টপিকঃ বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়

বিষয়

বাংলা ব্যাকরণ

Free: 10 Qs

1.

কোনটি ভাষার মৌলিক অংশ নয়?

ক) ধ্বনি
খ) পদক্রম
গ) শব্দ
ঘ) অর্থ
Note :

সঠিক উত্তর হলো: পদক্রম (অপশন B)।
ব্যাখ্যা:
ভাষার প্রধান বা মৌলিক অংশ চারটি:
১. ধ্বনি (Sound)
২. শব্দ (Word)
৩. বাক্য (Sentence)
৪. অর্থ (Meaning)
প্রশ্নের অপশনগুলোর মধ্যে ধ্বনি, শব্দ এবং অর্থ—এই তিনটি ভাষার মৌলিক অংশ। কিন্তু 'পদক্রম' (Word order) হলো বাক্যের অন্তর্গত পদ সাজানোর নিয়ম বা বাক্যতত্ত্বের একটি আলোচ্য বিষয়, এটি সরাসরি ভাষার মৌলিক চারটি উপাদানের নামের মধ্যে পড়ে না (সেটি হলো 'বাক্য')। তাই 'পদক্রম' সঠিক উত্তর।

2.

'Syntax' এর সমার্থক বাংলা প্রতিশব্দ হল?

ক) ধ্বনিতত্ত্ব
খ) বাক্যতত্ত্ব
গ) শব্দতত্ত্ব
ঘ) অর্থতত্ত্ব
Note :

Syntax - বাক্যতত্ত্ব।

Phonology - ধ্বনিতত্ত্ব।

Marphology - শব্দতত্ত্ব।

Semantics - অর্থতত্ত্ব।

3.

শব্দ কি দিয়ে তৈরি হয়?

ক) বস্তু
খ) ধ্বনি
গ) ভাব
ঘ) বরণ
Note :

শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ধ্বনি। ধ্বনির প্রতীককে বা হয় বর্ণ। কতগুলো ধ্বনি একত্রিত হয়ে বর্ণ তৈরি হয়। যেমন: ক্+অ = ক। এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ মিলে কোন অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শব্দ বলে। যেমন: ক+ল+ম = কলম 

4.

'বাগধারা' ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?

ক) ভাষাতত্ত্বে
খ) ধ্বনিতত্ত্বে
গ) বাক্যতত্ত্বে
ঘ) অর্থতত্ত্ব
Note :

পুরাতন নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ অনুসারে, ‘বাগধারা’ বাক্যতত্ত্বের আলোচিত বিষয়। অপরদিকে, নতুন নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ অনুসারে, ‘বাগধারা’ অর্থতত্ত্বের আলোচিত বিষয়।

5.

সাধুরীতিতে কোন পদটির দীর্ঘরুপ হয় না?

 

 

ক) বিশেষ্য
খ) সর্বনাম
গ) অব্যয়
ঘ) ক্রিয়া
Note :

- সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
- অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- তবে সাধু ও চলিত রীতিতে অব্যয় অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়।

6.

কে দার্শনিক-বিচারমূলক ব্যাকরণকে ব্যাকরণের একটি শ্রেণি বলে মনে করেন?

ক) ড. মুহম্মদ এনামুল হক
খ) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Note :

দার্শনিক-বিচারমূলক ব্যাকরণকে ব্যাকরণের একটি শ্রেণি বলে মনে করেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
ভাষ্বাচার্য ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ব্যাকরণকে প্রধানত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করেছেন:
১. বর্ণনামূলক ব্যাকরণ (Descriptive Grammar)
২. ঐতিহাসিক ব্যাকরণ (Historical Grammar)
৩. তুলনামূলক ব্যাকরণ (Comparative Grammar)
৪. দার্শনিক-বিচারমূলক ব্যাকরণ (Philosophical-Critical Grammar)
তাঁর মতে, এই শ্রেণির ব্যাকরণে ভাষার অন্তর্নিহিত চিন্তাপ্রণালী আবিষ্কার এবং তার ওপর ভিত্তি করে ভাষার রূপের উৎপত্তি ও বিবর্তন কীভাবে ঘটে, তার বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়।

7. 'Phonology' শব্দের অর্থ কী?

ক) ধ্বনিতত্ত্ব
খ) ভাষাতত্ত্ব
গ) রূপতত্ত্ব
ঘ) অর্থতত্ত্ব

8. শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশকে বলা হয়-

ক) পদ
খ) ধ্বনি
গ) কারক
ঘ) বর্ণ

9.

'Phonology' এর বাংলা প্রতিশব্দ কী?

ক) ভাষাতত্ত্ব
খ) ভাষার ধ্বনিবিজ্ঞান
গ) দর্শন তত্ত্ব
ঘ) রূপতত্ত্ব
Note :

ব্যকরনের চারটি বিষয়

১. ধ্বনিতত্ব (Phonology)

২. শব্দতত্ব ( Morphology)

৩. বাক্যতত্ত্ব( syntax)

৪. অর্থতত্ত্ব ( semantics)

10. 'Morphology'- বঙ্গানুবাদ হল-

ক) রূপতত্ত্ব
খ) ধ্বনিতত্ত্ব
গ) অর্থতত্ত্ব
ঘ) বাক্যতত্ত্ব
You've reached the free limit!

You can only see 10 questions with free access.

Login to upgrade