ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র হচ্ছে ---
ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র হচ্ছে সিসমোগ্রাফ (Seismograph) বা সিসমোমিটার (Seismometer)। এই যন্ত্রের মাধ্যমেই ভূমিকম্পের মাত্রা ও তীব্রতা নির্ণয় এবং রেকর্ড করা হয়। ভূমিকম্পের তীব্রতা সাধারণত রিখটার স্কেলে পরিমাপ করা হয়।
Related Questions
শূন্য মাধ্যমে অভিকর্ষজ ত্বরণ ছাড়া বাতাসের কোনো বাধা থাকে না। তাই গ্যালিলিওর সূত্রানুযায়ী, শূন্য মাধ্যমে যেকোনো ভারী বা হালকা বস্তুকে (যেমন- পালক, পাথর ও কাঠ) একসঙ্গে ছেড়ে দিলে বস্তুটিগুলো সবকটি একসঙ্গে মাটিতে পড়বে।
পানি যখন ফুটতে থাকে, তখন তার উষ্ণতা বা তাপমাত্রা একই থাকে। সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে বিশুদ্ধ পানির স্ফুটনাঙ্ক \(100^{\circ}\text{C}\) (বা \(212^{\circ}\text{F}\))। পানি ফুটতে শুরু করার পর থেকে সম্পূর্ণ পানি বাষ্পীভূত না হওয়া পর্যন্ত তাপমাত্রা এই নির্দিষ্ট বিন্দুতেই স্থির থাকে।
দেওয়া আছে , a+b = c,
তাহলে,
a3 +b3 +3abc
= (a+b)3 - 3ab(a+b)+3abc
= c3 -3abc+3abc (a+b = c বসিয়ে )
= c3
হকোষের পুনরুজ্জীবন ও ক্ষয়পূরণ ঘটানোর জন্য প্রধানত প্রোটিন প্রয়োজন। খাদ্যের প্রধান উপাদান হিসেবে প্রোটিন দেহের নতুন কোষ তৈরি, পেশী গঠন এবং টিস্যুর ক্ষয়পূরণ করে দেহকে সচল রাখতে সাহায্য করে
বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ—এই উক্তিটি সম্পূর্ণ সঠিক।
বায়ুতে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড, জলীয় বাষ্পসহ বিভিন্ন গ্যাস ও ধূলিকণা মিশে থাকে। যেহেতু এই উপাদানগুলো কোনো রাসায়নিক বন্ধন তৈরি না করে কেবল ভৌতভাবে একত্রে মিশে থাকে এবং প্রত্যেকেই নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে, তাই বায়ুকে একটি মিশ্র পদার্থ বলা হয়।
(a-b)2/(a-b)
=(15-5)2/(15-5)
=(10)2/10
=100/10
=10
জব সলুশন