সকলের জন্য প্রযোজ্য’- এক কথায় কী হবে ?
* সর্বজনের হিতকর- সর্বজনীন;
* সকলের জন্য মঙ্গলকর- সর্বজনীন;
* সকলের জন্য প্রযোজ্য- সর্বজনীন;
* সকলের জন্য অনুষ্ঠিত- সর্বজনীন।
* সবার মধ্যে প্রবীণ/জ্যেষ্ঠ- সার্বজনীন।
Related Questions
• যেসকল শব্দের লিঙ্গান্তর হয় না সেগুলো নিত্য পুরুষবাচক অথবা নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ।
• নিত্য পুরুষবাচক শব্দ- কবিরাজ, কেরানী, দরবেশ, সরকার, জামাতা, রাষ্ট্রপতি, পীর, সেনাপতি, সভাপতি ইত্যাদি।
• নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ- সতীন, দাই, সধবা, পরী, অপ্সরা, এয়ো, বিধবা, কুলটা ইত্যাদি।
বিশেষ নিয়মে সাধিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
(ক) যে সব পুরুষবাচক শব্দের শেষে ‘তা’ আছে, সেগুলোর শেষে ‘ত্রী’ হয়।
যেমন- ধাতা-ধাত্রী, নেতা-নেত্রী, কর্তা-কর্ত্রী, শ্রোতা- শ্রোত্রী
(খ) পুরুষবাচক শব্দের শেষে বান, মান, অত, ঈয়ান থাকলে স্ত্রীবাচক শব্দে যথাক্রমে অতী, বতী, মতী, ঈয়সী হয়।
যেমন- সৎ-সতী, শ্রীমান-শ্রীমতি, বুদ্ধিমান-বুদ্ধিমতী, গরীয়ান-গরিয়সী, মহৎ-মহতী, গুণবান-গুণবতী, রূপবান-রূপবতী।
(গ) বিশেষ নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:যুবক-যুবতী, শ্বশুর-শ্বশ্রূ, নর-নারী, বন্ধু-বান্ধবী, সম্রাট- সম্রাজ্ঞী, রাজা-রাণী, দেবর- জা, শিক্ষক- শিক্ষয়িত্রী, স্বামী-স্ত্রী, পতি-পত্নী, সভাপতি-সভানেত্রী।
অশুদ্ধ: বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ।
শুদ্ধ: বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
অশুদ্ধ: অন্যায়ের ফল দুর্নিবার্য।
শুদ্ধ: অন্যায়ের প্রতিফল অনিবার্য।
অশুদ্ধ: সে অপমান হইয়াছে।
শুদ্ধ: সে অপমানিত হইয়াছে।
অশুদ্ধ: উত্পন্ন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন।
শুদ্ধ: উত্পাদন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন।
জব সলুশন