বাংলা গদ্যের জনক কে?

ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলা গদ্যের জনক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর । তিনি বাংলা গদ্যকে প্রথম সার্থক রূপ দেন, যতিচিহ্নের ব্যবহার করেন এবং বাংলা ভাষার গদ্যরীতিকে সুশৃঙ্খল ও গতিশীল করেন । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে 'বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছিলেন ।

Related Questions

ক) ধূমকেতু
খ) সবুজপত্র
গ) ভারতী
ঘ) সওগাত
Note :

কাজী নজরুল ইসলাম বেশ কয়েকটি বিখ্যাত পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও তাঁর নিজ সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকাগুলো হলো: [1]

ধূমকেতু: এটি তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবচেয়ে আলোচিত ও বিদ্রোহী পাক্ষিক পত্রিকা।

লাঙল: এটি ছিল তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি বামপন্থী-সাহিত্যিক পত্রিকা।

দৈনিক নবযুগ: এটি তিনি কমরেড মুজফ্‌ফর আহমদের সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন।

ক) চার
খ) পাঁচ
গ) ছয়
ঘ) সাত
Note :

একটি আদর্শ ব্যক্তিগত পত্রে সাধারণত ৬টি অংশ থাকে । অংশগুলো নিচে ক্রমানুসারে দেওয়া হলো:

 

১. মঙ্গলসূচক শব্দ: চিঠির শুরুতে ঈশ্বর বা আল্লাহর নাম স্মরণ করে কোনো মঙ্গলসূচক শব্দ বা বাক্য (যেমন: 'আল্লাহ মহান', 'শ্রী শ্রী হরি সহায়') লেখা।
২. স্থান ও তারিখ: পত্র লেখকের ঠিকানা এবং পত্র লেখার তারিখ। এটি সাধারণত চিঠির ওপরের ডান দিকে লেখা হয়।
৩. সম্ভাষণ বা সম্ভোধন: প্রাপক ও লেখকের সম্পর্ক অনুযায়ী সম্বোধন করা (যেমন: 'শ্রদ্ধেয় বাবা', 'প্রিয় বন্ধু', 'স্নেহের ছোট ভাই')।
৪. মূল বিষয় (পত্রগর্ভ): এটি চিঠির মূল অংশ। এখানে সাধারণত তিনটি অনুচ্ছেদ থাকে— সূচনা, মূল বক্তব্য (খবরাখবর আদান-প্রদান) এবং উপসংহার বা বিদায় সম্ভাষণ।
৫. নিবেদন ও স্বাক্ষর: পত্র লেখকের নাম ও প্রাপকের সঙ্গে তার সম্পর্ক নির্দেশক শব্দ (যেমন: 'ইতি— তোমার স্নেহের পুত্র')।
৬. শিরোনাম/খাম: চিঠির খামের ওপর প্রাপক ও প্রেরকের নাম এবং ঠিকানা সুন্দরভাবে লেখা।

ক) সুসময়
খ) দুঃসময়
গ) অলীক বস্তু
ঘ) শেষ রক্ষা
Note :

একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটির অর্থ হল সৌভাগ্যের বিষয় । পোয়াবারো বাগধারাটির অর্থ সৌভাগ্য ।

ক) অধিকরণ কারক
খ) করণ কারক
গ) অপাদান কারক
ঘ) কর্মকারক
Note :

ক্রিয়া পদের সঙ্গে নাম পদের সম্পর্ককে কারক বলে। বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ হতে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, উৎপন্ন, ভীত ও রক্ষিত হয় তাকে অপাদান কারক বলে। চেনার উপায়: ‘হতে’, ‘থেকে’, ‘চেয়ে’ অনুসর্গ বা বিভক্তি চিহ্ন দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়।

এখানে ‘গাড়ী স্টেশন ছাড়ল’ বলতে বোঝায় গাড়িটি স্টেশন থেকে বিচ্যুত হয়েছে বা চলে গেছে। কোনো স্থান থেকে বিচ্যুত হওয়া বোঝালে সেটি অপাদান কারক হয়। তাই ‘স্টেশন’ শব্দটি অপাদান কারক।

ক) দাঁড়ি
খ) কমা
গ) কোলন
ঘ) ড্যাস
Note :

বাক্যের শেষে ব্যবহৃত বিরাম চিহ্নগুলোকে প্রান্তিক বা অন্ত্য বিরাম চিহ্ন বলা হয় ।

প্রান্তিক বিরামচিহ্ন ৩টি। : দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ (।), প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) এবং বিস্ময়বোধক চিহ্ন (!)  ।

ক) অব্যয়ীভাব
খ) নঞ তৎপুরুষ
গ) উপপদ তৎপুরুষ
ঘ) নিত্য সমাস
Note :

না বাচক নঞ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে সমাস হয় তাই নঞ তৎপুরুষ সমাস।
যেমন: বে (নয়) আইনি = বেআইনি; নয় কাঁড়া = আকাঁড়া ।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন