কাজী ইমদাদুল হক-এর ' আবদুল্লাহ' উপন্যাসের উপজীব্য কি?
কাজী ইমদাদুল হকের অবদুল্লাহ উপন্যাসের উপজীব্য- তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র। উপন্যাসটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হুয়। তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস-
-আঁখিজল (১৯০০)
-মোসলেম জগতে বিজ্ঞান চর্চা (১৯০৪)
-ভূগোল শিক্ষা প্রণালী (দু'খণ্ড, ১৯১৩, ১৯১৬)
-নবীকাহিনী (১৯১৭)
-প্রবন্ধমালা (১৯১৮)
-কামারের কাণ্ড (১৯১৯) ইত্যাদি।
Related Questions
শেষের কবিতা--রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস, সোনার তরী, মানসী--রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ, দোলনচাঁপা-- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ।
সন্ধির উদ্দেশ্য : সন্ধি মূলত দুটো উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে করা হয়। সুতরাং যেখানে সন্ধির মাধ্যমে এই দুটি উদ্দেশ্যই পূরণ হবে, সেখানেই কেবল সন্ধি করা যাবে। এগুলো হলো -
১. সন্ধির ফলে উচ্চারণ আরো সহজ হবে (স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা),
২. সন্ধি করার পর শুনতে আরো ভালো লাগবে (ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন)।
বহুবচন প্রকাশ করার জন্য বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করা হয়। এদের মধ্যে কিছু শব্দ অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ হলো:
গ্রাম: অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে এটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, গুণগ্রাম বলতে গুণাবলি বোঝায়।
অন্যান্য শব্দের ব্যবহার:
গণ, বৃন্দ, মণ্ডলী, বর্গ: এগুলো উন্নত প্রাণিবাচক (মনুষ্য) শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, সুধীবৃন্দ, মন্ত্রীবর্গ ইত্যাদি।
কুল, সকল, সব, সমূহ: এগুলো প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক উভয় ধরনের শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কবিকুল, পক্ষীকুল ইত্যাদি।
• বাংলা ব্যাকারণের প্রধান ও মৌলিক আলোচ্য বিষয় চারটি , যথা--ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব,রূপতত্ত্ব , বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম ও অর্থতত্ত্ব।
• রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়--ক্রিয়ার কাল, কারক, লিঙ্গ,উপসর্গ,প্রত্যয়,সমাস,বচন ইত্যাদি।
• ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়--ণত্ব ও যত্ব বিধান, সন্ধি, ধ্বনি পরিবর্তন ইত্যাদি।
• বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষ্য--বাক্যর গঠন প্রণালী, বিরাম বা যতি চিহ্ন, বাগধারা ইত্যাদি।
গাছে তুলে মই কাড়া - সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা,
এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো - একই স্বভাবের,
ধরি মাছ না ছুঁই পানি - কৌশলে কার্যোদ্ধার,
আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া - দুর্লভ বস্তু হাতে পাওয়া।
যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দ (প্রাতিপদিক) এর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। যেমন দুল + অনা = দোলনা। এখানে মূল ক্রিয়াপদ 'দুল এবং প্রত্যয় হল 'অনা'।
জব সলুশন