টপিকঃ বিসিএস প্রশ্ন ব্যাংক

বিষয়

বাংলা ব্যাকরণ

Free: 50 Qs

2.

নিচের কোন শব্দে ণত্ব বিধি অনুসারে ‘ণ’-এর ব্যবহার হয়েছে?

ক) কল্যাণ
খ) প্রবণ
গ) নিক্কণ
ঘ) বিপণি
Note :

'কল্যাণ' 'নিক্কণ' ও 'বিপণি' - শব্দগুলো 'ণ' - এর স্বভাবগত নিয়মে গঠিত হয়েছে। অন্যদিকে প্র, পরি, নির - এ তিনটি উপসর্গের পর 'প' - বর্গের ৫ টি (প, ফ,ব,ভ,ম) বর্ণ থাকলে তারপরে 'ন' ধ্বনি থাকলে তা মূর্ধন্য 'ণ' হয়।

3.

‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ কি?

ক) কপট ব্যাক্তি
খ) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
গ) হতভাগ্য
ঘ) মোসাহেব
Note :

'ঢাকের কাঠি' বাগধারার অর্থ : মোসাহেব , তোষামুদে । 'দহরম - মহরম' বাগধারার অর্থ : ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক , ইঁদুর কপালে/ আট কপালে বাগধারায় অর্থ হতভাগ্য।

4.

‘কুসীদজীবী’ বলতে কাদের বুঝায়?

ক) চারণকবি
খ) সাপুড়ে
গ) সুদখোর
ঘ) কৃষিজীবী

5.

‘পরশ্ব’ শব্দটির অর্থ কী?

ক) পরশু
খ) পরের ধন
গ) কোকিল
ঘ) পার্শববর্তী
Note :

'পরশ্ব' শব্দটির অর্থ গতকালের আগের দিন বা আগামীকালের পরদিন । যার অন্য অর্থ পরশু। অন্যদিকে 'পরস্ব' শব্দটির অর্থ পরের ধন বা অন্যের সম্পত্তি।

6.

কোন বানানটি শুদ্ধ

ক) সূচিষ্মিতা
খ) সূচিস্মিতা
গ) সূচীস্মিতা
ঘ) শুচিস্মিতা
Note :

শুচিস্মিতা = যে নারীর হাসি পবিত্র।

7.

সাধু ভাষা সাধারণত কোথায় অনুপযোগী?

ক) কবিতার পংক্তিতে
খ) গানের কলিতে
গ) গল্পের কলিতে
ঘ) নাটকের সংলাপে
Note :

সাধু ভাষা সাধারনত অনুপযোগী নাটকের সংলাপে।

সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী অর্থাৎ বক্তৃতা ও নাটকের সংলাপের জন্য সাধু ভাষা উপযোগী নয়।

সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি অনুসরণ করে।

8.

কোনটি বিশেষণ বাচক শব্দ?

ক) জীবন
খ) জীবনী
গ) জীবিকা
ঘ) জীবাণু
Note :

জীবনী- বিশেষণ;
জীবন- বিশেষ্য;
জীবাণু- বিশেষ্য;
জীবিকা-বিশেষ্য।

9.

বাক্যের দুটি অংশ থাকে

ক) প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ
খ) উপমা, অলংকার
গ) উদ্দেশ্য, বিধেয়
ঘ) সাধু, চলিত
Note :

প্রতিটি বাক্যে প্রধানত দুটি অংশ থাকে। যথা: ১. উদ্দেশ্য, ২. বিধেয়।
বাক্যের যে অংশ কাউকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয়, তাকে উদ্দেশ্য এবং উদ্দেশ্য সম্বন্ধে যা বলা হয়, তাকে বিধেয় বলে। যেমন: খোকা এখন (উদ্দেশ্য) বই পড়ছে (বিধেয়)।

10.

তৈল' প্রবন্ধটি লিখেছেন-

ক) সুকুমার রায়
খ) রমেশচন্দ্র মজুমদার
গ) শিবনারায়ণ রায়
ঘ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
Note :

"তৈল" প্রবন্ধটি লিখেছেন প্রখ্যাত পণ্ডিত ও সাহিত্যিক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ গবেষক এবং ঐতিহাসিক ছিলেন, যিনি প্রাচীন পুথি আবিষ্কার ও সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত।

 

11.

ধ্বনি- পরিবর্তনের নিয়মে কোনটি বর্ণ বিপর্যয়ের দৃষ্টান্ত?

ক) রতন
খ) কবাট
গ) পিচাশ
ঘ) মুলুক
Note :

শব্দের মধ্যবর্তী দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি পরস্পর স্থান বিনিময় বা অদলবদল করে উচ্চারিত হলে তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। অর্থাৎ উচ্চারণের সময় মধ্যবর্তী দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির স্থান পরিবর্তন করাকেই ধ্বনি বিপর্যয় বলে।

ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ হলো: চাকরি ˃ চারকি, লাফ ˃ ফাল, বাক্স ˃ বাস্ক, রিক্সা ˃ রিস্কা, পিশাচ ˃ পিচাশ, নকশা ˃ নশকা ইত্যাদি।

12.

দুটি পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে কোনটির?

ক) ননদ
খ) প্রিয়া
গ) শিয্যা
ঘ) আয়া
Note :

কিছু পুরুষবাচক শব্দের দুটি করে স্ত্রীবাচক শব্দ রয়েছে।
যেমন -
দেবর - ননদ (দেবরের বোন) এবং জা (দেবরের স্ত্রী)।
ভাই - বোন এবং ভাবী (ভাইয়ের স্ত্রী)।

13.

ব্রজবুলিতে কোন কবি পদাবলি রচনা করেন?

ক) চণ্ডীদাস
খ) জ্ঞানদাস
গ) বিদ্যাপতি
ঘ) গোবিন্দদাস

14.

‘যথারীতি’ কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?

ক) অব্যয়ীভাব
খ) দ্বিগু
গ) বহুব্রীহি
ঘ) দ্বন্দ্ব
Note :

অব্যয়ীভাব সমাস: পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থ প্রাধন্য থাকে, কবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়েরই অর্থযেযাগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন: যথাবিধি = বিধিকে অতিক্রম না করে। যথারীতি = রীতিকে অতিক্রম না করে।

15.

‘দ্যুলোক’ শব্দের যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) দুঃ+লোক
খ) দিব্+লোক
গ) দ্বি+লোক
ঘ) দি+লোক
Note :

”দ্যুলোক” শব্দের যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে দিব্‌   +   লোক।

নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি 'দ্যুলোক' এর যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ হল : দিব্‌   +   লোক।  আরো কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি হল : এক্  +  দশ =  একাদশ,  ষট্  +  দশ =  ষোড়শ,  মনস্  +  ঈশা =  মনীষা,  বৃহৎ  +  পতি =  বৃহস্পতি,  গো  +  পদ  =  গোষ্পদ,  দিব্  +  লোক =  দ্যুলোক,  বন্  +  পতি =  বনস্পতি,  পর্  +  পর =  পরস্পর,  আ  +  চর্য =  আশ্চর্য,  তৎ  +  কর  =  তস্কর

16.

শুদ্ধ বানান কোনটি?,,

ক) অধােগতি
খ) অধ:গতি
গ) অধগতি
ঘ) অধো:গতি

17.

মৈয়মনসিংহ গীতিকা কতটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে?

ক) ২৩ টি
খ) ২০ টি
গ) ২২ টি
ঘ) ২৫ টি
Note :

ড. দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ও সম্পাদিত 'মৈমনসিংহ গীতিকা' বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং এটি ২৩টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

18.

উর্ণনাভ’—শব্দটি দিয়ে বুঝায়–

ক) টিকটিকি
খ) তেলেপােকা
গ) উইপােকা
ঘ) মাকড়সা
Note :

উর্ণনাভ হল মাকড়সার একটি অন্য নাম। এটি সংস্কৃত শব্দ ঊর্ণা থেকে এসেছে, যার অর্থ হল "উল"। মাকড়সার জালটি উলের মতো দেখতে হওয়ায় এটিকে উর্ণনাভ বলা হয়।

19.

কোনটি অগ্নি এর সমার্থক শব্দ নয়?

ক) পাবক
খ) বইশ্যানর
গ) সর্বশুচি
ঘ) প্রজ্বলিত
Note :

'অগ্নি'র সমার্থক শব্দ নয় ' প্রজ্বলিত' । প্রজ্বলিত শব্দের সমার্থক শব্দ - উজ্জ্বল , আলোকিত, উদ্ভাসিত ,ঝলমলে, দীপ্ত ,দীপ্তিমান, প্রদীপ্ত, চকচকে ,শোভামান। পক্ষান্তরে ,'অগ্নি'র সমার্থক শব্দ - অনল ,বহ্নি , হুতাশন , পাবক, বৈশ্বানর , আগুন, দহন, সর্বভূক , সর্বশুচি, বিভাবসু।

20.

‘সংশয়’– এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

ক) নির্ভয়
খ) বিস্ময়
গ) প্রত্যয়
ঘ) দ্বিধা
Note :

”সংশয়” এর বিপরীতার্থক শব্দ প্রত্যয়।

সংশয় শব্দের অর্থ: সন্দেহ, দ্বিধা। তাই সংশয় শব্দের বিপরীত শব্দ হচ্ছে প্রত্যয়।

21.

'অন্তর্ভুক্তিমূলক' শব্দ উচ্চারণে কয়টি অক্ষর পাওয়া যায়?

ক) 5
খ) 6
গ) 7
ঘ) 8
Note :

'অন্তর্ভুক্তিমূলক' শব্দটিকে উচ্চারণ অনুযায়ী ভাঙলে ৬টি অক্ষর বা দল পাওয়া যায়: অन् (on) - তোর্ (tor) - ভুক্ (bhuk) - তো (to) - মূ (mu) - লোক্ (lok)।

22.

কোনটি নামধাতুর উদাহরণ?

ক) চল্‌
খ) কর্‌
গ) বেতা
ঘ) পড়্‌
Note :

বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অনুকার অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে নতুন ধাতুটি গঠিত হয়, তাই নাম ধাতু যেমন: বেত (বিশেষ্য) + (প্রায়) = বেতা (নামধাতু)। শিক্ষক ছাত্রটিকে বেতাচ্ছেন। আমাকে ধমকিও না ("ধমক' থেকে নাম ধাতু 'ধর্মকা')। কর, পড়, চল মৌলিক বাংলা ধাতু।

23.

“প্রোষিতভর্তৃকা”- শব্দটির অর্থ কী?

ক) ভৎসনাপ্রাপ্ত তরুণী
খ) যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে
গ) ভূমিতে প্রোথিত তরুমূল
ঘ) যে বিবাহিতা নারী পিত্রালয়ে অবস্থান করে
Note :

ভর্ৎসনাপ্রাপ্ত তরুণী / নারী - ভর্ৎসিতা

যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে - প্রোষিতভর্তৃকা

যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে - প্রোষিতপত্নীক/ প্রোষিতভার্য

যে বিবাহিতা / অবিবাহিতা নারী পিত্রালয়ে অবস্থান করে - চিরন্ট

24.

‘রবীন্দ্র’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) রবী + ইন্দ্র
খ) রবী + ঈন্দ্র
গ) রবি + ইন্দ্র
ঘ) রবি + ঈন্দ্র
Note :

ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ‘ই’-কার কিংবা ‘ঈ’-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ‘ঈ’-কার হয়। দীর্ঘ ‘ঈ’-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন: রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র, অতি + ইত = অতীত, পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা ইত্যাদি। 

25.

কোন বাক্যে সমুচ্চয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে?

ক) ধন অপেক্ষা মান বড়
খ) তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না
গ) ঢং ঢং ঘন্টা বাজে
ঘ) লেখাপড়া কর,নতুবা ফেল করবে
Note :

সমুচ্চয়ী অব্যয়ঃ যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায় তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সম্বন্ধসূচক অব্যয় বলে। যেমন : এবং, ও, কিংবা, তবু প্রভৃতি।

26.

‘গাছ পাথর’ বাগধারাটির অর্থ-

ক) ভূমিকা করা
খ) হিসাব-নিকাশ
গ) সরল বাক্য
ঘ) বাড়াবাড়ি করা
Note :

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা:

* গাছপাথর : হিসাবনিকাশ
* জগদ্দল পাথর :গুরুভার
* চক্ষু চড়ক গাছ : বিস্ময়
* চাঁদের হাট অর্থ : আনন্দের প্রাচুর্য , প্রিয়জনের সমাগম
* ব্যাঙের সর্দি : অসম্ভব ব্যাপার
* রাবণের চিতা : চির অশান্তি
* ঢাকের বায়া : মূল্যহীন / অপ্রয়োজনীয়
* গৌড়চন্দ্রিকা : ভুমিকা

27.

'স্বর্গ' শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দজোড় কোনটি?

ক) হরিদশ্ব, বিবদান
খ) ক্ষিতি, উর্বী
গ) দিমনণি, দিন নাথ
ঘ) ত্রিদিব, সুরপুর
Note :

'স্বর্গ' শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে। এর মধ্যে 'ত্রিদিব' (দেবলোক) এবং 'সুরপুর' (দেবতাদের নগর) শব্দজোড়টিই সঠিক।

28.

’ব্যাঙের সর্দি’_ অর্থ কী?

ক) রোগ বিশেষ
খ) সম্ভাব্য ঘটনা
গ) অসম্ভব ঘটনা
ঘ) প্রতারণা
Note :

ব্যাঙ্গের সর্দি বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব ঘটনা । ব্যাঙ্গের আধুলি বাগধারার অর্থ সামান্য সম্পদ ।

29.

কোন বানানটি শুদ্ধ?,

ক) পিপিলিকা
খ) পিপীলিকা
গ) পীপিলিকা
ঘ) পিপিলীকা
Note :

শুদ্ধ বানান - পিপীলিকা: (বিশেষ্য পদ) পিঁপড়া।

31.

আরবি 'কলম' শব্দটি 'কলমোস' শব্দ থেকে এসেছে। 'কলমোস' কোন ভাষার শব্দ?

ক) পাঞ্জাবি
খ) ফরাসি
গ) গ্রিক
ঘ) স্পেনিশ
Note :

আরবি ‘কলম' শব্দটি গ্রিক ‘kālamos' ও ল্যাটিন 'calamus' শব্দ থেকে এসেছে।

-গ্রিক 'kālamos ও ল্যাটিন ‘calamus’ উভয়ের মৌলিক অর্থ ‘নল’ (reed) বা ‘বেত্র’ (cane) এবং গৌণার্থ ‘নলের কলম' (reed-pen)।

32.

প্রচুর + য = প্রাচুর্য; কোন প্রত্যয়?

ক) সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
খ) তদ্ধিত প্রত্যয়
গ) বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
ঘ) কৃৎ প্রত্যয়
Note :

প্রচুর   +   য  =  প্রাচুর্য হলো সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়। শব্দের শেষে ‘র্য' বা য ফলা (J) থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে 'ষ্ণ্য বা য’ হবে। অর্থাৎ ‘র্য' থাকলে 'ষ্ণ্য বা য' হবে।

33.

Custom শব্দের পরিভাষা কোনটি যথার্থ?

ক) আইন
খ) প্রথা
গ) শুল্ক
ঘ) রাজস্বনীতি
Note :

∎‘Custom’ শব্দের পরিভাষা--প্রথা।

34.

তুমি তাে ভারি সুন্দর ছবি আঁক!’- বাক্যটিতে কোন প্রকারের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়েছে?

ক) অনুকার অব্যয়
খ) পদান্বয়ী অব্যয়
গ) অনুসর্গ অব্যয়
ঘ) অনন্বয়ী অব্যয়
Note :

যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে।

যেমন: তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক!'
প্রদত্ত উদাহরণে ‘তো’ হলো অনন্বয়ী অব্যয়, যা অন্য কোনো বাক্য বা পদের সাথে সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে আবেগসূচক ভাব প্রকাশ করেছে।

35.

কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক) মনোকষ্ট
খ) মনঃকষ্ট
গ) মণকষ্ট
ঘ) মনকস্ট
Note :

শুদ্ধ বানান মনঃকষ্ট। মনঃকষ্ট সংস্কৃত শব্দ, বিশেষ্য পদ; যার অর্থ মনের দুঃখ, মনোবেদন। মনঃকষ্ট বিসর্গ সন্ধিজাত শব্দ; যার সন্ধি বিচ্ছেদ - মনঃ + কষ্ট।

36.

শুদ্ধ বানান কোনটি?

ক) মুমুর্ষু
খ) মূমুর্ষু
গ) মুমূর্ষ
ঘ) মুমূর্ষু
Note :

শুদ্ধ বানান মুমূর্ষু ।

মুমূর্ষু এর সঠিক বানান মু + মূ + র্ষু । আর বাকি বানান গুলো - মুমুর্ষু , মূমুর্ষ, মুমূর্ষ ভুল বানান । সুতরাং সঠিক উত্তর (D) ।

37.

কোন শ্রেণির ক্রিয়া নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত?

ক) নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া
খ) সামাজিক ক্রিয়া
গ) ঐচ্ছিক ক্রিয়া
ঘ) ইচ্ছা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া
Note :

নীতিবিদ্যা হলো সমাজে বসাবাসকারী মানুষের আচরণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান যেখানে আচরণের সঠিকতা বা অসঠিকতা, ভালো বা মন্দ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়। মানুষের আচরণ বা ঐচ্ছিক ক্রিয়া (Voluntary action) হচ্ছে নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়।

38.

বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা কত?

ক) ৭ টি
খ) ৮ টি
গ) ১১ টি
ঘ) ১৩ টি
Note :

বাংলা ভাষায় স্বরবর্ণ ১১টি কিন্তু স্বরধ্বনি ৩২টি। এদের মধ্যে মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি- অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা এবং যৌগিক স্বরধ্বনি ২৫টি। যৌগিক স্বরধ্বনিগুলোর মধ্যে যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ মাত্র ২টি- ঐ, ঔ। যৌগিক স্বরধ্বনিকে দ্বিস্বর বা সন্ধিস্বর বা যৌগিক স্বরও বলা হয়। 

39.

‘কর্মে যার ক্লান্তি নেই’ ‒ এ বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কী?

ক) ক্লান্তিহীন
খ) অক্লান্ত
গ) অক্লান্ত কর্মী
ঘ) অবিশ্রাম
Note :

যাহার কোন কিছুতে ক্লান্তি নাই - অক্লান্ত/ ক্লান্তিহীন।

কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই - অক্লান্তকর্মী।

40.

সমার্থক শব্দগুচ্ছ শনাক্ত করুন-

ক) দীর্ঘিকা, নদী, প্রণালী
খ) শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ
গ) গাঙ, তটিনী, অর্ণব
ঘ) স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, সিন্ধু
Note :

কোনো শব্দের সম অর্থপূর্ণ অন্য শব্দই হলো প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ। এরুপ 'নদী'র সমার্থক শব্দ স্রোতস্বিনী, তটিনী, তরঙ্গিনী, প্রবাহিনী শৈবলিনী, কল্লোলিনী, গাঙ।

41.

‘অনুকম্পা’ শব্দের ইংরেজি কোনটি?

ক) Clemency
খ) Enthrall
গ) Erudition
ঘ) Fathom
Note :

-clemency (noun) কোমলতা, অনুকম্পা।
-অন্যান্য শব্দার্থ হলো- Enthral- দাসত্বে আবদ্ধ করা Erudition- পাণ্ডিত্য Fathom- অনুধাবন করা, গভীরতা নির্ণয় করা।

42.

সঠিক বানান নয় কোনটি?

ক) ধরণি
খ) মূর্ছা
গ) গুণ
ঘ) প্রানী
Note :

এখানে সঠিক বানান নয় এমন শব্দ ‘প্রানী’; যার সঠিক বানান প্রাণী। 

-অপর তিনটি শব্দের বানান সঠিক। 

-সঠিক শব্দুগলো হলো- ধরণি, মূর্ছা, গুণ।

43.

‘যিনি ন্যায়শাস্ত্র জানেন’ এর এককথায় প্রকাশিত রূপ হলো

ক) ন্যায়বাগীশ
খ) নৈয়ায়িক
গ) ন্যায়পাল
ঘ) ন্যায়ঋদ্ধ
Note :

যিনি ন্যায়শাস্ত্র জানেন  =  নৈয়ায়িক। ন্যায়শাস্ত্রে সুপণ্ডিত  =  ন্যায়বাগীশ। দেশের প্রশাসন ও বিচারবিভাগের অতিরিক্ত বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন বিচারক  =  ন্যায়পাল ।

44.

প্র ,পরা, অপ–

ক) বাংলা উপসর্গ
খ) সংস্কৃত উপসর্গ
গ) বিদেশী উপসর্গ
ঘ) উপসর্গ স্থানীয় অব্যয়
Note :

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে বলা হয় খাঁটি বাংলা উপসর্গ। বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা ২১ টি । উপসর্গগুলো হলো : অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড় , আন, আব, ইতি, উন (ঊনা), কদ, কু,নি, পাতি, বি, ভর, রাম , স,সা,সু,হা । যেসব উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। সংস্কৃত উপসর্গ প্রধানত ২০ টি । যথা: প্র, পরা, অপ, সম্, নি, অনু, অব, নির , দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ। আরবি, ফারসি , ইংরেজি , হিন্দি - এসব ভাষার বহু শব্দ বহুকাল ধরে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আছে। এসব উপসর্গকে বিদেশি উপসর্গ নামে অভিহিত করা হয়। বিদেশি উপসর্গের মধ্যে কতকগুলো ফারসি ও ইংরেজি উপসর্গ বাংলায় বহুল প্রচিলত।

45.

“স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়” চরণটি কার রচনা?

ক) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
খ) মধুসূদন দত্ত
গ) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
Note :

'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়?'- চরণটির রচয়িতা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়।

- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার বাকুলিয়ায় তাঁর জন্ম।
- তিনি বাংলা, ইংরেজি, সংস্কৃত ও উড়িয়া ভাষা ও সাহিত্যে ব্যুৎপন্ন ছিলেন। ছাত্রাবস্থায় ঈশ্বরগুপ্তের সংবাদ প্রভাকরএ তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়।
- তিনি নিজে কলকাতা থেকে মাসিক রস সাগর (১৮৫২) (পরিবর্তিত নাম সংবাদ সাগর) ও সাপ্তাহিক বার্তাবহ (১৮৫৬) সম্পাদনা করেন। এডুকেশন গেজেট পত্রিকা (১৮৫৫) প্রকাশিত হলে তিনি তার সহসম্পাদক নিযুক্ত হন। এতে তাঁর গদ্যপদ্য উভয় প্রকার রচনা প্রকাশিত হতো।

- রঙ্গলালের প্রথম ও প্রধান সাহিত্যকীর্তি পদ্মিনী উপাখ্যান ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
- এটি ইংরেজি কাব্যাদর্শের অনুসরণে টডের Annals and Antiquities of Rajasthan-এর কাহিনী অবলম্বনে রচিত ঐতিহাসিক রোমান্সধর্মী কাব্য।
- ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়/ দাসত্বশৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে, কে পরিবে পায়।’
- পদ্মিনী উপাখ্যানে তাঁর এই উক্তি পরবর্তীকালে স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র হিসেবে কাজ করেছে।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্য হচ্ছে:
- কর্মদেবী (১৮৬২),
- শূরসুন্দরী (১৮৬৮) ও
- কাঞ্চী কাবেরী (১৮৭৯)।

- তিনি কালিদাসের ঋতুসংহার ও কুমারসম্ভব-এর পদ্যানুবাদ (১৮৭২) করেন।
- তাঁর নীতিকুসুমাঞ্জলি (১৮৭২) সংস্কৃত নীতি ও তত্ত্বমূলক কবিতার অপর পদ্যানুবাদ।

- ১৮৮৭ খ্রিস্টাব্দের ১৩ মে তাঁর মৃত্যু হয়।

46.

‘দুরবস্থা’ শব্দটি সন্ধি বিচ্ছেদ করা হলে নীচের কোনটি পাওয়া যায়?

ক) দুর+বস্থা
খ) দুর+বস্থা
গ) দুর+অবস্থা
ঘ) দুঃ+ অবস্থা
Note :

পূর্বপদের শেষে যদি অ/ আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনির পর বিসর্গ (র - জাত) থাকে এবং পরপদের প্রথমে যদি স্বরধ্বনি থাকে তবে সন্ধির ফলে বিসর্গ 'র' হয়ে যায় এবং পরের স্বরধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন - (উঃ + অ = উ + র) দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা , চতুঃ + অঙ্গ = চতুরঙ্গ।

47.

বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কি বলে?

ক) নামপদ
খ) উপপদ
গ) প্রাতিপদিক
ঘ) উপমিত
Note :

বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।

প্রাতিপদিক : বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলে। নামপদের যেই অংশকে আর বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, তাকেই প্রাতিপদিক বলে।

যেমন - ‘হাত’। এই নাম শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি নেই। এর সঙ্গে ‘আ’ যুক্ত করে নতুন শব্দ ‘হাতা’ তৈরি করা যেতে পারে। এটিও একটি নাম শব্দ। আবার এর সঙ্গে ‘অল’ শব্দাংশ যুক্ত করে ‘হাতল’ আরেকটি নামশব্দ তৈরি করা যেতে পারে।

48.

‘বন্ধন’ শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস কোনটি?

ক) ব + ন্ + ধ + ন্
খ) বন্ + ধন্
গ) ব + ন্ধ + ন
ঘ) বান্ + ধন্
Note :

সাধারণ অর্থে অক্ষর বলতে বর্ণ বা হরফ (Letter)-কে বোঝালেও প্রকৃত অর্থে অক্ষর ও বর্ণ পরস্পরের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ নয়। অক্ষর হচ্ছে বাগযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ। আর বর্ণ বা হরফ হচ্ছে ধ্বনির চক্ষুগ্রাহ্য লিখিতরূপ বা ধ্বনি-নির্দেশক চিহ্ন বা প্রতীক। ইংরেজিতে আমরা যাকে Syllable বলে অভিহিত করি, তা-ই অক্ষর। বাংলা ‘বন্ধন’ শব্দেরও বন্ + ধন্এ দুটো অক্ষর। কিন্তু ব + ন্ + ধ + ন্– এগুলো অক্ষর নয়; এগুলো বর্ণ বা হরফ। 

49.

রাজা রামমোহন রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম কি?

ক) মাগধীয় ব্যাকরণ
খ) গৌড়ীয় ব্যাকরণ
গ) মাতৃভাষা ব্যাকরণ
ঘ) ভাষা ও ব্যাকরণ
Note :

- রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি হিসেবে 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' (১৮৩৩) রচনা করেন।
- তার অন্যান্য রচনা হচ্ছে 'বেদান্তসার' (১৮১৫), 'ভট্টাচার্যের সহিত বিচার' (১৮১৭), 'সহমরণ বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ' (১৮১৮) ইত্যাদি।

50.

‘লাঠালাঠি’- এটি কোন সমাস ?

ক) প্রাদিসমাস
খ) বহুব্রীহি সমাস
গ) তৎপুরুষ সমাস
ঘ) কর্মধারয় সমাস
Note :

ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হলাে যে সমাসে একই রূপ দুটি বিশেষ্যপদ এক সাথে বসে পরস্পর একই জাতীয় কাজ করে যেমন — কানে কানে যে কথা = কানাকানি । তৎপুরুষ সমাস হলাে যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লােপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় । যেমন — ঢেঁকিতে ছাঁটা = ঢেঁকিছাঁটা । এখানে লাঠালাঠি = লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ , অর্থাৎ এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস ।

You've reached the free limit!

You can only see 50 questions with free access.

Login to upgrade