'ধর্মাধর্ম' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হল-
একটি স্বরসন্ধি। অ-কারের পর অ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার (া) হয়। সুতরাং, ধর্ম + অধর্ম = ধর্মাধর্ম।
Related Questions
ব্যঞ্জনসন্ধির একটি নিয়ম। 'ৎ'-এর পর 'ঝ' থাকলে, 'ৎ'-এর স্থলে 'জ' এবং 'ঝ' অপরিবর্তিত থাকে। সুতরাং, কুৎ + ঝটিকা = কুজ্ঝটিকা। অপশন 'কুৎ + ঝটিকা' সঠিক।
ধনুষ্টঙ্কার শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ধনুঃ + টঙ্কার। এটি একটি বিসর্গ সন্ধি।
ব্যাকরণের নিয়ম: ই-কার কিংবা উ-কারের পর বিসর্গ (ঃ) থাকলে এবং এরপর 'ট' বা 'ঠ' থাকলে, বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য-ষ (ষ্) হয়। এখানে 'ধনুঃ'-এর উ-কারান্ত বিসর্গের পর 'ট' থাকায় বিসর্গটি 'ষ্'-এ পরিণত হয়ে 'ষ্ট' যুক্তবর্ণ তৈরি করেছে।
শব্দের অর্থ: 'ধনুষ্টঙ্কার' বলতে সাধারণত ধনুকের ছিলার শব্দ বা জ্যা-এর শব্দকে বোঝায়। এছাড়া এটি এক প্রকার মারাত্মক সংক্রামক রোগ (Tetanus)-এর নাম।
প্রৌঢ়' একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি। এর সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো 'প্র + ঊঢ়'।
'কাঁদ্ + না = কান্না' একটি খাঁটি বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধি। এটি নিপাতনে সিদ্ধ, কারণ এটি কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না।
'মনোযোগ' শব্দটি 'মনঃ + যোগ' এই বিসর্গসন্ধির মাধ্যমে গঠিত। তাই এটি একটি বিসর্গসন্ধি।
বিসর্গসন্ধির একটি নিয়ম। বিসর্গের পর স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ 'র'-এ পরিণত হয়। সুতরাং, দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা।
জব সলুশন