মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
১৯৭১ সালে সংগঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচলনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের সমগ্র ভূখণ্ডকে ১১টি যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করা হয়।
Related Questions
বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা ৪ জানুয়ারি ১৯৯০ সালে চালু হয় । এই ব্যবস্থাটি রংপুরের মিঠাপুকুরে প্রথম চালু করা হয়েছিল।
"অপরাজেয় বাংলা" ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত একটি ভাস্কর্য। ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ-এর তৈরি এই ভাস্কর্যটিতে ৩টি মূর্তির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে ছাত্র, কৃষক ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করা হয় এবং এটি স্বাধীনতার চেতনার প্রতীক।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ।
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভেলি। নরওয়ের অধিবাসী ট্রিগভেলি ১৯৪৬ - ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
UNESCO (The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization) হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা। ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর UNESCO এর সংবিধান স্বাক্ষরিত হয় যা কার্যকর হয় ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর। ইউনেস্কোর সদরদপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত। UNESCO এর প্রধানের পদবি মহাপরিচালক। ইউনেস্কোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৪টি এবং সহযোগী সদস্য ১২টি। বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোতে যোগ দেয়। ইউনেস্কোর সর্বশেষ সদস্য ফিলিস্তিন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল গত ১ জানুয়ারি ২০১৯ ইউনেস্কো ত্যাগ করে। আবার ১০ জুলাই ২০২৩ যুক্তরাষ্ট্র ইউনেস্কোর সদস্যপদ ফিরে পায়।
সর্বশেষ আপডেটেঃ ০২ অক্টোবর, ২০২৩
জব সলুশন