স্বাধীনতা লগ্নে বাংলাদেশের জেলা ছিল কয়টি?

ক) 19
খ) 21
গ) 32
ঘ) 64
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডে যেসকল জেলা বিদ্যমান ছিল সেগুলো বৃহত্তর জেলা হিসেবে পরিচিত। 
- দেশ ভাগের পূর্বে পূর্ববঙ্গে ১৫ টি জেলা ছিল। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় নদীয়া জেলা থেকে বৃহত্তর কুষ্টিয়াকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে জেলার সংখ্যা হয় ১৬ টি। পরবর্তীতে গণভোটের মাধ্যমে বৃহত্তর সিলেট পাকিস্তানে যোগদান করলে জেলা হয় ১৭ টি।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে জেলা ছিল ১৯ টি; পাকিস্তান শাসনামলে ১৯৬৯ সালে টাঙ্গাইল ও পটুয়াখালী জেলার সৃষ্টি হয়।

Related Questions

ক) নবান্ন
খ) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
গ) ইবলিশ
ঘ) কীত্তনখোলা
Note :

"পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়" সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য।

‘নূরলদীনের সারাজীবন’ সৈয়দ শামসুল হকের নাটক। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। ‘কবর’ মুনির চৌধুরী রাচিত '৫২ - এর ভাষা আন্দোলন বিষয়ক নাটক এবং কিত্তনখোলা সেলিম - আল দীন রচিত নাটক।

ক) ইউ কে চিং
খ) মায়েম চ্যাং
গ) লুইপা
ঘ) উয়েন মারমা
Note :

ইউ কে চিং মারমা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে খেতাব প্রাপ্ত একমাত্র আধিবাসী মুক্তিযোদ্ধা । যিনি বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত। তিনি ইপিআর এর সদস্য হিসাবে ৬ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। তিনি ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে বান্দরবান মহকুমার উজানি পাড়ায় জন্মগ্রহন করেন।

ক) ১০ নং
খ) ৯ নং
গ) ৪ নং
ঘ) ৭ নং
Note :

মুক্তিযুদ্ধের সময় একমাত্র ব্যতিক্রমধর্মী সেক্টর হল ১০ নং সেক্টর।
মুক্তিযুদ্ধকালীন ১১টি সেক্টরের মধ্যে ১০নং সেক্টরটি ছিল নৌ - সেক্টর। নৌবাহিনীর আটজন বাঙালি কর্মকর্তার সমন্বয়ে এই সেক্টর গঠন করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালে ১০নং সেক্টরে ছিল নদী ও বঙ্গোপসাগর।
একে তিনটি সাব - সেক্টরে ভাগ করা হয়।
এ সেক্টরে কোনো নিয়মিত কমান্ডার ছিল না। এটি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল।

ক) এপ্রিল ১০, ১৯৭১
খ) এপ্রিল ১১, ১৯৭১
গ) এপ্রিল ১২, ১৯৭১
ঘ) এপ্রিল ১৩, ১৯৭১
Note :

৪ এপ্রিল বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ বাহিনী গঠিত হয়। ১১ এপ্রিল এ বাহিনীকে সম্প্রসারণ করে পুনর্গঠন করা হয়। এরপর ১২ এপ্রিল লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এম. এ. রবকে চিফ অব স্টাফ করে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাহিনীর কার্যক্রম শুরু করা হয় এবং একই সাথে কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ বাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপিত হয়।

ক) ১ নং সেক্টর
খ) ২ নং সেক্টর
গ) ৪ নং সেক্টর
ঘ) ৯ নং সেক্টর
Note :

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর ২ নং সেক্টরের অধীনে ছিল। (২ নং সেক্টরের অধীনে ছিল - নোয়াখালী জেলা, কুমিল্লা জেলার আখাউড়া - ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত এবং ফরিদপুর ও ঢাকার অংশবিশেষ)

ক) ৫ নং সেক্টর
খ) ৭ নং সেক্টর
গ) ৯নং সেক্টর
ঘ) ১১ নং সেক্টর
Note :

নারী বীরপ্রতীক মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তার জন্ম স্থান হলো রাজীবপুর, কুড়িগ্রাম।

তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫৭ সালে।

ডা. সেতারা বেগম যুদ্ধ করেন ২ নং সেক্টরে।

জব সলুশন

বাংলাদেশ রেলওয়ে — সহকারী স্টেশন মাস্টার 2026-05-16

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন-বেঞ্চ সহকারী 2026-05-16

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় — শ্রম পরিদর্শক (সেফটি) 2026-05-11

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ- মেট্রোপলিটন সার্কেল- পোস্টাল অপারেটর/মেইল অপারেটর 2026-05-02

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর — রেকর্ড কিপার 2026-05-02

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী ২৪-০৪-২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন