টপিকঃ শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন ব্যাংক

বিষয়

বাংলা ব্যাকরণ

Free: 30 Qs

1.

‘চাদের হাট’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি ?

ক) বিরাট আয়োজন
খ) সৌভাগ্য লাভ
গ) সৌভাগ্যের বিষয়
ঘ) আনন্দের প্রাচুর্য
Note :

'চাঁদের হাট' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো প্রিয়জন সমাগম বা আনন্দের প্রাচুর্য। সাধারণত আনন্দঘন পরিবেশে অনেক প্রিয়জনের একসঙ্গে উপস্থিতি বা সুখের সংসার বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়

2.

নিচের কোনটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ ?

ক) নির্জন
খ) পঞ্চবটী
গ) দেশান্তর
ঘ) অনুতাপ
Note :

অনুতাপ একটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ

এর ব্যাসবাক্য হলো: তাপের পশ্চাৎ。এখানে 'অনু' উপসর্গটি 'পশ্চাৎ' বা অনুগামী অর্থে ব্যবহৃত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে

3.

‘দর্শক’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ-

ক) দৃ + অক
খ) দৃশ্‌ + ষ্ণক
গ) দৃশ্‌ + অক
ঘ) দৃ + শক্‌
Note :

'দর্শক' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো দৃশ্‌ + অক।

এটি একটি কৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ বা ধাতুমূলক প্রত্যয়ের নিয়ম। এখানে মূল ধাতু বা প্রকৃতি হলো ‘দৃশ্‌’ (যার অর্থ দেখা) এবং এর সাথে ‘অক’ (ণক) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘দর্শক’ শব্দটি গঠিত হয়েছে

4.

বিস্ময় চিহ্নের বিরতিকাল কতটুকু ?

ক) একবলার দ্বিগুণ সময়
খ) এক সেকে
গ) থামার প্রয়োজন নাই
ঘ) এক বলতে যে সময় প্রয়োজন
Note :

বিস্ময় চিহ্নের (! ) বিরতিকাল হলো এক সেকেন্ড।  বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বাক্য বা ভাবের পরিসমাপ্তি ঘটে এমন চিহ্নগুলোর (যেমন: দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক চিহ্ন এবং বিস্ময় চিহ্ন) ক্ষেত্রে এক সেকেন্ড থামতে হয়।

5.

পত্র শব্দটির আভিধানিক ও ব্যবহারিক অর্থ কী ?

ক) যোগাযোগ
খ) বিনিময়
গ) চিহ্ন বা স্মারক
ঘ) সংযোগ
Note :

'পত্র' এর শাব্দিক অর্থ 'পাতা' এবং এর আভিধানিক অর্থ 'চিহ্ন' বা 'স্মারক' ।

6.

নাটকের সংলাপে উপযোগী ভাষার কোন রীতি ?

ক) সাধু
খ) চলিত
গ) আঞ্চলিক
ঘ) মিশ্র
Note :

নাটকের সংলাপে সবচেয়ে উপযোগী হলো চলিত রীতি । আধুনিক নাটকের চরিত্র ও পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক, সাবলীল এবং দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে ফুটিয়ে তুলতে চলিত ভাষার ব্যবহার অপরিহার্য। এটি নাটকের সংলাপকে প্রাণবন্ত ও বাস্তবসম্মত করে তোলে। 

7.

‘চতুষ্পদ’ শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি ?

ক) চতুর+পদ
খ) চতুর্ষ+পদ
গ) চতু+ পদ
ঘ) চতুঃ+পদ
Note :

'চতুষ্পদ' শব্দটির সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো চতুঃ + পদ। এটি একটি বিসর্গ সন্ধি।  বিসর্গের (ঃ) আগে 'ই' বা 'উ' কার থাকলে এবং বিসর্গের পরে 'ক', 'খ', 'প', 'ফ' থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য 'ষ' ) হয়।

8.

'ভৃশণ্ডির কাক' বাগধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?

ক) একই স্বভাবের
খ) মূর্খ
গ) কপট ব্যাক্তি
ঘ) দীর্ঘজীবী
Note :

ভূষণ্ডির কাক' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো দীর্ঘজীবী বা দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, 'ভূষণ্ডি' নামের এক চিরজীবী কাক আবহমান কাল থেকে পৃথিবীর সমস্ত ঘটনা ও পরিবর্তন নিজ চোখে দেখে আসছেন। সেই থেকে দীর্ঘায়ু বা অতিবৃদ্ধ ও বহুদর্শী ব্যক্তিকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়

9.

‘হরতাল’ কোন ভাষার শব্দ ?

ক) গুজরাটি
খ) তুর্কি
গ) পর্তুগীজ
ঘ) বার্মিজ
Note :

হরতাল শব্দটি মূলত গুজরাটি ভাষার শব্দ। 

গুজরাটি ভাষায় 'হর' (ফারসি থেকে আগত) অর্থ 'প্রত্যেক' এবং 'তাল' অর্থ 'তালা' বা 'কুলুপ'। আভিধানিক অর্থে প্রতিটি দোকান বা প্রতিষ্ঠানে তালা দেওয়া বা কাজ বন্ধ রাখাই হলো হরতাল। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় মহাত্মা গান্ধী প্রথম রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে এই শব্দটি ব্যবহার করেন। 

10.

‘তেজি’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি ?

ক) দুর্বল
খ) নিস্তেজ
গ) সতেজ
ঘ) রুগ্ন
Note :

‘তেজি’ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো ‘নিস্তেজ’ বা ‘শান্ত’।

11.

কোন শব্দটির কোন স্ত্রীবাচক শব্দ হয় না ?

ক) অজ
খ) নর
গ) কবিরাজ
ঘ) কবি
Note :

'কবিরাজ' শব্দটির কোনো নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ নেই। পেশাভিত্তিক এই শব্দটির ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই 'কবিরাজ' ব্যবহৃত হয়। প্রয়োজন হলে এর আগে 'মহিলা' শব্দ যোগ করে লিঙ্গ নির্দিষ্ট করা হয়ে থাকে।

12.

‘জায়া’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

ক) অর্ধাঙ্গিনী
খ) কন্যা
গ) নন্দিনী
ঘ) ভাগনী
Note :

  'জায়া' শব্দের সমার্থক শব্দ 'অর্ধাঙ্গী' । এরুপ -ভার্যা , পত্নী , বধূ, বউ , গৃহিনী , গিন্নি, ঘরণি, বিবি, বেগম,পরিবার।
-  কন্যার সমার্থক শব্দ নন্দিনী, মেয়ে , তনয়া, দুহিতা, ঝি, বেটি ।
- 'ভগিনী' শব্দে সমার্থক হলো বোন।

13.

কমা (comma) এর বাংলা কি?

ক) পূর্ণচ্ছেদ
খ) দৃষ্টান্তছেদ
গ) পাদচ্ছেদ
ঘ) অর্ধছেদ
Note :

কমা এর বাংলা পাদচ্ছেদ।

বাক্য পাঠ কালে সুস্পষ্টতা বা অর্থ বিভাগ দেখাবার জন্য যেখানে স্বল্প বিরতির প্রয়োজন, সেখানে কমা বা পাদচ্ছেদ ব্যবহৃত হয়। যেমন - সুখ চাও, সুখ পাবে পরিশ্রমে।

14.

সন্ধির প্রধান সুবিধা কী?

ক) লেখার সুবিধা
খ) উচ্চারণের সুবিধা
গ) পড়ার সুবিধা
ঘ) শুনার সুবিধা
Note :

সন্ধি এর অর্থ মিলন। সন্নিহিত দুটি ধ্বনি মিলিয়ে একটি ধ্বনিতে পরিণত হওয়াকে বা পরস্পর সন্নিহিত দুই বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ব অংশে আলোচিত হয়। ধ্বনিগত মাধুর্য এবং স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা সন্ধির উদ্দেশ্য।

15.

মৌলিক শব্দ কোনটি?

ক) আকাশ
খ) শীতল
গ) ঢাকাই
ঘ) কান্না
Note :

আকাশ একটি মৌলিক শব্দ।  যেসব শব্দকে ভেঙে বা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং যার সাথে কোনো প্রত্যয়, বিভক্তি বা উপসর্গ যুক্ত থাকে না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। 'আকাশ' শব্দটিকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি মৌলিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। মৌলিক শব্দের আরও কিছু উদাহরণ হলো: মা, বাবা, বই, হাত ইত্যাদি

16.

কোনটি চলিত ভাষার নিজস্ব বিশেষ বৈশিষ্ট্য?

ক) তৎসম শব্দের বহুলতা
খ) তদ্ভব শব্দের বহুলতা
গ) প্রাচীনতা
ঘ) অমার্জিততা
Note :

১. চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদের রূপ সংক্ষিপ্ত। যেমন: করেছি, গিয়েছি।

২. চলিত ভাষায় সর্বনাম পদের রূপ সংক্ষিপ্ত। যেমন তারা তাদের।

৩. চলিত ভাষায় ব্যবহৃত হয় অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ। যেমন: হতে, দিয়ে।

৪. চলিত ভাষায় অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি প্রভৃতি শব্দের ব্যবহার বেশি। যেমন: ঘি, হাত, ধোয়া, মাথা।

৫. চলিত ভাষার উচ্চারণ হালকা ও গতিশীল।

৬. চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল।

৭. চলিত ভাষা চটুল, জীবন্ত ও লোকায়ত।

17.

সে আমার আপন ভাই।

ক) He is my brother
খ) He is my step brother
গ) He is my elder brother
ঘ) He is my own brother
Note :

"সে আমার আপন ভাই" এর সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হলো "He is my own brother"

18.

উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে (খণ্ডবাক্যের শেষে ) বসাতে হবে -

ক) কমা
খ) কোলন
গ) কোলন ড্যাস
ঘ) হাইফেন
Note :

উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে (খন্ড বাক্যের শেষে) কমা বসাতে হবে। যেমন - অধ্যক্ষ বললেন , "ছুটি পাবেন না। "

19.

‘গ্রহণ’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি ?

ক) পরিহার
খ) বর্জন
গ) অগ্রাহ্য
ঘ) প্রদান
Note :

গ্রহণ – বর্জন

20.

অন্তরীপ সমস্তপদটি কোন বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত?

ক) প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
খ) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
গ) নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
ঘ) ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি
Note :

'অন্তরীপ' সমস্তপদটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সাধারণ নিয়মে গঠিত না হয়ে প্রথা অনুযায়ী চলে, যার ব্যাসবাক্য হলো- অন্তর্গত অপ যার (অন্তরীপ) । 

21.

সমাসের রীতি কোন ভাষা হতে আগত ?

ক) আরবী
খ) সংস্কৃত
গ) ফারসি
ঘ) ইংরেজি
Note :

বাংলা ব্যাকরণের সমাসের রীতি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত।সংস্কৃত ব্যাকরণের অনুকরণে এবং সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি শব্দ ও বাক্য গঠনের এই নিয়মগুলো বাংলায় যুক্ত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণে এটি রূপতত্ত্ব বা শব্দগঠন অংশে আলোচিত হয়।

22.

‘পরীক্ষা’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ বোনটি ?

ক) পরী + ইক্ষা
খ) পরি + ঈক্ষা
গ) পারী + ঈক্ষা
ঘ) পরি + ইক্ষা
Note :

‘পরীক্ষা’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো পরি + ঈক্ষা।

নিয়ম অনুসারে, পূর্বপদের শেষ বর্ণে অবস্থিত 'ই' এবং উত্তরপদের প্রথম বর্ণে অবস্থিত 'ঈ' মিলে একত্রে দীর্ঘ 'ঈ' (ঈ) হয়। অর্থাৎ, ই + ঈ = ঈ।

23.

ব্যাকরণের কোন অংশে কারক সম্বদ্ধে আলোচনা করা হয়?

ক) ধ্বনিতত্ত্বে
খ) অর্থতত্ত্বে
গ) বাক্যতত্ত্বে
ঘ) রূপতত্ত্বে
Note :

ব্যাকরণের প্রধান ও মৌলিক আলোচ্য বিষয় চারটি ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম এবং অর্থতত্ত্ব। শব্দতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় সমাস ,কারক, বচন, উপসর্গ, প্রত্যয়, বিভক্তি, লিঙ্গ।

24.

”ধূমকেতু” পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?

ক) বুদ্ধদেব বসু
খ) শামসুর রহমান
গ) কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ) শওকত ওসমান
Note :

ঐতিহাসিক 'ধূমকেতু' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম。 

১৯২২ সালের ১১ আগস্ট তাঁর সম্পাদনায় ব্রিটিশবিরোধী এই অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়

25.

কোন বানানটি শুদ্ধ ?

ক) বিভিষিকা
খ) বিভীষিকা
গ) চলিত
ঘ) বিভীষীকা
Note :

সঠিক বানানটি হলো বিভীষিকা।

26.

কোন বাগধারাটি স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশক ?

ক) সাতও না পাঁচও না
খ) আদায় কাঁচকলায়
গ) সাপে-নেউলে
ঘ) দা-কুমড়া
Note :

আদায় কাঁচকলায়, সাপে নেউলে, দা-কুমড়া, এগুলোর অর্থ = ভীষণ শত্রুতা। তাই এখানে, 'সাতেও না পাঁচেও না' স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশ করে।

27.

নিচের কোনটি যোগরুঢ় শব্দ?

ক) পঙ্কজ
খ) তৈল
গ) মধুর
ঘ) নবাবী
Note :

তৈল একটি রুঢ় বা রুঢ়ি শব্দ, যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল বা বুৎপত্তিগত অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রুঢ়ি শব্দ বলে। উদাহরণস্বরূপ, 'তৈল' শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ 'তিল থেকে উৎপন্ন যে কোনো স্নেহপদার্থ', কিন্তু বর্তমানে এটি কেবল 'সরিষার তেল'-কেই বোঝায়। অন্যদিকে, যোগরূঢ় শব্দ হলো সমাস নিষ্পন্ন এমন কিছু শব্দ যা সমস্যমান পদগুলোর সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি নির্দিষ্ট অর্থ বোঝায়। যোগরূঢ় শব্দের সবচেয়ে প্রচলিত উদাহরণ হলো পঙ্কজ l

28.

ব্যাসবাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেকটি পদকে কি বলে ?

ক) পূর্বপদ
খ) পরপদ
গ) সমস্ত পদ
ঘ) সমস্যমান পদ
Note :

সমাসের পরিভাষা ৫ টি ।সমস্যমান পদ , ব্যাসবাক্য , সমস্তপদ , পূর্বপদ , পরপদ ।
- যে যে পদের সমাস হয় তাদের প্রত্যেককে বলে সমস্যমান পদ ।
- সমাস যুক্ত পদের প্রথম অংশকে পূর্বপদ বলে।
- সমাস যুক্ত পদের পরবর্তী অংশকে পরপদ বলে ।
- সমাসবদ্ধ বা সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্তপদ ।
- সমস্ত পদকে ভাঙলে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য ।

29.

‘খিড়কি' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

ক) সরুপথ
খ) গুপ্তপথ
গ) সিংহদার
ঘ) চিলেকোঠা
Note :

‘খিড়কি’ অর্থ - জানালা, বাতায়ন, ঝরোকা। এর বিপরীত অর্থ - সিংহদ্বার বা সদর দরজা।

30.

মাতা' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?

ক) √মা + তৃচ/তা
খ) √মাতৃ + আ
গ) √মাত্ + আ
ঘ) √মাতা + অ
Note :

কৃৎ- প্রত্যয় সাধিত পদকে বলা হয় কৃদন্ত পদ। কৎ প্রত্যয় ২ প্রকার। ১। বাংলা কৃৎপ্রত্যয় ২। সংস্কৃত কৎ প্রত্যয়। √বহ্ +তা= বহতা(বাংলা কৃৎপ্রত্যয়) √দা+তৃচ= দাতা, √মা+তৃচ= মাতা (সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয়), স্বাধীন+তা= স্বাধীনতা( সংস্কত তদ্ধিত প্রত্যয়)।


 

'তৃচ' প্রত্যয় যোগে শব্দে ('চ' লোপ পেয়ে 'তৃ' থেকে যায়) যেমনঃ √মা+তৃচ= মাতা (তৃ > তা হয়েছে)

You've reached the free limit!

You can only see 30 questions with free access.

Login to upgrade