নবম ভাগের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে, আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা যাবে এবং একজন সভাপতি ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। যার কাজ সরকারি চাকুরীতে নিয়োগ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা।
-১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর ৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
-‘সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) গঠন সম্পর্কে বাংলাদেশ সংবিধানের নবম ভাগের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে, আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা যাবে এবং একজন সভাপতি ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।
২ মার্চ ২০২২ জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে। তে বলা হয়,
ক) ‘জয় বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হবে।
(খ) সাংবিধানিক পদাধিকারীগণ, দেশে ও দেশের বাইরে কর্মরত সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ সকল জাতীয় দিবস উদযাপন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় ও সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন।
(গ) সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাত্যহিক সমাবেশ সমাপ্তির পর এবং সভা-সেমিনারে বক্তব্যের শেষে শিক্ষকগণ ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন।
২। ইহা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা শহর ছিল ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে। তবে ঢাকা জেলার অংশবিশেষ হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ।
৫ নং সেক্টরের অধীনে ছিল পশ্চিমা এলাকা, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী এলাকা।
সুন্দরবন (বাদাবন) বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
-বাংলাদেশ ও ভারতে বিস্তৃত সুন্দরবনের মোট আয়তন ১০,০০০ বর্গ কি.মি.।
-সুন্দরবনের মোট আয়তনের ৬২% বাংলাদেশের ৫টি জেলায়(খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী ও বরগুনা) অবস্থিত।
-সুন্দরবনকে ২১ মে, ১৯৯২ ‘রামসার সাইট’ এবং ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ ইউনেস্কো ‘বিশ্ব ঐতিহ্য' স্থান হিসেবে (৭৯৮তম) ঘোষণা করে।
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে এবং ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে। ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০ সালে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০২১ - ২০২৫ মেয়াদে " চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। তবে এটির কার্যকাল ধরা হয়েছে জুন, ২০২০ - জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত।
জব সলুশন