বাংলার আদি জনপদের অধিবাসীরা কোন জাতির অন্তর্ভুক্ত?
অস্ট্রিক গোষ্ঠীর 'নিষাদ' জাতি হিসেবেও অভিহিত করা হতো। যেহেতু বাংলার আদি অধিবাসীরা ছিল অস্ট্রিক ভাষাভাষী, তাই তাদের 'নিষাদ' জাতির অন্তর্ভুক্ত বলা হয়। 'বাঙালি' একটি সংকর জাতি যা পরবর্তীকালে বিভিন্ন জাতির মিশ্রণে গঠিত হয়েছে।
Related Questions
- প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো অস্ট্রিক , দ্রাবিড় , নেগ্রিটো ও ভোটসিনিয় ।
- উল্লিখিত চারটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গঠিত হয়েছে ।
- ভারতে বা বাংলায় মানুষের উদ্ভব হয়নি, আগমন হয়েছিল।
- প্রথমে আসে নিগ্রোবটু বা নেগ্রিটো সম্প্রদায়ের মানুষ। এরা প্রাগৈতিহাসিক যুগে স্থলপথে আফ্রিকা থেকে ভারতবর্ষে আসে।
- এরপর পর্যায়ক্রমে প্রোটো অস্ট্রালয়েড, অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় জাতির আগমন ঘটে।
- দ্রাবিড় জাতি এসে অস্ট্রিক জাতির উপর প্রভাব বিস্তার করে।
- দ্রাবিড় আগমনের সামসময়িককালে ভোটচীনীয় বা মঙ্গোলীয় জাতির আগমন ঘটে।
- অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও মঙ্গোলীয় জাতির সংমিশ্রণে গড়ে ওঠে (অস্ট্রিক) বাঙালি জাতি। যাদেরকে নিষাদ জাতিও বলা হয়।
- এরপর খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ শতকে ভারতবর্ষে (বাংলায়) আর্যরা প্রবেশ করে এবং অস্ট্রিক জাতির উপর প্রভাব বিস্তার করে।
- এভাবে আর্য ও অনার্য আদিম অধিবাসীদের সংমিশ্রণে এক নতুন সংকর জাতিগোষ্ঠীর উদ্ভব ঘটে। যারা পরবর্তীতে বাঙালি নামে পরিচিত হয়।
- তবে নৃতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের মানুষের উপর আদি-অস্ট্রেলীয় প্রভাব বিদ্যমান।
বাঙালি পণ্ডিত শীলভদ্র ছিলেন প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র নালন্দা মহাবিহারের (বর্তমানে ভারতের বিহার রাজ্যে অবস্থিত) প্রধান আচার্য বা অধ্যক্ষ। তার খ্যাতি এতটাই ছিল যে হিউয়েন সাং-এর মতো পরিব্রাজকরা তার কাছে জ্ঞানার্জনের জন্য আসতেন।
জব সলুশন