টপিকঃ প্রাইমারি প্রশ্ন ব্যাংক

বিষয়

বাংলা ব্যাকরণ

Free: 50 Qs

1.

কোনটি 'তদ্ভব' শব্দ?

ক) সূর্য
খ) চাঁদ
গ) চন্দ্র
ঘ) চন্দ্র
Note :

'তদ্ভব' শব্দ হলো চাঁদ। যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু প্রাকৃতের মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে। 

2.

গাড়ী "স্টেশন" ছাড়ল -বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) কর্তায় শূন্য
খ) কর্মে শূন্য
গ) অপাদানে শূন্য
ঘ) অধিকরণে শূন্য
Note :

যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত বিরত, আরম্ভ, দুরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয় তাকেই অপাদান কারক বলে ।
যেমনঃ 'গাড়ি ষ্টেশন ছাড়ে' -এ বাক্যে 'ষ্টেশন' অপাদানে শূন্য বিভক্তি । 

3.

”অহরহ” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) অহ + রহ
খ) অহঃ + রহ
গ) অহঃ + বহ
ঘ) অহঃ+অহ
Note :

অহরহ বিশেষ নিয়মে বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। এরূপ- বাচঃ+পতি=বাচস্পতি, ভাঃ+কর=ভাস্কর ইত্যাদি।

4.

'তাসের ঘর' - অর্থ কী?

ক) পূর্ণস্থায়ী
খ) ক্ষণস্থায়ী
গ) তাস খেলার ঘর
ঘ) দীর্ঘস্থায়ী
Note :

বক্তব্য বিষয়কে সৌন্দর্যমন্ডিত করার জন্য ভাষায় ব্যবহৃত বিশেষ অর্থবহ শব্দগুচ্ছকে বাগধারা বলে।
বাগধারার উদ্দেশ্য এক বা একাধিক পদের মিলনে কোন অর্থ প্রকাশ করে। যেমন— তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী), তুলসী বনের বাঘ (ভন্ড)।

5.

'অমৃত' এর বিপরীতার্থক শব্দ ---

ক) তিক্ত
খ) বিষাক্ত
গ) বিরল
ঘ) গরল
Note :

অমৃত এর বিপরীতার্থক শব্দ - গরল

6.

শুদ্ধ বানান কোনটি?

ক) বিভিষীকা
খ) বিভীষিকা
গ) বিভিষিকা
ঘ) বিভীষিকা
Note :

বিসিএস ১০ম-৪০তম আসা শুদ্ধ বানানঃ 
মুমূর্ষু। [১০ম, ২১তম]
সৌজন্য। [১১তম]
পাষাণ। [১২তম]
হাতি/ হাতী। [১৩তম]
বিভীষিকা। [১৪তম]
মুহুর্মুহু। [১৫তম]
সমীচীন। [১৮তম]
শুশ্রুষা। [২০তম]
নিত্য মূর্ধন্য-ষ কোন বানানে বর্তমান - আষাঢ়। [২০তম, ২৪তম]
শুচিস্মিতা [২১তম]
স্বায়ত্তশাসন, অভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক। [২৩তম]
দ্বন্দ্ব। [২৫তম]
নিশীথিনী। [৩১তম, ৩৩তম]
আকাঙ্ক্ষা। [৩১তম]
উর্ধ্ব (শুদ্ধ - ঊর্ধ্ব)। [৩৩তম]
পিপীলিকা। [৩৩তম]
শ্বশুর। [৩৫তম]
প্রতিযোগিতা। [৩৫তম]
মনীষী। [৩৫তম]
নিচের কোন শব্দে ণ-ত্ব বিধি অনুসারে 'ণ' -এর ব্যবহার হয়েছে - প্রবণ। [৩৬তম]
নিক্বন, সূচ্যগ্ৰ, অনুর্ধ। [৩৭তম]
স্বায়ত্তশাসন) [৩৮তম]
ত্রিভুজ। [৩৮তম]
প্রোজ্জ্বল। [৪০তম]

7.

কোনটি শুদ্ধ বাক্য?

ক) I forbade him to go
খ) The moon shines by night.
গ) Did they wrote the book?
ঘ) He stopped to write letter to me.
Note :

I forbade him to go বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ |

8.

'চক্ষুদান করা' বাগধারাটির অর্থ কি?

ক) সচেতন করা
খ) চক্ষু দান করা
গ) চুরি করা
ঘ) এর কোনোটিই নয়
Note :

'চক্ষুদান করা' বাগধারাটির অর্থ চুরি বা চুরি করা । যেমন - পকেটমার আমার মানিব্যাগটি চক্ষুদান করে নিয়ে গেল।

9.

ক্ষুধার্ত' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) ক্ষুধা + ঋত
খ) ক্ষুধ + আর্ত
গ) ক্ষুধা + রত
ঘ) ক্ষুধার + ত
Note :

'ক্ষুধার্ত' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ক্ষুধা + ঋত। 

10.

কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক) উন্মিলন
খ) উন্মিলণ
গ) উন্মীলণ
ঘ) উন্মীলন
Note :

সঠিক উত্তরটি হলো: উন্মীলন ,

11.

কোন বাগধারা দ্বারা 'ভনিতা' বোঝানো হয়?

ক) গনেশ উল্টান
খ) গৌরচন্দ্রিকা
গ) কুপমণ্ডুক
ঘ) টইটুম্বুর
Note :

গৌরচন্দ্রিকা বাগধারা দ্বারা 'ভনিতা' বোঝানো হয়।

গণেশ উল্টানো বাগধারার অর্থ - তুলে নেওয়া বোঝায়।

কূপমন্ডুক বাগধারার অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন।

টইটুম্বুর শব্দের অর্থ - কানায় কানায় পূর্ণ।

12.

'পর্বত'এর সমার্থক শব্দ নয় ----

ক) পাহাড়
খ) গিরি
গ) শিলা
ঘ) শৈল
Note :

পর্বত এর সমার্থক শব্দ - পাহাড়, অচল, গিরি, শৈল, ভূধর, অদ্রি, মহীধর।

শিলা শব্দের সমার্থক শব্দ - পাথর, প্রস্তর, পাষাণ, উপল, মনি।

13.

‘গুণহীনের বৃথা আস্ফালন ‘ - এর অর্থ নিচের কোন প্রবাদের মাধ্যমে বোঝানো যায় ?

ক) আসলে মুষল নেই, ঢেঁকি ঘরে চাঁদোয়া
খ) অসারের তর্জন গর্জন সার
গ) কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন
ঘ) ঘুঘু দেখেছো, ফাঁদ দেখনি
Note :

গুণহীনের ব্যর্থ আস্ফালন = অসারের তর্জন-গর্জন সার।
- 'আসলে মুষল নেই ও ঢেকি ঘরে চাদোয়া' অর্থ - গুরুত্বপূর্ন কাজে মন না দিয়ে কম গুরুত্বপূর্ন কাজে মন দেয়া।
- 'ঘুঘু দেখেছ ফাদ দেখনি' অর্থ - কোন কাজের কঠিন অংশ না দেখে শুধু সহজ অংশ দেখা।
- 'কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন' অর্থ - অযোগ্যের বিপরীত নামকরণ।

14.

বাংলা ভাষার মধ্যযুগ--

ক) ১২০১ থেকে ১৫০০ খ্রিস্টাব্দ
খ) ৬০০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ
গ) ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ
ঘ) ৮০০ থেকে ১০০০ খ্রিস্টাব্দ
Note :

বাংলা সাহিত্যের কালবিচারে ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে মধ্যযুগ বলা হয়। এ সময়টি মূলত মুসলমানদের আগমন থেকে শুরু করে ব্রিটিশ উপনিবেশ স্থাপনের পূর্ব পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের মূল ভিত্তি ছিল ধর্মীয় দেব-দেবী ও পীর-দরবেশদের কেন্দ্র করে রচিত বিভিন্ন আখ্যান l বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগকে প্রধানত তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়: 

অন্ধকার যুগ (১২০১ - ১৩৫০): তুর্কি আক্রমণের ফলে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এ দেড়শ বছর উল্লেখযোগ্য কোনো সাহিত্যকর্ম রচিত হয়নি। ঐতিহাসিকরা একে 'অন্ধকার যুগ' হিসেবে চিহ্নিত করেন। [

আদি-মধ্যযুগ (১৩৫০ - ১৫০০): এই যুগে বাংলা সাহিত্যে পদাবলি ও মঙ্গলকাব্যের ভিত্তি স্থাপিত হয়। এ যুগের উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হলো বড়ু চণ্ডীদাসের লেখা 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'।

মধ্য-মধ্যযুগ (১৫০০ - ১৮০০): চৈতন্যদেবের আবির্ভাবকে কেন্দ্র করে বৈষ্ণব পদাবলি ব্যাপক বিকাশ লাভ করে। এছাড়া মুঘল আমলে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান, অনুবাদ সাহিত্য (যেমন—কৃত্তিবাসের রামায়ণ, কাশীরামের মহাভারত) এবং আরাকান রাজসভার বাংলা সাহিত্য রচিত হয়

15.

”কর্বুর” শব্দের অর্থ--

ক) করণীয়
খ) রাক্ষস
গ) গন্ধদ্রব্যবিশেষ
ঘ) রাসায়নিক পদার্থ
Note :

কর্বুর" (বা কর্বূর) শব্দের অন্যতম প্রধান অর্থ হলো রাক্ষস।

16.

'লাজওয়াব' শব্দটির 'লা' কোন ধরনের উপসর্গ?

ক) ফারসি
খ) হিন্দি
গ) ইংরেজি
ঘ) আরবি
Note :

বাংলা ভাষায় আগত আরবি উপসর্গ: আম, খাস, গর, লা। আরবি ‘লা’ উপসর্গযোগে ‘না’ অর্থে লাপাত্তা, লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ প্রভৃতি শব্দ গঠিত হয়েছে।

17.

'দিনের আলো ও সন্ধ্যার আলোর মিলন'--এককথায়

ক) সায়াহ্ন
খ) প্রদোষ
গ) অপরাহ্ন
ঘ) গোধূলি
Note :

'দিনের আলো ও সন্ধ্যার আলোর মিলন'-কে এক কথায় গোধূলি বলা হয়। 

18.

কোনটি অর্থ-তৎসম শব্দ?

ক) গেঞ্জি
খ) গিন্নী
গ) লুঙ্গি
ঘ) হস্তী
Note :

গিন্নী' (বা গিন্নি) একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ

শব্দটি যেভাবে এসেছে:

সংস্কৃত (তৎসম) শব্দ: গৃহিণী

পরিবর্তিত রূপ (অর্ধ-তৎসম): গিন্নী

অর্থ: গৃহকর্ত্রী বা পত্নী 

19.

অধিকরণ কারকের উদাহরণ কোনটি?

ক) তিলে তৈল আছে
খ) দুধ থেকে ঘি হয়
গ) তিল থেকে তেল হয়
ঘ) মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়
Note :

ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান (আধার) বা সময়কে (কাল) অধিকরণ কারক বলে। বাক্যের ক্রিয়াপদকে "কোথায়", "কখন" বা "কী বিষয়ে" দিয়ে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়।

'তিলে তৈল আছে' বাক্যটিতে 'তিলে' হলো অধিকরণ কারক। কারণ, এখানে তেল তিলের ভেতরে অবস্থান করছে বা বিরাজ করছে, যা আধার বা স্থান বোঝাচ্ছে। এটি অভিব্যাপক অধিকরণের উদাহরণ (তিলে তৈল আছে)। 

20.

অল্প "শোকে" কাতর---বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) কর্তৃ কারকে ২য়া
খ) করণ কারকে ৭মী
গ) অপাদান কারকে ৭মী
ঘ) অধিকরণ কারকে ৭মী
Note :

সঠিক উত্তর করণ কারকে ৭মী

অল্প শোকে কাতর। বাক্যটিতে শোকে শব্দটি করণ কারকে ৭মী। কারণ, করণ শব্দটির অর্থ - যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনেরর যন্ত্র, সহায়ক বা উপকরণকেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যের ক্রিয়াপদকে "কীসের দ্বারা" বা " কী উপায়ে" প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই করণ কারক। প্রদত্ত বাক্যে "কিসের দ্বারা" কাতর প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় শোক । আর "য়" ৭মী বিভক্তি। তাই সঠিক উত্তর: করণ কারকে ৭মী।

21.

এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি - বাক্যটি কোন কালের ?

ক) সাধারণ অতীত
খ) নিত্যবৃত্ত অতীত
গ) ঘটমান বর্তমান
ঘ) পুরোঘটিত বর্তমান
Note :

এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি' – এই বাক্যটি পুরাঘটিত বর্তমান (Present Perfect) কালের  l কারণ:যে ক্রিয়াটি মাত্র কিছুক্ষণ আগে শেষ হয়েছে (যেমন: পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়া) কিন্তু তার ফলাফল বা রেশ এখনও বর্তমান রয়েছে (অর্থাৎ আপনি এখনও উত্তীর্ণ হওয়ার আনন্দ বা স্বীকৃতি উপভোগ করছেন), তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ক্রিয়াপদের শেষে 'ইয়াছি', 'ইয়াছ', 'য়াছে' বা সংক্ষেপে 'এছি', 'এছ', 'এছে' যুক্ত থাকলে সেটি পুরাঘটিত বর্তমান কাল নির্দেশ করে।

22.

'সুরভি' এর বিপরীতার্থক শব্দ-

ক) কৃশ
খ) শুভ্র
গ) পূতি
ঘ) সুশীল

23.

'ধার' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে ---

ক) ধি + অর
খ) ধী + অর
গ) ধার + অ
ঘ) ধা +র
Note :

-ধার শব্দটি ধার + অ থেকে এসেছে। 

-ধার শব্দটির অর্থ হলো ঋণ নেওয়া। 

-অ শব্দটি একটি স্বরবর্ণ। 

-দুটি স্বরধ্বনির মিলন হলে প্রথম স্বরধ্বনি লোপ পায়। 

-তাই ধার + অ = ধার।

24.

বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের যে সমাস হয় তার নাম কী?

ক) বহুব্রীহি সমাস
খ) দ্বন্দ্ব সমাস
গ) কর্মধারয় সমাস
ঘ) তৎপুরুষ সমাস
Note :

বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হলে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।

25.

”এমন ছেলে আর দেখিনি” বাক্যে ”ছেলে” শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) কর্তায় শূন্য
খ) কর্মে শূন্য
গ) পাদানে শূন্য
ঘ) অধিকরণে মূন্য
Note :

”এমন ছেলে আর দেখিনি” বাক্যে ”ছেলে” শব্দটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।

যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে,  তাকে কর্ম কারক বলে।

ক্রিয়ার সঙ্গে 'কী' বা 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়,  তা - ই কর্ম কারক।

যেমন: ডাক্তার ডাক।  তাকে বলো।  ইত্যাদি।

26.

'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকটির রচয়িতা কে?

ক) নবীনচন্দ্র সেন
খ) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) মনমোহন বসু
ঘ) সৈয়দ শামসুল হক
Note :

* সৈয়দ শামসুল হক একজন বিখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক।
* কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাঁকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়।
* সৈয়দ শামসুল হক মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান।
* বাংলা একাডেমী পুরস্কার পাওয়া সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে কম বয়সে এ পুরস্কার লাভ করেছেন।
 

শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' (১৯৭৬)।
* এর রচনাকাল ১ মে থেকে ১৩ জুন, ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড শহরে।
* মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ শেষে মুক্তিবাহিনীর গ্রামে প্রবেশের ঘটনা এ নাটকে স্থান পেয়েছে।

তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক: 
* নূরলদীনের সারা জীবন (১৯৮২),
* ‘গণনায়ক’ (১৯৭৬),
* ‘এখানে এখন’ (১৯৮৮),
* ‘ঈর্ষা ।

27.

নিচের কোনটি অর্ধতৎসম শব্দ ?

ক) কুচ্ছিত
খ) ভবন
গ) পাত্র
ঘ) গৃহিণী
Note :

কুচ্ছিত - অর্ধতৎসম শব্দ। কারণ, কুৎসিত(তৎসম) < কুচ্ছিত (অর্ধ তৎসম)।
সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলি সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে কিন্তু শব্দগুলির যথাযথ রূপ রক্ষা পায়নি, বিকৃত হয়ে গেছে, তাদের অর্ধতৎসম শব্দ বলে। যেমন: নিমন্ত্রণ শব্দটি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসে 'নেমন্তন্ন' হয়ে গেছে। এটি অর্ধতৎসম শব্দ।
- তৎসম,অর্ধতৎসম ও তদ্ভব এই তিন ধরনের শব্দ মিলে বাংলা ভাষার শরীর গঠিত হয়েছে

- তৎসম ও তদ্ভব (তৎ+ভব) শব্দ গুলো ব্যবহার শুরু করে ছিলেন প্রাকৃত ভষার ব্যাকরন রচয়িতারা।

- বাংলা ভাষার শতকরা বায়ান্ন(৫২) টি শব্দ অর্ধতৎসম ও তদ্ভব শব্দ

- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ রয়েছে শতকরা চুয়াল্লিশটি(৪৪)

- বাংলা ভাষায় শতকরা ছিয়ানব্বইটি মৌলিক বাংলা শব্দ রয়েছে।।

28.

বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি?

ক) চিরসুখ
খ) সুগন্ধি
গ) খেয়াঘাট
ঘ) আজীবন
Note :

সঠিক উত্তর সুগন্ধি

বহুব্রীহি সমাস চেনার উপায় হলো এই সমাসে সমস্যমান পদ গুলোর কোনটির অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদের অর্থ প্রাধান্য পায়। ব্যাসবাক্য যে, যিনি, যার প্রভৃতি শব্দ থাকে।

29.

শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত =উচ্ছৃঙ্খল‘ কোন সমাস?

ক) দ্বন্দ্ব
খ) তত্‍পুরুষ
গ) বহুব্রীহি
ঘ) অব্যয়ীভাব
Note :

"শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত" = "উচ্ছৃঙ্খল" হলো অব্যয়ীভাব সমাস।

30.

"রূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে ডিঙা বায়’ কবিতার চরণে কবি কোন রূপসার কথা বলেছেন?

ক) রূপসী ডিঙা
খ) রূপসী বাংলা
গ) রূপসা নদী
ঘ) গ্রামবাংলার নদী
Note :

সঠিক উত্তর রূপসা নদী

পাতা:রুপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে—এই বাংলায়হয়তো মানুষ নয়—হয়তো বা শঙ্খচিল শালিখের বেশে;হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশেকুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল - ছায়ায়;হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসেজলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়; হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে;হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলের ডালে;হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশু এক উঠানের ঘাসে;রূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালেডিঙা বায়;—রাঙা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়েদেখিবে ধবল বক: আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভিড়ে–

31.

সাদা মেঘে বৃষ্টি হয় না- এখানে মেঘে কোন কারক?

ক) কর্ম কারক
খ) অপাদান কারক
গ) সম্প্রদান কারক
ঘ) অধিকরণ কারক
Note :

সাদা মেঘে বৃষ্টি হয় না -  এখানে মেঘে অপাদান কারক।

যা থেকে কিছু বিচ্যুত,  গৃহীত,  জাত,  বিরত,  আরম্ভ,  দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয় তাদের অপাদান কারক বলে।  যেমন সাদা মেঘে বৃষ্টি হয় না এখানে 'মেঘে' হল অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।

32.

. কোনটি শুদ্ধ বানান?,,

ক) প্রতিদ্বন্দী
খ) প্রতিদ্ন্দ্বী
গ) প্রতিদ্বন্দ্বী
ঘ) প্রতিদন্দি
Note :

সংস্কৃত/ইন/ প্রত্যয়ান্ত শব্দের বাংলা পুরুষবাচক রূপ ঈ - কারন্ত হয়। যেমন - উপকারী, দেশদ্রোহী, পারদর্শী, প্রতিদ্বন্দ্বী, প্রভৃতি শব্দ।

33.

‘শীতার্ত’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) শীত+আর্ত
খ) শীতা+অর্ত
গ) শীতা+র্ত
ঘ) শীত+ঋত
Note :

তৎসম স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে, অ-কার কিংবা আ-কারের পর ‘ঋত’ শব্দ থাকলে উভয়ে মিলে ‘আর্’ হয়। এর ফলে বানানে পূর্ববর্তী বর্ণে ‘আ-কার’ (া) এবং পরবর্তী বর্ণে ‘রেফ’ ( র্ ) যুক্ত হয়। যেমন: শীত্ + অ + ঋত = শীত্ + আর্ + ত = শীতার্ত।


 

34.

কোন বাংলা পদের সাথে সন্ধি হয় না?

ক) বিশেষ্য
খ) বিশেষণ
গ) ক্রিয়া
ঘ) অব্যয়
Note :

ক্রিয়াপদের সাথে কোনো সন্ধি হয় না।  মূল কারণসমূহ

গঠনগত বৈশিষ্ট্য: বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়াপদ মূলত বিভক্তি এবং প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়, যা ধ্বনিগত পরিবর্তনের (সন্ধি) নিয়ম মানে না।

উৎপত্তিগত পার্থক্য: খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধির নিয়ম ক্রিয়াপদের রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না।

35.

”যিনি অধিক কথা বলেন না”-- এক কথায় কী হবে?

ক) অল্পভাষী
খ) সংযম
গ) মিতভাষী
ঘ) সন্ন্যাসী
Note :

”যিনি অধিক কথা বলেন না”— এক কথায় প্রকাশ করলে হবে মিতভাষী। যিনি মেপে বা প্রয়োজন অনুযায়ী কথা বলেন, তাকে মিতভাষী বলা হয় ।

36.

সৌভাগ্যের বিষয়' কথাটি কোন বাগধারা দিয়ে বঝানো হয়েছে?

ক) কেউকেটা
খ) শাপে বর
গ) ব্যাঙের আধুলি
ঘ) একাদশে বৃহস্পতি
Note :

সঠিক উত্তর একাদশে বৃহস্পতি,একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটির দ্বারা বুঝায় সৌভাগ্যের বিষয়।একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটির অর্থ : মহা সৌভাগ্য, অত্যন্ত সুসময়। সুতরাং সঠিক উত্তর হবে একাদশে বৃহস্পতি।

37.

বাংলা ভাষায় যতি বা ছেদচিহ্ন মোট কতটি ?

ক) ৯টি
খ) ১০টি
গ) ১১টি
ঘ) ১২টি
Note :

বাংলা ব্যাকরণ ও প্রমিত ব্যবহার অনুযায়ী বাংলা ভাষায় প্রধান বা প্রচলিত যতি (বা ছেদ/বিরাম) চিহ্ন হলো ১২টি।

38.

‘পণ্ডিতমূর্খ’ পদটির ব্যাসবাক্য নিচের কোনটি?

ক) জ্ঞান থাকতেও যিনি মূর্খ
খ) পাণ্ডিত্যে যিনি মূর্খ
গ) পণ্ডিত হয়েও যিনি মূর্খ
ঘ) পাণ্ডিত্যের দ্বারা যিনি মূর্খ
Note :

- যে সকল সমাস কোনো নিয়মের অধীন নয়, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস বলে।
 যেমন:
- পণ্ডিত হয়েও যে মূর্খ = পণ্ডিতমূর্খ।
- নরাকারের পশু যে = নরপশু।

39.

আকাশে চাঁদ উঠেছে এখানে 'আকাশে ' কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক) অধিকরণে সপ্তমী
খ) সম্প্রদানে চতুর্থী
গ) করণে ষষ্ঠী
ঘ) কর্মে শুন্য
Note :

আকাশে চাঁদ উঠেছে— এখানে "আকাশে" হলো অধিকরণ কারক এবং এতে ৭মী (সপ্তমী) বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। 

কারক: স্থান বা সময়কে অধিকরণ কারক বলে। চাঁদটি আকাশে অবস্থান করছে, তাই 'আকাশ' অধিকরণ কারক।

বিভক্তি: শব্দের শেষে 'এ', 'য়', 'তে' ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি থাকলে তাকে ৭মী বিভক্তি বলা হয়। আকাশে শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি রয়েছে। 

 

40.

কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ?

ক) পর+পর=পরস্পর
খ) বাক+দান=বাগদান
গ) উৎ+ছেদ=উচ্ছেদ
ঘ) সম+সার=সংসার
Note :

এখানে, পর + পর = পরস্পর সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ। ব্যাকরণের সাধারণ বা বিশেষ কোনো নিয়মানুসারে যখন কোনো কর্ম ব্যাখ্যা করা যায় না, অথচ তা সংঘটিত হয়, তখন সেই ব্যতিক্রমকে বৈধতা দেয়ার নাম নিপাতনে সিদ্ধ।

41.

”দর্শনীয়” শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

ক) দৃশ + অনীয়
খ) দৃশ্য + অনীয়
গ) দৃশ্য + নীর
ঘ) দৃশ +নীয়
Note :

সঠিক উত্তর দৃশ + অনীয়

”দর্শনীয়” শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে দৃশ + অনীয়। স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে। যেমন : দর্শনীয় = দৃশ + অনীয়, সিংহাসন = সিংহ + আসন, বিদ্যালয় = বিদ্যা + আলয়, হিমালয় = হিম + আলয়, ইত্যাদি। দেখা যাচ্ছে 'অ' এবং 'আ' মিলে স্বরসন্ধিতে 'আ' হয়।

42.

'অর্বাচীন'এর বিপরীতার্থক শব্দ -----

ক) তরুণ
খ) অচেনা
গ) নবীন
ঘ) প্রাচীন
Note :

অর্বাচীন শব্দের অর্থ নবীন, আধুনিক, অপ্রবীণ। সুতরাং অর্বাচীন - এর বিপরীত শব্দ প্রাচীন।

43.

'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত ?

ক) বিপরীত
খ) অভাব
গ) নিখুঁত
ঘ) নিকৃষ্ট
Note :

'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়।  'মান' শব্দের বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে 'মান'-এর পূর্বে 'অপ' উপসর্গ যোগ করে 'অপমান' শব্দটি তৈরি হয়েছে

44.

'বেসাতি' শব্দের প্রকৃত অর্থ কোনটি?

ক) বস্ত্র
খ) আশ্রয়
গ) নির্লজ্জতা
ঘ) কেনাবেচা
Note :

”বেসাতি” শব্দের প্রকৃত অর্থ কেনাবেচা।

বেসাতি শব্দের আরো কিছু অর্থ হলো : কেনাবেচা, দোকানদারি, দোকানদার, পসারি, বেনে, ফেরিওয়ালা ইত্যাদি।

45.

”উচাটন”-এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

ক) ঊর্ধ্বটান
খ) প্রশান্ত
গ) উঁচুনিচু
ঘ) উত্তাল
Note :

”উচাটন”-এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রশান্ত।
বিশ্লেষণ:
উচাটন শব্দের অর্থ: অস্থির, উৎকণ্ঠিত বা চঞ্চল।
প্রশান্ত শব্দের অর্থ: শান্ত, ধীরস্থির বা নিস্তরঙ্গ।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: প্রশান্ত (অপশন B)।

46.

কোনটি শুদ্ধ বাক্য?

ক) He dares g there.
খ) I came in when he was writing.
গ) The police were informed of the matter.
ঘ) Matin is good than his brother
Note :

"The police were informed of the matter." বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ। 

47.

কোন শব্দে ‘সম্যক’ অর্থে ‘পরা’ উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে?

ক) পরাধীন
খ) পরাজয়
গ) পরামর্শ
ঘ) পরাকাষ্ঠা
Note :

বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো এমন কিছু শব্দাংশ, যা সাধারণত নামশব্দ বা কৃদন্ত পদের আগে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করে। 'পরা' উপসর্গটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, যা বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে 'পরামর্শ' শব্দটিতে 'পরা' উপসর্গটি 'সম্যক' (ভালোভাবে বা উত্তমরূপে) বা 'নিশ্চয়' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

48.

'অলীক' এর বিপরীত শব্দ -

ক) সত্য
খ) আশা
গ) মিথ্যা
ঘ) অনীষা
Note :

কিছু বিপরীত শব্দ: অলীক → বাস্তব/সত্য; মিথ্যা → সত্যি; অলৌকিক →লৌকিক। 

49.

ধ্বনি উচ্চারণে মানব শরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ জড়িত সেগুলোকে একত্রে কী বলে?

ক) শ্বাসনালী
খ) গলনালি
গ) বাগযন্ত্র
ঘ) স্বরযন্ত্র
Note :

ধ্বনি উচ্চারণে মানব শরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ (যেমন- ফুসফুস, কণ্ঠনালি, স্বরতন্ত্রী, জিহ্বা, তালু, দাঁত, ঠোঁট, নাক) সরাসরি জড়িত বা সাহায্য করে, সেগুলোকে একত্রে বাক্‌-প্রত্যঙ্গ (Speech Organs) বা বাগ্‌যন্ত্র বলা হয়

50.

' যা দীপ্তি পাচ্ছে ' এক কথায় প্রকাশ করুন

ক) আলোকিত
খ) দীপ্যমান
গ) দীপ্তিমান
ঘ) উজ্জ্বল
Note :

'যা দীপ্তি পাচ্ছে' — এর সঠিক বাক্য সংকোচন হলো 'দীপ্যমান'।

You've reached the free limit!

You can only see 50 questions with free access.

Login to upgrade