কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা?
নিরালোক দিব্যরথ (কাব্যগ্রন্থ) : শামসুর রাহমান, নির্জন স্বাক্ষর (উপন্যাস) : বুদ্ধদেব বসু; নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি (উপন্যাস) : সেলিনা হোসেন।
Related Questions
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস আগুনের পরশমণি।আগুনের পরশমণি বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ - এর একটি বাংলাদেশী স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস। এটি ১৯৮৬ সালে অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়।পরবর্তীতে ঔপন্যাসিক নিজেই এই উপন্যাস অবলম্বনে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ও গল্পগ্রন্থ - "ব্যাথার দান"(১৯২২)। কিন্তু তার প্রকাশিত প্রথম রচনা ও গল্প হলো - "বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী" যা ১৯১৯ সালে "সওগাত " পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। "অগ্নিবীণা" তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং "রাজবন্দীর জবানবন্দি" তার প্রবন্ধগ্রন্থ। আর "নবযুগ" তার সম্পাদিত পত্রিকা।
'শেষ লেখা' - একটি কাব্য।
'শেষ লেখা' (১৯৪১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ। এ কাব্যগ্রন্থের তিনি নামকরণ করে যেতে পারেননি । জীবনের শেষ কয়েক দিনের রচনা নিয়ে গ্রন্থটি রচিত।
'বিষাদ - সিন্ধু' মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। উপন্যাসটিতে তিনটি পর্ব আছে। 'মহরম পর্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব' (১৮৮৭) , 'এজিদবধ পর্ব' (১৮৯১) । উপন্যাসটি কারবালার বিষাদময় কাহিনী অবলম্বনে রচিত । মহানবী হযরত মুহম্মদ (স) এর দৌহিত্র ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেনের সঙ্গে দামেঙ্ক অধিপতি মুয়াবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের বিরোধ ও যুদ্ধ এই উপন্যাসের মূল কাহিনী।
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি'-এর সম্পাদক ছিলেন প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক হাসান হাফিজুর রহমান। ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত ঐতিহাসিক এই সংকলনটিতে ভাষা শহীদদের স্মরণে কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প ও গান স্থান পেয়েছিল।
ফরাজি আন্দোলনের প্রধান প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা ছিলেন হাজী শরীয়তউল্লাহ । ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে পূর্ব বাংলায় (মূলত ফরিদপুর অঞ্চলে) মুসলমানদের ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কারের উদ্দেশ্যে তিনি এই আন্দোলন শুরু করেন। হাজী শরীয়তউল্লাহের মৃত্যুর পর তাঁর সুযোগ্য পুত্র মুহসিনউদ্দীন আহমদ (দুদু মিয়া) এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন এবং একে রাজনৈতিক ও কৃষকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে রূপান্তর করেন।
জব সলুশন