বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থা সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে পুনঃপ্রবর্তিত হয় ?

ক) দ্বাদশ
খ) সপ্তম
গ) নবম
ঘ) একাদশ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

দ্বাদশ সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট (এবং কার্যকর হয় ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯১)। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে।

Related Questions

ক) মেজর
খ) সিপাহী
গ) ল্যান্স নায়েক
ঘ) ক্যাপ্টেন
Note :

মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (৭ মার্চ ১৯৪৯ - ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।

তার,পদবী হলো - ক্যাপ্টেন।

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীর শ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

তিনি তাদের অন্যতম।

তিনি মুক্তিবাহিনীর ৭নং সেক্টরের একজন কর্মকর্তা ছিলেন।

ক) গৌড়
খ) চন্দ্রদ্বীপ
গ) সুধারাম
ঘ) সুবর্ণগ্রাম
Note :

সোনারগাঁও বাংলার মুসলিম শাসকদের অধীনে পূর্ববঙ্গের একটি প্রশাসনিক কেন্দ্র। এটি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা। প্রাচীন  সুবর্ণগ্রাম নাম থেকেই প্রাক মুসলিম যুগে সোনারগাঁও এর গুরুত্ব অনুধাবন করা যায়। এই সুবর্ণগ্রাম থেকেই স্পষ্ট ত মুসলিম আমলের সোনারগাঁও নামের উদ্ভব।

ক) জয়নুল আবেদীন
খ) কামরুল হাসান
গ) হামিদুজ্জামান খান
ঘ) হাসেম খান
Note :

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারীদের রক্তের প্রতীক। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারীভাবে গৃহীত হয়।

১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার শিবনারায়ন দাশের ডিজাইন কৃত পতাকার মাঝে মানচিত্রটি বাদ দিয়ে পতাকার মাপ, রঙ, ও তার ব্যাখ্যা সম্বলিত একটি প্রতিবেদন দিতে বলে পটূয়া কামরুল হাসানকে। কামরুল হাসান দ্বারা পরিমার্জিত রূপটিই বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা

ক) ৫ঃ ৪
খ) ৪ঃ ৩
গ) ৫ঃ ৩
ঘ) ৭ঃ ৫
Note :

১. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনারে - কামরুল হাসান।

২. জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত - ১০:৬ বা ৫:৩ ।

৩. জাতীয় পতাকার লাল বৃত্তের মাপ - পতাকার ৫ ভাগের ১ অংশ।

৪. আমাদের জাতীয় পতাকার রূপকার - চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান।

ক) যমুনা
খ) ব্রহ্মপুত্র
গ) পদ্মা
ঘ) মেঘনা
Note :

মেঘনা নদী বা মেঘনা আপার নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ - পূর্বাঞ্চলের কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, মুন্সীগঞ্জ, চাঁদপুর এবং লক্ষ্মীপুর জেলার একটি নদী।

নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৩০ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৩৪০০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক মেঘনা আপার নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ - পূর্বাঞ্চলের নদী নং ১৭।

মেঘনা বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী।

ক) করতোয়া
খ) ব্রহ্মপুত্র
গ) মহানন্দা
ঘ) গঙ্গা
Note :

মহাস্থানগড়ের অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় । বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কি.মি. উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে গেলে এই শহরের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়৷

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন