বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী কোনটি?

ক) যমুনা
খ) ব্রহ্মপুত্র
গ) পদ্মা
ঘ) মেঘনা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

মেঘনা নদী বা মেঘনা আপার নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ - পূর্বাঞ্চলের কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, মুন্সীগঞ্জ, চাঁদপুর এবং লক্ষ্মীপুর জেলার একটি নদী।

নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৩০ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৩৪০০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক মেঘনা আপার নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ - পূর্বাঞ্চলের নদী নং ১৭।

মেঘনা বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী।

Related Questions

ক) করতোয়া
খ) ব্রহ্মপুত্র
গ) মহানন্দা
ঘ) গঙ্গা
Note :

মহাস্থানগড়ের অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় । বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কি.মি. উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে গেলে এই শহরের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়৷

ক) শনি
খ) মঙ্গল
গ) বৃহস্পতি
ঘ) মঙ্গল
Note :

সৌরজগতের মধ্যে বৃহস্পতির উপগ্রহ সবচেয়ে বেশি।  বৃহস্পতির উপগ্রহ মোট ৬৭ টি।  শনির উপগ্রহ ৬৩ টি।  মঙ্গলের দুটি আর শুক্র গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই।

ক) বুধ
খ) শুক্র
গ) মঙ্গল
ঘ) বৃহস্পতি
Note :

শুক্র:

সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ। এই পার্থিব গ্রহটিকে অনেক সময় পৃথিবীর "বোন গ্রহ" বলে আখ্যায়িত করা হয়।

সূর্য থেকে দূরত্ব ক্রমানুসারে গ্রহগুলোর অবস্থান:

১. প্রথমত - বুধ ২. দ্বিতীয়ত - শুক্র ৩. তৃতীয়ত - পৃথিবী ৪. চতুর্থতম - মঙ্গল ৫. পঞ্চমতম - বৃহস্পতি ৬. যষ্ঠতম - শনি ৭. সপ্তমতম - ইউরেনাস ৮. অষ্টমতম - নেপচুন।

ক) ৪ মিনিট
খ) ৬ মিনিট
গ) ৮ মিনিট
ঘ) ১০ মিনিট
Note :

দ্রাঘিমাংশ স্থানাঙ্ক ব্যবস্থার কেন্দ্রে পূর্বে বা পশ্চিমে, ভূপৃষ্ঠের কোন বিন্দু বিষুব রেখার সাথে উল্লম্ব কোন পরিধির (যা উত্তর ও দক্ষিণ মেরুকে ছেদ করেছে) সাথে যে কোণ উৎপন্ন করে তার পরিমাপ। একই দ্রাঘিমাংশের সমস্ত বিন্দুকে নিয়ে যে রেখা পাওয়া যায় তাদের বলে মেরিডিয়ান বা ভূ - মধ্য রেখা। প্রতিটি ভূ - মধ্য রেখা একটি অর্ধবৃত্ত কিন্তু কেউ কারো সমান্তরাল নয়। সংজ্ঞানুসারে প্রতিটি রেখা উত্তর ও দক্ষিণ মেরুতে মিলিত হয়। ঐতিহাসিকভাবে যে ভূ - মধ্য রেখাটি রয়াল অবজারভেটরি, গ্রীনউইচ (যুক্তরাজ্যের লন্ডনের কাছে) এর মধ্যে দিয়ে গেছে সেটিকে শূন্য - দ্রাঘিমাংশ বা প্রামাণ্য ভূ - মধ্য রেখা ধরা হয়। উদাহরণস্বরূপ: দুটি স্থানের মধ্যে দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য ১ ডিগ্রী হলে সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট।

ক) লিগনাইট
খ) বিটুমিনাস
গ) অ্যানথ্রাসাইট
ঘ) পিট
Note :

⇒ কয়লার মানের ওপর ভিত্তি করে কার্বনের পরিমাণের ভিন্নতা থাকে। যার কার্বন যত বেশি, সেই কয়লা তত উন্নত মানের এবং তাপও দেয় বেশি।
⇒ পিট কয়লা হলো কয়লার প্রাথমিক রূপ, এতে কার্বন থাকে সবচেয়ে কম।
⇒ অ্যানথ্রাসাইট (Anthracite) হলো সবচেয়ে উন্নত মানের ও কঠিন কয়লা। এটি অনেক বেশি সময় ধরে ভূগর্ভে তাপে ও চাপে থাকার ফলে গঠিত হয়।
⇒ অ্যানথ্রাসাইট কয়লায় কার্বনের পরিমাণ প্রায় ৯০% থেকে ৯৫% পর্যন্ত থাকে। এটি ধোঁয়াহীনভাবে জ্বলে এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে।

ক) ফোলিক এসিড
খ) এমিনো এসিড
গ) পেনিসিলিন
ঘ) ইনসুলিন
Note :

-অগ্নাশয় থেকে নির্গত ইনসুলিন চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
-অগ্ন্যাশয় একটি মিশ্র গ্রন্থি। অগ্ন্যাশয়ের অন্তঃক্ষরা অংশে উপস্থিত বিটা কোষ থেকে ক্ষরিত হয় ইনসুলিন।
- ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। তাই বিটা কোষ কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হলে ইনসুলিন নিঃসরণ কমে যায় এবং ফলশ্রুতিতে ডায়াবেটিস রোগ হয়ে থাকে।
-পেনিসিলিন একপ্রকার এন্টিবায়োটিক, যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন