শুষ্ক বরফ বলা হয়-
হিমায়িত বা কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইডকে শুষ্ক বরফ বা ড্রাই আইস বলা হয়। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি সাধারণ বরফের মতো গলে তরল না হয়ে সরাসরি বাষ্পীভূত হয়।
Related Questions
বিদ্যুৎ চমকালে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় আর আমরা সাধারণ দিনে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি তার থেকে আলাদা কিছুই নয়। যখন আকাশে অনেক মেঘ করে তখন জলীয়বাষ্পগুলো এত ঠান্ডা হয়ে যায় যে বরফের আকার ধারণ করে এবং এগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এই সব সংঘর্ষের ফলে ইলেক্ট্রিক চার্জ এর উৎপত্তি হয়। এভাবে চলতে চলতে একসময় মেঘের ঐ পুরো এলাকাটুকুই ইলেক্ট্রিক চার্জ এ পরিপূর্ণ হয়ে যায়। মেঘের উপরে পজিটিভ চার্জ আর নিচে সৃষ্টি হয় নেগেটিভ চার্জ। যেহেতু বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে তাই মেঘের নিচের দিকে থাকা নেগেটিভ চার্জগুলো ভূমিতে বিদ্যমান অসংখ্য পজিটিভ চার্জ এর দিকে আসতে চায় আর যখনই তা কোন পর্বত, মানুষ বা একা দাঁড়িয়ে থাকা কোন গাছের কাছাকাছি আসে তার দিকে ছুটে যায়। উঁচু পর্বত বা গাছের মাথায় সহজেই পজিটিভ চার্জ গুলো পৌঁছতে পারে তাই এসব স্থানে বিদ্যুৎ পড়ার হার ও অনেক বেশি।
কারেন্ট শক খাওয়ার পূর্বশর্ত হলো ধনাত্মক ও ঋণাত্মক লাইন একসাথে স্পর্শ করা বা বর্তনী পূর্ণ করা। কিন্তু পাখি কখনো একসাথে দুই তারে বসে না। এরা হয় শুধু ধনাত্মক নয়, শুধু ঋণাত্মক তারে বসে। ফলে বর্তনী পূর্ণ হয় না, ফলে পাখি মরে না। কিন্তু পাখিটি যদি অন্য তার স্পর্শ করে কিংবা ভূ - সংযুক্ত কোনো পরিবাহীর সংস্পর্শে আসে, তাহলে বর্তনী পূর্ণ হবে এবং এর ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার ফলে পাখিটি মারা যাবে।
সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি পরিমাণ হয় লাল আলোতে এবং সামগ্রিকভাবে উদ্ভিদের ক্ষেত্রে এটি সমুদ্রের শৈবাল বা ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন দ্বারা সবচেয়ে বেশি ঘটে। আলোর তরঙ্গের ভিত্তিতে: লাল আলো: এই আলোতে সালোকসংশ্লেষণের হার সবচেয়ে বেশি হয়। নীল আলো: লাল আলোর পর নীল আলোতে এই প্রক্রিয়াটি বেশি কার্যকর হয়। সবুজ আলো: সবুজ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম বা একেবারে হয় না বললেই চলে (কারণ উদ্ভিদ সবুজ আলো প্রতিফলিত করে দেয়)।
ক্ষতস্থান থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে ভিটামিন কে। এটি রক্ত জমাট বাঁধতে (blood clotting) বা প্রোথ্রম্বিন প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে, যা রক্তপাত দ্রুত বন্ধ করে।
সঠিক উত্তর হলো কোনটিই নয়। প্রদত্ত ফলগুলোতে স্যালিসিলিক এসিড থাকে না; বরং আমলকীতে এমাইনো এসিড ও ভিটামিন সি, কমলালেবুতে সাইট্রিক এসিড এবং আঙ্গুরে টারটারিক এসিড থাকে।
জব সলুশন