নিচের কোনটিতে সাধুভাষা সাধারণত অনুপযোগী?
সাধুরীতির বৈশিষ্ট্য সমূহ:
১. সাধুরীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণ রীতি অনুসরণ করে।
২. সাধুরীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
৩. এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
৪. সাধুরীতি সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী অর্থাৎ বক্তৃতা ও নাটকের সংলাপের জন্য সাধুভাষা উপযোগী নয় ।
৫. সাধুরীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া পদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি অনুসরণ করে।
৬. সাধু ভাষার একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি লেখ্য ভাষা।
Related Questions
এরুপ ক্ষেত্রে বাক্যের ভাব বুঝেই 'কী' এর অর্থ নিরুপণ করতে হবে। সে হিসেবে এর অর্থ 'ভয়' 'রাগ বা 'বিপদ' নয়, অবশ্যই 'বিরক্ত'।
সূর্যের প্রতিশব্দ- রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, আদিত্য, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, পুষা, সূর, মিত্র, দিনপতি, বালকি, অর্ষমা ইত্যাদি।
বাক্য পাঠকালে সুস্পষ্টতা দেখানোর জন্য যেখানে স্বল্প বিরতির প্রয়োজন, সেখানে কমা ব্যবহৃত হয়।
বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসে যেমন - ৬৮, নবাব সিরাজউদৌলা রোড, কুষ্টিয়া - ৭০০০।
ব্যাকরণের প্রধান ও মৌলিক আলোচ্য বিষয় চারটি ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম এবং অর্থতত্ত্ব। শব্দতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় সমাস ,কারক, বচন, উপসর্গ, প্রত্যয়, বিভক্তি, লিঙ্গ।
উপাকারীর উপকার স্বীকার করে যে - কৃতজ্ঞ।
ঈমান নেই যার - বৈঈমান।
উপকারীর অপকার করে যে - কৃতঘ্ন।
জব সলুশন