ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে ঘুরে আসতে যে সময় লাগে, তাকে কী বলে?

ক) সৌর বছর
খ) কসমিক ইয়ার
গ) আলোক ইয়ার
ঘ) পলিসার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহগুলো যেমন প্রতিনিয়ত সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, তেমনি সূর্য ও তার গ্রহগুলোসমেত তার নিজ গ্যালাক্সির চারপাশে ঘুরছে।
- আবার এই গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ তার অন্তর্ভুক্ত তারকারাজিসহ নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে সর্বদা পরিভ্রমণরত। ছায়াপথে তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে একবার ঘুরে আসতে যে সময় লাগে, তাকে 'কসমিক ইয়ার' বা 'কসমিক বর্ষ' বলে।
- একইভাবে সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর যে সময় লাগে, তাকে 'সােলার ইয়ার' (Solar year) বা, সৌর বছর' বলে।

Related Questions

ক) মেরু অঞ্চলে
খ) নিরক্ষরেখায়
গ) উত্তর গোলার্ধে
ঘ) দক্ষিণ গোলার্ধে
Note :

নিরক্ষরেখায়--দিন-রাত্রি সর্বত্র সমান.এছাড়া, প্রতি বছর ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর বিষুবরেখার ওপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়, যার ফলে এই দুটি দিনে পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান ১২ ঘণ্টা করে হয়。

ক) প্রাকৃতিক পরিবেশ
খ) সামাজিক পরিবেশ
গ) বায়বীয় পরিবেশ
ঘ) সাংস্কৃতিক পরিবেশ
Note :

জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। অতিরিক্ত মানুষের চাহিদা মেটাতে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য, কাটা হচ্ছে গাছপালা এবং দূষিত হচ্ছে মাটি, পানি ও বায়ু। 

ক) কমপ্যাক, ১৯৮৫
খ) এপসন, ১৯৮১
গ) আইবিএম, ১৯৮৩
ঘ) অ্যাপল, ১৯৭৭
ক) ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা
খ) ফ্রেয়নকে বাষ্পে পরিণত করা
গ) ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো।
ঘ) ক ও খ
Note :

রেফ্রিজারেটরের মধ্যে একটি শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠ থাকে, যাকে ঘিরে থাকে ফাঁপা নলের তৈরি বাষ্পীভবন কুণ্ডলী। এই কুণ্ডলীর মধ্যে উদ্বায়ী পদার্থ ফ্রেয়ন থাকে এবং এক একটি সংকোচন পাম্প বা কমপ্রেসর চালু করা হলে নলের ভিতরের চাপ কমে যাওয়ায় ফ্রেয়ন দ্রুত বাষ্পীভূত হয়। ফ্রেয়ন বাষ্পীভূত হওয়ার সময় বাষ্পীভবনের জন্য প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠ থেকে নেয় বলে এখানে শীতলীকরণ ঘটে। পরবর্তীকালে বাষ্পীভূত ফ্রেয়নকে গনীভূবন কুণ্ডলীর মধ্যে এনে কমপ্রেসরের সাহায্যে সঙ্কুচিত বা ঘনীভূত করে পুনরায় তরলে পরিণত করা এবং ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা এই উভয় কাজই কমপ্রেসর করে থাকে। তবে কমপ্রেসরের প্রধান কাজ হলো ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা।

ক) আলট্রা-ভ্যায়োলেট রশ্মি
খ) বিটা রশ্মি
গ) আলফা রশ্মি
ঘ) গামারশ্মি
Note :

জীব জগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলো গাম রশ্মি । গামা রশ্মির বেদন ক্ষমতা, অন্য তেজস্ক্রিয় রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি। গামা রশ্মি প্রায় কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত সীসা ভেদ করতে পারে। আলট্রাভায়োলেট অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে, যা তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে কম ক্ষতিকর।

ক) কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু
খ) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
গ) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি জমাট বাঁধা
ঘ) ওপরের সবগুলো
Note :

ক্যান্সার মূলত কোষের ডিএনএ-তে ক্ষতিকর পরিবর্তন বা মিউটেশনের কারণে হয়, যা কোষের অনিয়ন্ত্রিত ও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটায়। প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে জিনগত ত্রুটি বা বংশগত প্রভাব, ধূমপান বা তামাক সেবন এবং ক্ষতিকর বিকিরণ বা রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শ।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন