পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন কোন নদীর উপনদী?

ক) মহানন্দা
খ) ভৈরব
গ) কুমার
ঘ) গড়াল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন নদীগুলো মহানন্দা নদীর উপনদী।
- মহানন্দা নদী বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত নদী, যা মূল নদী মহানন্দার বিভিন্ন শাখা ও উপনদীতে বিভক্ত হয়।
- এই নদীগুলো মহানন্দার ধারার অংশ হিসেবে স্থানীয় অঞ্চলের জল সরবরাহ করে এবং কৃষি ও পরিবহন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উল্লেখ্য, যে সকল নদী পাহাড়-পর্বত থেকে উৎপত্তি হয়ে কোন বৃহৎ নদীর সাথে এসে মিলিত হয় তাকে উপনদী বলে

Related Questions

ক) অন্ত্যমিল আছে
খ) অন্ত্যমিল নেই
গ) চরণের প্রথমে মিল থাকে
ঘ) চরণের প্রথমে মিল থাকে না।
Note :

'অমিত্রাক্ষর ছন্দ' হলো অন্ত্যমিলনহীন এবং যতির বাধাধরা নিয়ম লঙ্ঘনকারী ছন্দবিশেষ। এর ইংরেজি পরিভাষা Blank verse । অমিত্রাক্ষরে ভাবের প্রবহমানতা নেই এবং ১৪ মাত্রার চরণ থাকে এবং চরণ শেষে অন্ত্যমিল থাকে না।

ক) দন্দ
খ) দ্বন্দ
গ) দ্বন্দ্ব
ঘ) দন্ধ
Note :

শুদ্ধ শব্দটি হলো দ্বন্দ্ব। বানানটি লক্ষ্য করলে দেখা যায়: দ্ + (ব-ফলা) + + দ্ + (ব-ফলা), অর্থাৎ এতে দুটি 'ব-ফলা' যুক্ত রয়েছে l

ক) এক
খ) দুই
গ) তিন
ঘ) চার
Note :

বাংলা ভাষায় ছন্দকে মাত্রাবৃত্ত, স্বরবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত এই তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়।
- মাত্রাবৃত্ত ছন্দে যুগ্মধ্বনি সব সময় দুই মাত্রা হিসেবে উচ্চারিত হয়। পঙ্ক্তিতে পর্বগুলো সমান সংখ্যক মাত্রার হয়ে থাকে।
- স্বরবৃত্ত ছন্দে যুগ্মধ্বনি সব সময় একমাত্রার।
- অক্ষরবৃত্ত ছন্দে যুগ্মধ্বনি শব্দপ্রান্তিক হলে দু’মাত্রার শব্দের মাঝে বা প্রথমাংশে থাকলে সাধারণত এক মাত্রার ধরা হয়।

ক) বলাকা
খ) সোনার তরী
গ) চিত্রা
ঘ) পুনশ্চ
Note :

প্রদত্ত পংক্তিটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১ - ১৯৪১ খ্রি) 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থের 'বলাকা' নামক কবিতার প্রথম পঙক্তি। বলাকা কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে। বলাকা  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর   সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা আঁধারে মলিন হল–যেন খাপে - ঢাকা বাঁকা তলোয়ার; দিনের ভাঁটার শেষে রাত্রির জোয়ার এল তার ভেসে - আসা তারাফুল নিয়ে কালো জলে; অন্ধকার গিরিতটতলে দেওদার তরু সারে সারে; মনে হল সৃষ্টি যেন স্বপ্নে চায় কথা কহিবারে, বলিতে না পারে স্পষ্ট করি, অব্যক্ত ধ্বনির পুঞ্জ অন্ধকারে উঠিছেগুমরি।

ক) সরল
খ) জটিল
গ) যৌগিক
ঘ) অনুজ্ঞামূলক
Note :

"যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ, সুতরাং তুমি প্রথম হবে" বাক্যটি একটি জটিল বাক্য।যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল থাকে এবং সাপেক্ষবাচক শব্দ (যেমন— যেহেতু... সুতরাং, যদি... তবে, যারা... তারা) ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বাক্য বলে। এই বাক্যে "তুমি প্রথম হবে" হলো প্রধান খণ্ডবাক্য এবং "যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ" হলো এর ওপর নির্ভরশীল আশ্রিত খণ্ডবাক্য। 

ক) কর্মকারকে শুন্য
খ) সম্প্রদানে সপ্তমী
গ) অধিকরণে শুন্য
ঘ) কর্তৃকারকে শুন্য
Note :

কর্তা যা করে বা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে কর্মকারক বলে। যেমন - তুমি বই পড় ; এখানে 'বই' কর্মকারক । যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দান করা হয় তাকে সম্প্রদান কারক বলে। যেমন - দরিদ্রকে ধন দাও । ক্রিয়ার সময়, বিষয় ও স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। যেমন - শিশুরা খেলা করছে। সুতরাং প্রশ্নে 'ঔষধ'কর্মকে কেন্দ্র করে দেয়া ক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ায় 'ঔষধ' শব্দটি কর্মকারক (শূন্য বিভক্তি)।

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন