১৯৩০ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন দেশ--
১৯৩০ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন দেশ হলো উরুগুয়ে ...... উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত এই ফাইনাল ম্যাচে তারা আর্জেন্টিনাকে ৪-২ গোলে পরাজিত করেছিল । এই ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে উরুগুয়ে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তোলে এবং প্রথম আয়োজক দেশ হিসেবেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে
Related Questions
ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাস আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৩০ সালে। প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল ১৩ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণ আমেরিকার দেশ উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত হয়। সেই প্রথম আসরে কেবল ১৩টি দেশ অংশ নিয়েছিল এবং ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ৪-২ গোলে হারিয়ে উরুগুয়ে প্রথম শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করে।
মানবদেহে সাধারণত ২৩ জোড়া ক্রোমেমােজোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জােড়া স্ত্রী ও পুরুষে একই রকম। এদের অটেজোম বলা হয়। বাকি এক জোড়া মানুষের লিঙ্গ নির্ধরণ করে বলে এদের সেক্স ক্রোমোজোম বলে।
নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটে । ফলে পাতাগুলু হলুদ হয়ে যায় । কচি পাতাগুলু শেষে হলুদ হয় এবং পীত বর্ণ ধারণ করে। পাতার বর্ণ পরিবর্তন হওয়াকে ক্লোরোসিস বলে ।
রক্তের লোহিত কণিকা তার আয়ু শেষে প্লীহায় জমা হতে থাকে।
- প্লীহায় উপস্থিত ম্যাক্রোফেজ মেয়াদোত্তীর্ণ লোহিত রক্তকণিকাকে ভক্ষণ করে।
- যার ফলে হিমোগ্লোবিন লোহিত রক্তকণিকা থেকে বাইরে বের হয়ে আসে এবং বিলিরুবিন নামক রঞ্জক পদার্থে রূপান্তরিত হয়।
- এই রঞ্জক পদার্থ যকৃতে যেয়ে আরো রূপান্তরিত হয়ে বিলিরুবিন হয় এবং পিত্তরস এর মাধ্যমে দেহ থেকে নিষ্ক্রান্ত হয়।
- যকৃতের ডানদিকের অংশে পেয়ালার মতো পিত্তরস ধারণকারী একটি থলে থাকে, একে পিত্তথলি বলে।
- পিত্তথলি ৭-৮ সে.মি. লম্বা।
- পিত্তথলি থেকে পিত্ত ডিওডেনামে উন্মুক্ত হয়।
- পিত্তরস স্নেহ জাতীয় খাবার পরিপাক করে থাকে।
সাবানকে শক্ত করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে সোডিয়াম সিলিকেট (Sodium Silicate)। এছাড়া সাবান তৈরির সময় ফিলার হিসেবে এটি যোগ করা হয় এবং লবণাক্ততার জন্য সোডিয়াম ক্লোরাইডও সাবানকে শক্ত ও দানাদার করতে সাহায্য করে।
ভিটামিন সি এর অপর নাম অ্যাসকরবিক এসিড , যা পানিতে দ্রবণীয় । বিভিন্ন টক জাতীয় ফল ও টাটকা শাক -সবজিতে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
জব সলুশন