বিদ্যাপতি কোথাকার কবি ছিলেন?
বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার রাজসভায় কবি। রাজা শিবসিংহ তাকে 'কবিকণ্ঠহার' উপাধিতে ভূষিত করেন। তার রচিত কয়েটি বইয়ের নাম - পুরুষ পরীক্ষা, কীর্তিলতা, গঙ্গাবাক্যাবলি, ভাবগত ইত্যাদি। কৃষ্ণনগর রাজসভার কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাকে এ উপাধি প্রদান করেন। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে - 'অন্নদামঙ্গল' আরাকান রাজসভার কবিদের মধ্যে অন্যতম কয়েকজন হলো : দৌলিত কাজী, মরদন, কোরেশী মাগন ঠাকুর , আলাওল।
Related Questions
লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনী, গা, , ছড়া ইত্যাদিকে বলা লোকসাহিত্য।
লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম নির্দশন হলো - ছড়া / প্রবচন ও ধাঁধা।
লোকসাহিত্যের উপাদান মূলত গ্রামীণ এলাকার অখ্যাত সাহিত্যিকদের রচনা।
বাংলা ভাষায় প্রথম সাময়িকপত্র 'দিকদর্শন' প্রকাশকাল ১৮১৮ । সম্পাদক জন ক্লার্ক মার্শম্যান। বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ (দিকদর্শন, সমাচার দর্পণ, বেঙ্গল গেজেট) পত্রিকা প্রকাশিত হয় হুগলি জেলার শ্রীরামপুরের খ্রিষ্টান মিশনারিদের তত্ত্বাবধানে, তার মধ্যে 'দিকদর্শন' অন্যতম।
• দীনবন্ধু মিত্র ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা নাটকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার।
- দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম নাটক নীলদর্পণ প্রকাশিত হয় ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে।
- এর পরে ১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় নাটক নবীন তপস্বিনী।
- দীনবন্ধু মিত্র-এর দুটি উৎকৃষ্ট প্রহসন হলো সধবার একাদশী ও বিয়ে পাগলা বুড়ো।
- ১৮৭২ খ্রিষ্টাব্দে তার অপর এক প্রহসন জামাই বারিক প্রকাশিত হয়।
- ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয় তার সর্বশেষ নাটক কমলে কামিনী।
- নাটক ছাড়াও দুখানি কাব্যগ্রন্থও দীনবন্ধু রচনা করেছিলেন – দ্বাদশ কবিতা (১৮৭২) ও সুরধুনী কাব্য (প্রথম ভাগ – ১৮৭১ ও দ্বিতীয় ভাগ – ১৮৭৬)।
জব সলুশন