'ইউনেস্কো' কত সালে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ?

ক) ১৯৯৮
খ) ১৯৯৯
গ) ২০০০
ঘ) ২০০৫
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

ইউনেস্কো (UNESCO) ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় । এই ঘোষণার মাধ্যমে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগকে আন্তর্জাতিক মর্যাদা দেওয়া হয়। ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে

Related Questions

ক) ব্যাকরণবিদ
খ) বৈয়াকরণ
গ) ব্যাকরণিক
ঘ) বৈয়াকরণিক
Note :

বৈয়াকরণ বানানটি  শুদ্ধ। 

অর্থ: ব্যাকরণে পণ্ডিত ব্যক্তি বা যিনি ব্যাকরণ রচনা করেন (ব্যাকরণবিদ)।

অনেকে ভুলবশত 'বৈয়াকরণিক' শব্দটি ব্যবহার করেন, যা বাংলা অভিধানে গ্রহণযোগ্য নয়। 

ক) অটবি, বিটপী
খ) হেম, সুবর্ণ
গ) তটিনী, ঝর্ণা
ঘ) ধরা, মেদিনী
Note :

অটবি এবং বিটপী শব্দ দুটি সমার্থক নয়। 

অটবি শব্দের অর্থ: বন বা অরণ্য।

বিটপী শব্দের অর্থ: গাছ, বৃক্ষ বা তরু

ক) কুরঙ্গ
খ) ভুজঙ্গ
গ) করী
ঘ) কেশরী
Note :

হাতি শব্দের সর্বাধিক ব্যবহৃত এবং পরিচিত সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দগুলো হলো:

গজ

হস্তী

করী

মাতঙ্গ

কুঞ্জর

দ্বিপ

বারণ [1, 2]

ক) গাম্ভীর্য
খ) প্রমিত উচ্চারণ
গ) তৎসম শব্দের বহুল ব্যবহার
ঘ) ব্যাকরণ অনুসরণ করে চলে
Note :

প্রমিত উচ্চারণ হলো চলিত ভাষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য l চলিত ভাষা সাধারণত মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে এবং প্রমিত উচ্চারণ ও বানানবিধি মেনে এর আদর্শ রূপটি নির্ধারিত হয়।চলিত ভাষার অন্যান্য প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

সংক্ষিপ্ত রূপ: সর্বনাম (যেমন- তাহারা -> তারা) ও ক্রিয়াপদের (যেমন- করিতেছি -> করছি) সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।

সহজবোধ্যতা: বাক্য গঠন সহজ, সাবলীল ও স্পষ্ট হয়।

তদ্ভব শব্দের আধিক্য: চলিত রীতিতে তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে।

সর্বজনীনতা: এটি দেশের সকল মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও বোধগম্য একটি আদর্শ ভাষারীতি। 

ক) সংস্কৃত থেকে
খ) গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে
গ) মাগধী প্রাকৃত থেকে
ঘ) মৈথিলী থেকে
Note :

ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল ফারসি।
- ভারত উপমহাদেশে তুর্কি, মোগল, আফগান ও ইরানি প্রভৃতি বিভিন্ন মুসলিম রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- এই রাজবংশগুলোর মূল ও দাপ্তরিক ভাষা ছিল ফারসি।
- ফলস্বরূপ, তৎকালীন সময়ে প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, সাহিত্য এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ফারসি ভাষার বহুল ব্যবহার শুরু হয়।
- উল্লেখ্য, এই সময়ে ফারসি, আরবি এবং স্থানীয় ভাষাগুলোর সংমিশ্রণে উর্দু ভাষা বিকশিত হতে থাকে।

ক) বাংলা
খ) সংস্কৃত
গ) আরবি
ঘ) ফারসি
Note :

ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল ফারসি।
- ভারত উপমহাদেশে তুর্কি, মোগল, আফগান ও ইরানি প্রভৃতি বিভিন্ন মুসলিম রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- এই রাজবংশগুলোর মূল ও দাপ্তরিক ভাষা ছিল ফারসি।
- ফলস্বরূপ, তৎকালীন সময়ে প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, সাহিত্য এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ফারসি ভাষার বহুল ব্যবহার শুরু হয়।
- উল্লেখ্য, এই সময়ে ফারসি, আরবি এবং স্থানীয় ভাষাগুলোর সংমিশ্রণে উর্দু ভাষা বিকশিত হতে থাকে।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন