নিচের কোন শব্দটি দ্বন্দ্ব সমাস?
ক) বেশভূষা
খ) নিঃসহায়
গ) মানবহৃদয়
ঘ) শতাব্দী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'বেশভূষা'র ব্যাসবাক্য হলো 'বেশ ও ভূষা'। এখানে উভয় পদের অর্থই প্রাধান্য পাওয়ায় এটি দ্বন্দ্ব সমাস। অন্যগুলো ভিন্ন সমাস বা সমাসবদ্ধ পদ নয়।
Related Questions
ক) গাছপাকা
খ) বিদ্যালয়
গ) সিংহাসন
ঘ) দিলদরিয়া
Note :
তৎসম স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে ,অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়;আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয় ।
যেমনঃ বিদ্যা+আলয় (আ+আ=আ)=বিদ্যালয় ।
- গাছে পাকা=গাছপাকা (৭মী তৎপুরুষ সমাস );
- সিংহ চিহ্নিত আসন=সিংহাসন (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস );
- দিল রুপ দরিয়া =দিলদরিয়া
ক) সংকোচন করে
খ) সংক্ষেপ করে
গ) অর্থবোধক করে
ঘ) বিস্তৃত করে
Note : সমাসের প্রধান কাজ হলো একাধিক পদকে মিলিয়ে একটি পদে পরিণত করে ভাষাকে সংক্ষেপ ও গতিশীল করা। 'সংকোচন' অর্থের বিকৃতি বোঝাতে পারে, তাই 'সংক্ষেপ' বেশি উপযুক্ত।
ক) সন্ধি
খ) প্রত্যয়
গ) সমাস
ঘ) পুরুষ
Note : এটি সমাসের একটি প্রমিত সংজ্ঞা। যখন পরস্পর অর্থগত সম্পর্কযুক্ত দুই বা তার বেশি পদ মিলিত হয়ে একটি নতুন পদ গঠন করে, তখন সেই প্রক্রিয়াটিকে সমাস বলে।
ক) সংশ্লেষণ
খ) বিশ্লেষণ
গ) সংক্ষেপণ
ঘ) সংযোজন
Note : 'সমাস' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো সংক্ষেপ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভাষাকে সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর করা।
ক) বিগ্রহবাক্য
খ) সমস্ত বাক্য
গ) সমাসবাক্য
ঘ) ব্যাসবাক্য
Note : 'বিগ্রহবাক্য', 'সমাসবাক্য' এবং 'ব্যাসবাক্য' সমাসের গঠন ব্যাখ্যাকারী বাক্যের সমার্থক নাম। 'সমস্ত পদ' হলো সমাসের ফলে গঠিত পদ। কিন্তু 'সমস্ত বাক্য' সমাসের সাথে সম্পর্কিত কোনো পরিভাষা নয়।
ক) সরল বাক্য
খ) বিগ্রহবাক্য
গ) যৌগিক বাক্য
ঘ) জটিল বাক্য
Note :
'ব্যাসবাক্য', 'বিগ্রহবাক্য' এবং 'সমাসবাক্য'—তিনটিই সমার্থক। এগুলো সমস্ত পদের গঠন ও অর্থ ব্যাখ্যা করতে ব্যবহৃত হয়।
জব সলুশন