বাংলাদেশের একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি কোথায় উপস্থিতিতে?
বাংলাদেশের একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে অবস্থিত।
কিশোর অপরাধীদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশোধন এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন কেন্দ্র বা সংশোধন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে।
⇒ বাংলাদেশে কিশোর বা ছেলেদের জন্য টঙ্গী ও যশোরে সংশোধন কেন্দ্র থাকলেও, কিশোরীদের জন্য রয়েছে একটিমাত্র প্রতিষ্ঠান।
⇒ বাংলাদেশের একমাত্র ‘জাতীয় কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্র’ বা সংশোধন কেন্দ্রটি গাজীপুর জেলার কোনাবাড়িতে অবস্থিত।
⇒ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি ২০০৩ সালে তার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে।
Related Questions
সংবিধানের ৭৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন অনুষ্ঠানের জন্যে ন্যূনতম ৬০ জন সংসদ সদস্যের উপস্থিতি থাকতে হয়। একে কোরাম বলা হয়।
- সংসদের বৈঠক চলাকালে যদি কখনো সদস্যের উপস্থিতি ৬০ জনের কম হয় সেক্ষেত্রে স্পিকার বৈঠক স্থগিত বা মূলতবি করে কোরাম পূর্ণ হওয়ার অপেক্ষা করেন।
তিতাস উপজেলা কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। এটি ২০০৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি দাউদকান্দি উপজেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত একটি নবগঠিত উপজেলা।
বাংলাদেশ ২০০০ সালের ৮ মার্চ সিটিবিটি (CTBT) অনুমোদন করে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে এবং চুক্তিটির ২৮তম দেশ হিসেবে এই অনুমোদন দেয়। বিস্তারিত জানতে Preparatory Commission for the Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization দেখতে পারেন।
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথনামা সংবিধানের ‘তৃতীয় তফসিল’-এ লিপিবদ্ধ রয়েছে।
- সে অনুযায়ী প্রত্যেক নির্বাচিত ব্যক্তি বিদায়ী স্পিকার বা তার অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকারের সামনে শপথ গ্রহণ এবং শপথ নামায় স্বাক্ষর করেন।
- অষ্টম সংসদে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুল হামিদ এডভোকেট নিজেই নিজের কাছে শপথ গ্রহণ করেন, যেহেতু তিনি নিজেই বিদায়ী স্পিকার।
বাংলাদেশে গ্রামীণ অঞ্চলে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু আছে, যার স্তরগুলো হলো ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ। (শহরাঞ্চলে দুই স্তর বিশিষ্ট যেমন পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন চালু আছে)।
বিখ্যাত পরিব্রাজক ইবনে বতুতা ছিলেন মরক্কোর নাগরিক।
- তিনি ১৩৩৩ সালে মুহাম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্বকালে ভারতবর্ষে আসেন।
- ১৩৪৬ সালে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের আমলে তিনি বাংলায় (সোনারগাঁও) আসেন।
- বাংলার অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণবৃত্তান্ত 'কিতাবুল রেহলা'-তে বাংলাকে 'দোযখ-ই-পুর নিয়ামত' বলে আখ্যায়িত করেছেন।
জব সলুশন