ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বকে বাক্যে যথাযথভাবে ব্যবহার করার বিধানের নামই-
শব্দ ও ধ্বনিকে সুশৃঙ্খলভাবে এবং যথাযথ নিয়মে বাক্যে প্রয়োগ করার বিধান বা শাখাকেই বাক্যতত্ত্ব বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় ৪টি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপ দেওয়া হলো:
ধ্বনি তত্ত্ব: ধ্বনির উচ্চারণ, ধ্বনি পরিবর্তন, সন্ধি, নত্ব ও ষত্ব বিধান ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।
শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব: শব্দের গঠন, উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস, কারক ও বিভক্তি ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।
বাক্যতত্ত্ব: ধ্বনি ও শব্দকে বাক্যে ব্যবহারের নিয়ম, বাক্যের গঠন, বাক্য পরিবর্তন ও বাক্যের সার্থক ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করে।
অর্থতত্ত্ব: শব্দের বা বাক্যের অর্থবিচার, বিপরীত শব্দ, বাগধারা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে
Related Questions
ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতাটি আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত মানচিত্র কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থঃ
-মানচিত্র,
-সাজঘর,
-শ্রেষ্ঠ কবিতা,
-চোখ,
-লেলিহান পাণ্ডুলিপি,
-সূর্য জ্বালার স্বপন।
‘এবার আমার একটি বিচিত্র অভিজ্ঞতা হলো এ বাক্য হলো নির্দেশাত্নক। যে বাক্যে কোনো বক্তব্য সাধারণভাবে বিবৃত বা নির্দেশ করা হয় তাকে বর্ণনাত্মক বাক্য বলে। একে নির্দেশমূলক, নির্দেশসূচক নির্দেশাত্নক, বিবৃতিমূলক বাক্যও বলা হয়। যেমনঃ সূর্য পূর্বদিকে ওঠে। সে রোজ এখানে আসে।
'পরানের গহীন ভিতর' কাব্যের কবি হলেন সৈয়দ শামসুল হক। এটি বাংলা কবিতায় একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
শ্রীচৈতন্যদেব ও তাঁর কয়েকজন শিষ্যের জীবন কাহিনি নিয়ে মধ্যযুগে জীবনী সাহিত্যের সূচনা হয়।
- চৈতন্যদেবের জীনবী সাহিত্য ‘কড়চা’ নামে অভিহিত করা হয়।
- কড়চা অর্থ দিনপঞ্জি বা রোজনামচা।
- ভক্তরা চৈতন্যদেবকে মানুষ রূপে কল্পনা করেনি, করেছে নররূপী নারায়ণ রূপে।
'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' (১৮৬৩) পত্রিকাটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে প্রকাশিত। আর এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কাঙাল হরিনাথ। 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা'য় সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান ইত্যাদি বিষয়ক প্রবন্ধ এবং নীলকর সাহেবদের শোষণের কাহিনি স্থান পেত।
সঠিক উত্তর বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’
জব সলুশন