‘কার্টাগেনা’ প্রটোকল হচ্ছে-
জীবপ্রযুক্তির ব্যবহার দ্বারা পরিমার্জিত প্রাণের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত 'কার্টাগেনা প্রটোকল' ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয়, যা কার্যকর হয় ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৩। বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে এটি স্বাক্ষর করে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। কার্টাগেনা প্রটোকলের পুরো নাম Carthage Protocol on Bio safety to the Convention on Biological Diversity.
Related Questions
মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো ১৯৭৩ সালে সর্বপ্রথম তেল অস্ত্র ব্যবহার করেছিল। ১৯৭৩ সালের অক্টোবর মাসে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই কৌশল নেওয়া হয়.
আমেরিকা মহাদেশের রোমান ভাষাভাষী অধ্যুষিত অংশকে ল্যাটিন আমেরিকা বলে । ল্যাটিন ভাষা হতে উদ্ভুত ভাষা (যেমন- স্প্যানিস, পর্তুগিজ এবং ফ্রেঞ্চ) কে রোমান ভাষা বলে।
ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো হলো :
১. আর্জেন্টিনা,
২. বলিভিয়া,
৩. চিলি,
৪. কোস্টারিকা,
৫. ব্রাজিল,
৬. কলম্বিয়া,
৭. কিউবা,
৮. ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র,
৯. ইকুয়েডর,
১০. এলসালভেদর,
১১. গুয়েতমালা,
১২. হন্ডুরাস,
১৩. মেক্সিকো,
১৪. পেরু,
১৫. পানামা,
১৬. প্যারাগুয়ে,
১৭. নিকারাগুয়া,
১৮. পোর্টেরিকো,
১৯. উরুগুয়ে ও
২০. ভেনিজুয়েলা।
দীর্ঘ দিনের চলমান সংঘাত অবসানে ২০১১ সালের ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের ভিত্তিতে দক্ষিণ সুদান ৯ জুলাই ২০১১ থেকে বিশ্বের নবীনতম (১৯৫ তম) স্বাধীন দেশ হিসেবে যাত্রা শুরুর সুযোগ পায়।
∎ ইরাকে কখন মার্কিন-বৃটিশ যৌথ সাময়িক অভিযান শুরু হয়---২০০৩ সালের ২০ মার্চ।
২০২৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত, ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে মোট ১২ জন ব্যক্তি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- এই তালিকায় রয়েছেন ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নোবেলজয়ীরা, যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন।
- তারা হলেন:
- সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৩): তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন।
- পদার্থবিজ্ঞানে চন্দ্রশেখর ভেঙ্কটরমণ (১৯৩০): 'রমন এফেক্ট' আবিষ্কারের জন্য তিনি পুরস্কৃত হন।
- চিকিৎসাবিজ্ঞানে হরগোবিন্দ খোরানা (১৯৬৮): জেনেটিক কোড ব্যাখ্যার জন্য তিনি নোবেল পান।
- শান্তিতে মাদার তেরেসা (১৯৭৯): কলকাতায় দরিদ্র ও অসুস্থদের সেবায় তার অবদানের জন্য তিনি এই পুরস্কার পান।
- পদার্থবিজ্ঞানে আবদুস সালাম (১৯৭৯): পাকিস্তানের এই বিজ্ঞানী ইলেকট্রোউইক মিথস্ক্রিয়া তত্ত্বের জন্য নোবেল লাভ করেন।
- পদার্থবিজ্ঞানে সুব্রামানিয়াম চন্দ্রশেখর (১৯৮৩): তারার গঠন ও বিবর্তন বিষয়ক গবেষণার জন্য তিনি পুরস্কৃত হন।
- অর্থনীতিতে অমর্ত্য সেন (১৯৯৮): কল্যাণ অর্থনীতিতে তার অবদানের জন্য তিনি নোবেল পান।
- শান্তিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস (২০০৬): গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং ক্ষুদ্রঋণ ধারণার জন্য বাংলাদেশের এই অর্থনীতিবিদ নোবেল জয় করেন।
- রসায়নে ভেঙ্কটরমণ রামকৃষ্ণ (২০০৯): রাইবোসোমের গঠন ও কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণার জন্য তিনি নোবেল পান।
- শান্তিতে কৈলাশ সত্যার্থী (২০১৪): শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে তার সংগ্রামের জন্য তিনি এই পুরস্কার পান।
- শান্তিতে মালালা ইউসুফজাঈ (২০১৪): নারী শিক্ষার প্রচারে তার ভূমিকার জন্য পাকিস্তানের এই তরুণী নোবেল লাভ করেন।
- অর্থনীতিতে অভিজিৎ ব্যানার্জি (২০১৯): বৈশ্বিক দারিদ্র্য বিমোচনে তার পরীক্ষামূলক পদ্ধতির জন্য তিনি নোবেল পান।
সুইডেনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হ্যান্স ব্লিক্স ইরাকে তদন্ত কমিশন পরিচালনা এবং এতদসম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সংগঠন ও পরাশক্তি রাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতার অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে লিখেন ‘ডিজ আর্মিং ইরাক’ নামক বইটি।
- উল্লেখ্য, সালমান রুশদীর ‘স্যাটানিক ভার্সেস’ এবং হিলারী ক্লিনটনের ‘লিভিং হিস্ট্রি’ আলোচিত দুটি বই।
জব সলুশন