' বাঙ্গালীর ইতিহাস' বইটির লেখক কে?
'বাঙালির ইতিহাস' (আদি পর্ব) বইটির লেখক হলেন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ নীহাররঞ্জন রায়।
Related Questions
এটি একটি ইংরেজি প্রবাদ বা Proverb।
⇒ আক্ষরিক অর্থে ‘Policy’ মানে নীতি বা কৌশল হলেও, প্রবাদ বাক্যে ভাবানুবাদ গ্রহণ করা হয়।
⇒ ইংরেজি ভাষায় প্রচলিত প্রবাদ হলো "Honesty is the best policy", যার বাংলা ভাবার্থ করা হয়েছে ‘সততা সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা’।
⇒ এখানে 'Virtue' (গুণ) বা 'Way' (পথ) ব্যাকরণগতভাবে সঠিক মনে হলেও, প্রবাদ হিসেবে 'Policy' শব্দটিই নি
বিখ্যাত নাট্যকার মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক ‘কবর’।
- ৫২-এর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে নাটকটি রচিত।
- তিনি ১৯৫৩ সালে ১৭ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে নাটকটি রচনা করেন।
- নাটকটি জেলের রাজবন্দিদের দ্বারা অভিনীত হয়।
কাজী ইমদাদুল হকের অবদুল্লাহ উপন্যাসের উপজীব্য- তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র। উপন্যাসটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হুয়। তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস-
-আঁখিজল (১৯০০)
-মোসলেম জগতে বিজ্ঞান চর্চা (১৯০৪)
-ভূগোল শিক্ষা প্রণালী (দু'খণ্ড, ১৯১৩, ১৯১৬)
-নবীকাহিনী (১৯১৭)
-প্রবন্ধমালা (১৯১৮)
-কামারের কাণ্ড (১৯১৯) ইত্যাদি।
শেষের কবিতা--রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস, সোনার তরী, মানসী--রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ, দোলনচাঁপা-- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ।
সন্ধির উদ্দেশ্য : সন্ধি মূলত দুটো উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে করা হয়। সুতরাং যেখানে সন্ধির মাধ্যমে এই দুটি উদ্দেশ্যই পূরণ হবে, সেখানেই কেবল সন্ধি করা যাবে। এগুলো হলো -
১. সন্ধির ফলে উচ্চারণ আরো সহজ হবে (স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা),
২. সন্ধি করার পর শুনতে আরো ভালো লাগবে (ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন)।
বহুবচন প্রকাশ করার জন্য বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করা হয়। এদের মধ্যে কিছু শব্দ অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ হলো:
গ্রাম: অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে এটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, গুণগ্রাম বলতে গুণাবলি বোঝায়।
অন্যান্য শব্দের ব্যবহার:
গণ, বৃন্দ, মণ্ডলী, বর্গ: এগুলো উন্নত প্রাণিবাচক (মনুষ্য) শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, সুধীবৃন্দ, মন্ত্রীবর্গ ইত্যাদি।
কুল, সকল, সব, সমূহ: এগুলো প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক উভয় ধরনের শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কবিকুল, পক্ষীকুল ইত্যাদি।
জব সলুশন