বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে এবং ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে। ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০ সালে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০২১ - ২০২৫ মেয়াদে " চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। তবে এটির কার্যকাল ধরা হয়েছে জুন, ২০২০ - জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত।
Related Questions
অনুচ্ছেদঃ ১০৮ কোর্ট অব রেকর্ড, সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হবেন এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশ দান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকবেন।
আমাদের সংবিধানের ১৫০(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ সংবিধানের পঞ্চম তফসিল দ্বারা আমাদের সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সংবিধানে ভাষা প্রসঙ্গটির উল্লেখ করা হয়েছে তিনটি স্থানে :৩, ২৩ এবং ১৫৩ সংখ্যক অনুচ্ছেদে। এগুলোর মধ্যে অনুচ্ছেদ ৩ - এ 'রাষ্ট্রভাষা', অনুচ্ছেদ ২৩ - এ 'জাতীয় ভাষা' এবং অনুচ্ছেদ ১৫৩ - তে বাংলা ও ইংরেজি পাঠ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। সংবিধানের ৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা'।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাসেমের নেতৃত্বে বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একাংশের সম্মেলনের মাধ্যমে ২৩ জুন, ১৯৪৯ সালে ঢাকার কে.এম দাস লেনে অবস্থিত রোজ গার্ডেনে ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ' গঠিত হয়। দলটির প্রথম সভাপতি হিসেবে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও সহ-সভাপতি আতাউর রহমান খান এবং সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক ও যুগ্ম সম্পাদক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্বাচিত হন। ধর্মনিরপেক্ষতা চর্চা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৫৩ সালে মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ' এর কাউন্সিলে ‘মুসলিম' শব্দটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং তারই প্রেক্ষিতে ১৯৫৫ সালে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
শামসুল হকের বিশেষ ভূমিকাগুলো নিম্নরূপ:
১.নবাবদের দালান কোঠার বাইরে সর্ব সাধারণের মধ্যে রাজনীতি ছড়িয়ে দেওয়া।
২.উপনির্বাচনে (১৯৪৯ সালের ২৬ এপ্রিল) জয়ী হবার পর মওলানা ভাসানী ও শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে হকের নেতৃত্বে পাকিস্তানে প্রথম বিরোধী দল আওয়ামী লীগ গঠন।
৩.বাংলা ভাষা আন্দোলনকে সর্ব সাধারণের কাছে বিস্তৃত করা। (১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি)
৪.পাকিস্তানের প্রাথমিক অবস্থায় জিন্নাহ পরবর্তী মুসলিম লীগের কায়েমী স্বার্থবাদী প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিক গোষ্ঠীর শাসনতান্ত্রিক সঙ্কটের সমাধান রূপে ‘মূল দাবি প্রণয়ন’।
সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিবেশনে আহ্বান করেন।
উক্ত ধারা অনুসারে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাষ্ট্রপতি সংসদ স্থগিত ও ভাঙতে পারে।
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ‘ছয়দফা’ দাবি পেশ করেন।
-১৮-২০ মার্চ আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটিতে ‘ছয়দফা গৃহীত হয়।
-পরবর্তীতে শেখ মুজিবুর রহমান ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ছয়দফা' ঘোষণা করেন। জাতির জনক একে ‘পূর্ব পাকিস্তানের বাঁচার দাবি বলে অভিহিত করেন।
‘ছয়দফা’র দাবিসমূহ হলো:
১.শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি নির্ধারণ ।
২. কেন্দ্ৰীয় সরকারের হাতে ক্ষমতা।
৩. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থার প্রচলন।
৪. বৈদেশিক বাণিজ্য।
৫. রাজস্ব, কর ও শুল্ক বিষয়ক ক্ষমতা।
৬. আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য আধা সামরিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
জব সলুশন