রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নষ্টনীড়’ গল্পের একটি বিখ্যাত চরিত্র

ক) বিনোদিনী
খ) হৈমন্তী
গ) আশালতা
ঘ) চারুলতা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নষ্টনীড়' গল্পের একটি বিখ্যাত চরিত্র হলো 'চারুলতা'। উল্লেখ্য, 'বিনোদিনী' এবং ‘আশালতা হলো "চোখের বালি' উপন্যাসের চরিত্র। আর ‘হৈমন্তী' গল্পের নায়িকা হলো 'হৈমন্তী'।

Related Questions

ক) আলাওল
খ) মুক্তারাম চক্রবর্তী
গ) মুকুন্দ দাস
ঘ) চন্দ্রাবতী
Note :

স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম জাগাতে, দেশের পরাধীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার প্রেরণা জোগাতে যেসব কবিরা গান গেয়ে ও যাত্রাভিনয় করে স্থানে স্থানে ঘুরে বেড়িয়েছেন, তাদেরকে চারণ কবি বলা হয়।
- মুকুন্দ দাস স্বদেশী ও অসহযোগ আন্দোলনের সময় বহু স্বদেশী বিপ্লবাত্মক গান ও নাটক রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তিনি ছিলেন স্বদেশী যাত্রার প্রবর্তক। প্রকৃতপক্ষে তিনি একজন চারণকবি ছিলেন।

ক) দশরথি রায়
খ) রামনিধি গুপ্ত
গ) ফকির গরীবুল্লাহ
ঘ) রামরাম বসু
Note :

দাশরথি রায় ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি, স্বভাবকবি এবং পাঁচালিকার। তিনি বিভিন্ন বিষয়ক ৬৪টি পালাভুক্ত প্রায় ৬৭৫টি গান রচনা করেছিলেন।

ক) রেফ
খ) হসন্ত
গ) কার
ঘ) ফলা
Note :

বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন স্বরবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'কার'
- আর ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ব্যঞ্জনবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'ফলা'
- স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ১০টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ৬টি।

উদাহরণ:
- ম-ফলা: পদ্ম (এখানে 'দ'-এর সাথে 'ম' যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে নিচে বসেছে।)
- য-ফলা: বাক্য (এখানে 'ক'-এর সাথে 'য' যুক্ত হয়েছে।)
- র-ফলা: ব্রত (এখানে 'ব'-এর সাথে 'র' যুক্ত হয়েছে।)

ক) সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
খ) তদ্ধিত প্রত্যয়
গ) বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
ঘ) কৃৎ প্রত্যয়
Note :

প্রচুর   +   য  =  প্রাচুর্য হলো সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়। শব্দের শেষে ‘র্য' বা য ফলা (J) থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে 'ষ্ণ্য বা য’ হবে। অর্থাৎ ‘র্য' থাকলে 'ষ্ণ্য বা য' হবে।

ক) মনোকষ্ট
খ) মনঃকষ্ট
গ) মণকষ্ট
ঘ) মনকস্ট
Note :

শুদ্ধ বানান মনঃকষ্ট। মনঃকষ্ট সংস্কৃত শব্দ, বিশেষ্য পদ; যার অর্থ মনের দুঃখ, মনোবেদন। মনঃকষ্ট বিসর্গ সন্ধিজাত শব্দ; যার সন্ধি বিচ্ছেদ - মনঃ + কষ্ট।

ক) রসতত্ত্ব
খ) রূপতত্ত্ব
গ) বাক্যতত্ত্ব
ঘ) কি্রিয়ার কাল
Note :

শব্দ ও ধ্বনিকে সুশৃঙ্খলভাবে এবং যথাযথ নিয়মে বাক্যে প্রয়োগ করার বিধান বা শাখাকেই বাক্যতত্ত্ব বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় ৪টি। এদের  সংক্ষিপ্ত রূপ দেওয়া হলো:

ধ্বনি তত্ত্ব: ধ্বনির উচ্চারণ, ধ্বনি পরিবর্তন, সন্ধি, নত্ব ও ষত্ব বিধান ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।

শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব: শব্দের গঠন, উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস, কারক ও বিভক্তি ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।

বাক্যতত্ত্ব: ধ্বনি ও শব্দকে বাক্যে ব্যবহারের নিয়ম, বাক্যের গঠন, বাক্য পরিবর্তন ও বাক্যের সার্থক ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করে।

অর্থতত্ত্ব: শব্দের বা বাক্যের অর্থবিচার, বিপরীত শব্দ, বাগধারা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে

জব সলুশন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন